Friday, 29 December 2017


ধর্ষণ তোমার লজ্জা নয়, ধর্ষণ ধর্ষকের লজ্জা। 

যদি তুমি ভাবো, তুমি ধর্ষণের শিকার, তুমি দুর্বল, তবে দুর্বল হয়ে যাবে তোমারই মত সহস্র লীলা, গীতা, মহিমা। যদি তুমি মনে করো তুমি ধর্ষণের শিকার, কিন্তু তুমি ন্যায়ের পথে হাঁটবে, তুমি ন্যায় করবে সেই লীলা, গীতা, মহিমাদের। নজির তুলে ধরবে, "ধর্ষণের শিকার মানে তুমি মানসিকভাবে ধর্ষিতা নও, ধর্ষণের শিকার মানে তুমি পঙ্গু নও, ধর্ষণের শিকার মানে তুমি হেরে যাওয়া, শেষ হয়ে যাওয়া, একেবারে ফুরিয়ে যাওয়া কোনো বস্তু নও। ধর্ষণ শুধু একটা অপরাধ আর সেই অপরাধ ও অন্যায়ের বিরুদ্ধে তোমাকে চলতে হবে।" তবেই সাহসের উজ্বল আলোকে ন্যায় পাবে ওরা, যারা ধর্ষণের শিকার হয়েও নিজের সম্মানের জন্য লুকিয়ে থাকতে নয়, বরং প্রকাশ্যে এসে লড়াই লড়তে চায়।

জিনিয়ার জীবনটা অতি সহজ সরল ছিল। সে স্বপ্ন দেখত সুন্দরের, সুন্দর জীবনের, প্রেমের। বাচ্চামি, পাগলামি নিয়েই সে থাকত প্রতিটা মুহূর্তে। হঠাৎ বদলে গেল যেন জীবনটা। হাসি নয়, জিনিয়াকে ভয় গ্রাস করেছে। চোখে, মুখে যেন নিজেকে অপরাধী মনে করার ছাপ। জিনিয়া কারোর সাথে স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না, যেটুকু বলছে, গলা কেঁপে কেঁপে উঠছে। জিনিয়া যে কখনো ছেলে, মেয়ে আলাদা করে দেখেনি, সবার সাথে অবাধে মিশেছে, খেলেছে, গেয়েছে, হঠাৎ করেই যেন ছেলে দেখলে সে দূরে সরে সরে যাচ্ছে। বাড়ির সবার মধ্যে থেকেও যেন সবার থেকে আলাদা একটা জগতে, যেন মনের ভিতরে সবকিছু তোলপাড় হয়ে যাচ্ছে। জিনিয়া ভয় পাচ্ছে।

কি এমন হয়েছে জিনিয়ার সাথে, যে সে ভয়ে কোকীয়ে উঠছে, কারোর সাথেই স্বাভাবিকভাবে কথা বলতে পারছে না, মিশতে পারছে না!

আমি, লেখক সৌম্যজিৎ দত্ত আজ সেই মেয়ের সবথেকে কাছের বন্ধু, এবং এতটাই বিশ্বস্ত হতে পেরেছি যে মেয়েটি আমাকে নিজের সেইসব অন্ধকারের কথা জানাতে পেরেছে নির্দ্বিধায়।

