কক্সবাজারের কন্যাকে রূপকথার প্রশ্ন।
সৌম্যজিৎ।
যদি ধরে নিতাম তোমাকে সেই রাজকন্যের রূপে,
যদি পথ চেয়ে থাকতাম তোমাকে আপন করে পাবো বলে,
যদি অপেক্ষার কোনো শেষ না থাকত,
তুমি কি আমার চোখে ভাসতে?
কাজলি তোমাকে চেয়ে আমি পথের ধারে কাঠ ফাটা রোদ্দুরে,
তেঁতে ওঠা এবড়ো খেবড়ো পাথুরে পথ ধরে খালি পায়ে হেঁটে চলেছি,
কাজলি তোমাকে কালো কোর্টের ভিতরে থাকা সাদা পোশাকে দেখবো ভেবে
বর্ডার ক্রস করে রাতের অন্ধকারেই পাড়ি জমিয়েছিলাম।
কাজলি ওরা আমাকে সীমানা পেরতে দিলনা জানো।
ওরা ধেয়ে আসল মাটির বুকে খটখটে জুতোর আওয়াজ তুলে,
রাইফেল উঁচিয়ে আমার কাছে হন্যে হয়ে তলাসি করল,
আমার কাছে বুকভরা একটু ভালোবাসা আর চোখভরা এক চিলতে স্বপ্ন ছাড়া আর কিছুই ছিলনা,
ওরা সেটা দেখতে পেলনা।
আমাকে কোনদিকে চালান দেবে ঠিক না পেয়ে সোজা রাইফেলের গর্জন করে আসা গুলি
আমার ভালোবাসা বয়ে নিয়ে যাওয়া বুকটা ফুটো করে বেরিয়ে গেল।
কাজলি আমার চোখের স্বপ্নটা ফুরিয়ে যায়নি,
আমি সেটাকে আলতো করে স্নেহ দিয়ে আমার চোখে ধরে রাখলাম তোমার আমানত হিসেবে।
চোখ বন্ধ করে অপেক্ষায় থাকলাম।
কাজলি,
তুমি এসো।
আমি পারলাম না তোমার কাছে পৌঁছতে,
আমি জানি তুমি আসবে।
কিন্তু এসে কি বলবে সেটা জানার বড় কৌতূহল আমার।
আমাকে বোলো তোমার কথাটা।
No comments:
Post a Comment