সাল ২০১৪ এর ডিসেম্বর মাস। জিনিয়া দিল্লীতে কাকুর বাড়িতে বেড়াতে গেছিল। তখন জিনিয়ার বয়স বাইশ বছর। উৎসবের সময় তখন গোটা পৃথিবীতেই। দিল্লীও নতুন সাজে সেজে উঠছে। জিনিয়া আধুনিক মেয়ে, পার্টিতে যেতে কোনও বাধা, দ্বিধা নেই। মাঝে মধ্যে নেশাও করে। বাড়িতে কড়া পরিবেশে ভয় থাকলেও জিনিয়া বাইরের পরিবেশে বেশ সাবলীল। হঠাৎই সেদিন জিনিয়ার কাকাতো দাদা জিনিয়াকে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দেয়। জিনিয়া এই প্রস্তাবে হকচকিয়ে ওঠে। কে'ই বা এমন একটা পরিস্থিতির মুখে স্থির থাকতে পারে! জিনিয়া ভীষণ রেগে যায়। সটান থাপ্পড় চাপিয়ে দেয় নিজেরই দাদাকে। পরিস্থিতি সামলাতে জিনিয়ার দাদা বলে, "সে মজা করছিল।" এরপর জিনিয়াও ভাবে যে সে ভুল করেই উত্তেজিত হয়ে উঠেছিল, তার দাদা মজাই করছিল। এভাবে কোনো দাদা কি কখনো নিজেরই কাকাতো বোনকে যৌন সম্পর্কের প্রস্তাব দিতে পারে! জিনিয়া ব্যাপারটা ভুলে যায়।

সেদিন ছিল ৩১শে ডিসেম্বরের রাত। জিনিয়া ও তার দাদা এক নাইট ক্লাবে ঘুরতে যায়। সেই রাতে জিনিয়ার জন্য যে ভয়ংকর কিছু অপেক্ষা করছে, তা জিনিয়া কখনোই বুঝতে পারেনি। নাইট ক্লাবে গিয়ে জিনিয়া দেখে সেখানে তার দাদার বন্ধুরাও এসেছে। সবাই মিলে গানের সাথে নেচেছে। মদও খেয়েছে। হঠাৎই জিনিয়া দেখে সবদিক কেমন অন্ধকার হয়ে আসছে! জিনিয়া অসুস্থ বোধ করতে থাকে সেই পার্টিতে এবং চেতনা হারায়। পরদিন যখন ঘুম ভাঙে, তখন জিনিয়া নিজেকে আবিষ্কার করে এক হোটেলরুমে একা, বিধ্বস্ত অবস্থায় বিছানায় পড়ে আছে। তার শরীরে অসম্ভব যন্ত্রণা। বিছানার চাদরে রক্ত লেগে। জিনিয়া বুঝতে পারে, তার সাথে কি হয়েছে। কিন্তু সে ভয় পেয়ে যায়। জিনিয়া ভয় পেয়ে যায় বাড়ির মানুষগুলোর জন্য। সে কাওকে কিছু জানাতে পারে না। সবার মাঝে থেকেও সবার থেকে সে আলাদা হয়ে যায়। ভেঙে পড়তে থাকে। মানুষের ওপর থেকে বিশ্বাস হারাতে থাকে।

একজন বাইশ বছরের আধুনিক মেয়ে, যার পরিবেশ সম্পর্কিত সমস্ত চেতনা আছে, কিন্তু বাড়ির পরিবেশকে সে এতটাই ভয় পায় যে সে তার প্রতি হওয়া অন্যায়ের বিরুদ্ধে বাড়িতে প্রকাশ করতে পারে না। সে বলতে পারে না যে সে ধর্ষণের শিকার হয়েছে তারই দাদার কাছে। সে বলতে পারে না যে তার ন্যায় চায়। পরিবর্তে সে নিজেই অপরাধবোধে ভুগতে থাকে।

আর কতদিন মেয়েরা নিজেদের সাথে হওয়া অন্যায়গুলো, অত্যাচারগুলো মুখ বন্ধ করে মেনে নেবে! আর কতদিন মেয়েরা ধর্ষণের শিকার হলে নিজেদেরই অপরাধী ভাববে! আর কতদিন জিনিয়ার মত মেয়েরা ধর্ষণকে মুখ বুজে সহ্য করবে! আর কতদিন সেইসব ধর্ষকেরা ধর্ষণ করে বেকুসুর খালাস পেয়ে যাবে?

আমি জিনিয়ার পাশে আছি। আমি জিনিয়ার পাশে থাকবো। আমি জিনিয়ার ভরসা হবো। ন্যায় দেবো জিনিয়াকে। আমি জিনিয়ার সমস্ত ভয়কে কাটিয়ে দেবো। ওকে বোঝাবো, অন্যায় ওর সাথে হয়েছে, ও কোনো অন্যায় করে নি।

তোমরা তোমাদের প্রতি হওয়া অন্যায়কে প্রকাশ কর। মুখ বন্ধ করে যতদিন সহ্য করবে, অন্যায়কারীরা, ধর্ষকরা সমাজে তত শক্তিশালী হয়ে উঠবে, তত মাথাচাড়া দিয়ে উঠবে। তোমরা যদি ধর্ষণের শিকার হও, প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করে নিজের এবং সমস্ত নারীর সম্মানকে অক্ষুণ্ণ রাখার উদাহরণ তুলে ধর। বুঝিয়ে দাও তুমি ধর্ষণের শিকার হলে, সেই লজ্জা তোমার নয়, সেই লজ্জা ধর্ষকের।

 - সৌম্যজিৎ দত্ত।
কে কখন কোথায় থাকে,
কে কখন কোথায় বাঁচে,
সব পরিহাস।
অশ্রু মিলিয়ে যায় হাসিমুখে,
নজর এড়িয়ে খেলা করে,
ভালবাসারা সামনে এক -
আর মনে পুড়ে যায় ভালোবাসায়,
সবই আজ হেঁয়ালি,
শুধু পরিহাস।
ভালবাসা অভ্যাস।

- সৌম্যজিৎ। 

Wednesday, 27 December 2017

চোদ্দ লাইনেই পূর্ণ।
সৌম্যজিৎ। 

প্রেম শুরু হয় মাঝরাতেও ..
প্রেম হয় পড়ার মাঝেও ..
জীবন তুই চললি কোথায়!
সাথে যা ছিল তা হল প্রাক্তন।
নতুন এল তুফান শেষে,
মাটি ভিজিয়ে তুলল মাদল,
সুরে কাঁপে বুক সে প্রাচীর,
ভেদ করেছে নিশানা যে তীর,
প্রেম আজ ঝমঝমিয়ে,
বৃষ্টি দিল খরা শেষে,
শুখা নদী পূর্ণ হল,
পূর্ণ হল দোলাচল।
আগমন নতুন তোমার,
স্মৃতি হল প্রাক্তন।

Thursday, 21 December 2017

এক প্রাণ কাড়া সুন্দর,
থামিয়ে দেয় আমার গভীর তপস্যাও,
মৃত্যুও যদি সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়,
মৃত্যুকেও আমি বলবো অপেক্ষা করো, নাহয় পরে এসো,
এ ভুবন দেখা আমার এখনও হয়নি শেষ।

- সৌম্যজিৎ। 

Monday, 18 December 2017

স্বপ্নেরা রোজ পাখা মেলে আসে,
উড়িয়ে নিয়ে যায় ইচ্ছে নদীর তীরে,
যেমন ইচ্ছা আবদারেরা
ফুটে বেরোয় আদর করে।
"ভালবাসি ভালবাসি" বলে চিৎকার করে মন,
ভালবাসায় মোর অন্তহীন জীবন,
ক্ষণিকের প্রেমে কাটিয়ে সময়,
মেলে বিচ্ছেদ, বিরহ, বিতাড়ন।
তবু এ প্রাণ খুঁজে বেড়ায় প্রেম,
একাকীত্বে  মানা আজীবন,
"ভালবাসি ভালবাসি" বলে ওঠে হুঙ্কার,
হৃদয়জুড়ে হয় তোলপাড়,
আবারও সেজে ওঠে জীবন নতুন ছোঁয়ায়,
ভয় হয় "কখন আবার ভাঙে এ মন!"


Friday, 15 December 2017

ষোল'ই ডিসেম্বরের সূর্য। 

সূর্যটা যেমন রোজ উদিত হয়, তেমনই উদিত হয়েছিল,
কিন্তু একরাশ অপেক্ষা বুকে নিয়ে যেন লক্ষ লক্ষ বাঙালি 
উষ্কখুষ্ক মুখে সেদিনের -
শুধু সেদিনের সূর্যের দিকেই তাকিয়েছিল। 
দিনের আলো আর রাতের অন্ধকার মিলেমিশে একাকার হয়েছিল 
লক্ষ বাঙালির ভয়ার্ত চোখে,
চোখের সামনে ওরা দেখেছিল ঘরের ছেলেকে বুকে বন্দুকের গুলি খেয়ে শহিদ হয়ে যেতে,
ওরা দেখেছিল মা, বোন, বউকে কেমন টেনে হিঁচড়ে ক্যাম্পে নিয়ে গিয়ে 
ফৌজের দল কিভাবে ধর্ষণ করেছে, খুন করেছে!
তবু ওরা অপেক্ষা করেছে সেই সূর্যকে দেখতে যে সূর্য 
কুয়াশা'কে ভেদ করে আলো দেখিয়েছিল, আর
বাঙালির সমস্ত কষ্ট কোথায় যেন মুহূর্তেই হারিয়ে গেছিল স্বাধীনতা জিতে নেওয়ার উল্লাসে। 

হায়রে স্বাধীনতা ..
তুমি কেমন আমার জানা নেই।
তুমি কি সুখের আলো,
তুমি কি শুধুই উল্লাসে ফেটে পড়া জয়ধ্বনি,
তুমি কি শুধুই মানসিক তৃপ্তি, নাকি
তুমি সেই বুক চিরে যাওয়া হাহাকার যা
আমি অনুভব করি আপন মানুষকে হারিয়ে। 

স্বাধীনতা তুমি শুধু রক্তই নিয়েছ,
মূল্যবোধ শেখাতে পারনি কখনোই। 

- সৌম্যজিৎ। 

Thursday, 14 December 2017

আমি তোকে ছাড়াও চলতে পারি আমার পথ,
আমি তোকে ছাড়াও বাঁচতে পারি জীবন।
আমার জীবন আমার লক্ষ্যপথে অটল,
যদি সাথে না থাকিস, আমি একাই একশত কোটি হয়ে
ধ্বংস করে দেবো মৌলবাদ ও পুরুষতন্ত্র।
একশত কোটি হয়ে আমি একাই ফিরিয়ে আনবো -
বঙ্গতনয়াকে।
শত, হাজারও যদি থাকে পিছুটান,
আমি সব পিছুটানকে ফেলে দেবো পিছনে,
দুর্বলতা যদি থাকে হাজারও,
আমি দুর্বল হয়েও পৌঁছে যাবো আমার লক্ষ্যপথে একদিন,
ঠিকই।

- সৌম্যজিৎ। 

Monday, 11 December 2017

সূর্যমণ্ডলী তসলিমা।

তুমি কেমন করে লেখো আদর্শ লেখা!
শিরায় - মজ্জায় বাহিত হয়,
রক্তকণিকায় মিশে থাকা বদ - দূষিত রক্ত ধ্বংস হয়ে যায় সেই আদর্শে,
আমি প্রাণ ফিরে পাই।
ফিরে পাই সজীবতা, যেন
চারিদিকে শুধু মুক্তি আর মুক্তবাতাসের ঘ্রাণ,
জীবনীশক্তি হঠাৎই যেন বেড়ে দ্বিগুণ হয়ে যায়।
কোথা থেকে তুমি শুরু করো এই আদর্শ লেখা!

তোমার মগজ কি এতটুকু মানেনা বাধা যত আছে -
এ সংসারে!
পুরুষতন্ত্রকে তুমি পায়ের জুতোর নিচে মাড়িয়ে দাও নিমেষেই,
সমাজের গড়া নিয়মে তুমি খুঁজে পাও বেনিয়মের বেড়া,
কোথা থেকে আসে তোমার এত চিন্তা!
যা'কিছু বলো,
যা'কিছু তুমি করো, সবেতেই আমি খুঁজে পাই মহাকাশজুড়ে থাকা
অক্সিজেনের রাশিমালা,
যেন কোথাও নেই দূষণ,
কোথাও নেই প্রাণ জর্জরিত করা বায়ুমণ্ডল,
কোথাও নেই মৃত্যু,
শুধু খুঁজে পাই জীবন,
খুঁজে পাই এক নতুন সূর্য আলোকিত করছে
শিক্ষায়, চিন্তায়,
প্রেমে,
ভালবাসায়।


তোমারই মধ্যে আমি দেখি সেই সূর্যকে উদিত হতে,
জ্ঞানের আলোক বিচ্ছুরিত হচ্ছে তোমারই চেতনা থেকে।
কেমন করে তুমি এত তেজস্বী হলে
আমার লেখিকা!

- সৌম্যজিৎ। 

Saturday, 9 December 2017

আকাশ থেকে খসে পড়তে দেখছি এক তারাকে।
আমি দুহাতের তালুতে ভরে,
নীল অন্ধকারে -
মুগ্ধ - বিস্ময় মাখানো দৃষ্টিতে দেখছি তারে।
অন্ধকারেও চোখে ঝিলিক খেলে যাওয়া মণিদুটো যদি
হারিয়ে যেতে চায় প্রেমের অতল গহ্বরে,
গায়িকা তুমিই দায়ী হবে সে প্রেমিকের মৃত্যুতে।

- সৌম্যজিৎ। 

Friday, 8 December 2017

আজকাল তোমায় ভীষণ অহংকারী মনে হয়,
যে ভালবাসা তোমায় দিতে চেয়েছি ঝড় - তুফানের মত
নাভিশ্বাস থেকে তুলে,
সেই ভালবাসা আমি বেসেছি এক নিষ্পাপ পাগল প্রেমিকাকে,
সেই ভালবাসা আমি বেসেছি তাকে
যার চোখের চাহনিতে প্রেমকে ঠিকরে বেরতে দেখেছি,
আজকের এই অহঙ্কারীকে আমি কখনোই ভালবাসিনি।

কে তুমি!
আজ এত অচেনা কেন লাগে তোমাকে!

- সৌম্যজিৎ। 

Saturday, 2 December 2017



প্রেম! 
সে তো ছিল সেই সেকালে! 
মনের মধ্যে যখন প্রেমের ঘোড়া টগবগিয়ে ছুটত,
দু-কানের পাশ দিয়ে হাওয়ারা শো শো আওয়াজ তুলে পার হত,
প্রাণের মধ্যে আবেগ হু হু করে বয়ে যেত বিলিয়ে যেতে।
তখন আমি প্রেমে পড়তাম রোজ, প্রতিবেলা - প্রতিজনে,
তখন আমার প্রেম ছিল নিষ্পাপ,
যেন জ্বলন্ত অগ্নিকুণ্ডেও প্রবেশ করতে পারত নির্দ্বিধায়। 
এখন আমি আর প্রেমে পড়িনা,
এখন আমি মানুষের দিকে একবারের অধিক কেন যেন ঘুরেও দেখিনা,
এখন আর আবেগ আমাকে ধাক্কা দেয়না এটা বলে যে
যা, ছুটে যা, ভালবাস, প্রেমে প্রেমে লুটে যা, 
তখন আবেগ আমাকে বলত যেমন করে! 
আমিও দিন নেই, রাত নেই, ঘুম নেই,
প্রেমেরই অন্তরে ডুবে যেতাম।
আজকাল আমি ডুবে আছি যতসব
গস এলিমিনেশন, ইটারেশন, 
নিউটন র‍্যাপ্সনে,
আজকাল আমি হয়ত অঙ্ক কষতে কষতে
অঙ্কেরই মত বড্ড হিসেবি হয়ে উঠেছি।
হিসেব কষে আর যা'কিছুই হোক,
প্রেম কিছুতেই হয়না।
প্রেমটা -
আমার আর আসেনা। 

- সৌম্যজিৎ।