Tuesday, 30 January 2018

আমার এক বুক ভালবাসা তোমার সামনে ফিকে হয়ে যায়,
আমি মনে রেখে দেবো -
এ ভালবাসা তোমার যোগ্য নয়।

- সৌম্যজিৎ।

Thursday, 25 January 2018


স্কুল।
সৌম্যজিৎ।

স্কুল ..
তুমি কেমন আছো!
কেমন আছো তুমি স্কুল!
কতদিন, কতবছর পেরিয়ে গেছে,
আমি তোমার বুকে খেলিনি, দৌঁড়ইনি,
তোমার ঘরগুলোতে ওই বেঞ্চগুলোতে আমি বসিনি!
স্কুল,
আমাকে তোমার মনে পড়ে!
সেই যে আমি যেদিন তোমার আঙিনায় প্রথম পা রেখেছিলাম
সাদা জামা আর নীল হাফ প্যান্ট পরে,
আমার কাঁধে একটি নীল রঙের নতুন ব্যাগ, আর
ব্যাগের মধ্যে থাকা নতুন বই - খাতাগুলির  গন্ধ আমাকে
নাম না জানা, অচেনা কোনো সুখে মুগ্ধ করে রেখেছিল সেদিন ..
সেই সেদিনই তো পরিচয় হয়েছিল আমার
মানিক, ফরিদ, মুরাদ, পুস্করের সাথে ..
কত বছর পার করে সেদিনই আমি আবার ফিরে পেয়েছিলাম স্বরূপকে ..
প্রতিটা স্মৃতি আমার মস্তিষ্ক, হৃদয় এখনও ছবির মত ধরে রেখেছে,
আমি কখনো তোমায় ভুলিনি আমার স্কুল ..
আমি কখনো তোমায় ভুলবো না।

তুমি আমায় মনে রাখবে তো! ..


সে শুধু তসলিমাই ..
- সৌম্যজিৎ।

আমার রক্ত শুঁকে দেখো,
বিন্দুতে বিন্দুতে তুমি পাবে তসলিমা নাম,
আমার নিঃশ্বাসকে অনুভব করো,
নাভিশ্বাস ঠেলে উঠবে সে তসলিমাগান,
আমার বুকে মাথা রেখে দেখো হে ভুবন -
তুমি শুনতে পাবে ঠিক,
ঠিক তুমি শুনবে কিভাবে হৃদস্পন্দন
থরথর কম্পন,
শুধু তসলিমা তাহার প্রাণ ..

হে ভুবন
আমি ধন্য তোমার বক্ষে,
আজন্ম নতজানু রবো তোমারই পদতলে,
শুধু একটিবার -
একটিবারই যেন পাই অপার স্নেহ আমার আদর্শ -
প্রাণপ্রতিম সে তসলিমা নাসরিনের।


Tuesday, 23 January 2018

শপথ সে সূর্যের নামে ..

হোক সে বিতর্ক বড় কোনো পর্বত সমান,
হোক পৃথিবী আলাদা কোনো সাত আসমান ..
আমি যেমন ছিলাম, তেমন রবো তোমারই বন্ধু,
যেমন তুমি চিনেছিলে ..

ফেটে পড়ুক ওরা যারা -
রক্তচোখেও খোঁজে লালসা,
হামলে পড়ুক ওরা যারা -
রক্তাক্ত শরীরেও খোঁজে মাংসপিণ্ড,
আমি দাঁড়াবো সকল সমুখে বন্ধু -
বুক চিতিয়ে বন্ধুত্বকে আগলাবো।

যে আদর্শ আমাকে গড়েছে মানুষ,
যে সূর্য আলোকিত করে আমায় রোজ,
সে সূর্যের নামে, সে আদর্শের পথে আমি শপথ করি -
বন্ধুত্বের হাত ছাড়বো না ..

- সৌম্যজিৎ।
বাংলা আমার মায়ের ভাষা, 
বাংলা আমার মুখের ভাষা, 
বাংলা আমার শৈশব, কৈশোর, 
বাংলাতেই আমি বাঁচি, 
বাংলাতেই যেন মরি। 

- সৌম্যজিৎ। 

Wednesday, 17 January 2018

তোমার কপালে চুম্বনের এক চিলতে স্পর্শ,
নিস্তব্ধ মনেও
হাজারও শব্দ কানে কানে এসে বলে যায় তোমায় বলতে ..
আমার চোখ ফুটে কথা বেরিয়ে আসে,
সাদা চোখ ক্রমশ লাল বর্ণ ধারণ করে
তোমার চোখে অনেক কথা বলে দেয় তবু, -
মুখ ফুটে দুটো কথা বেরিয়ে আসতে পারে না কিরণ ..

- সৌম্যজিৎ।
তোমার সাথে যা আছে
সব থাক,
সবাই থাক,
যে তোমার আধার হয়েছে, শূন্য ভরতে ব্যস্ত,
সে'ও তোমার হয়েই থাকুক ..
আমি প্রেমিক,
কবিতার জাল বুনবো আমার প্রেমে,
কবিতা নিয়েই কাটিয়ে দেবো আমার -
প্রেমের বেলা ..

এ প্রেম শুধু আমার,
এ প্রেমে অধিকারও শুধু আমার ..

- সৌম্যজিৎ।
স্বর্ণাক্ষরে তোমায় অমর করে দেবো,
বিনিময়ে দু-ফোঁটা ভালবাসা আমি কখনো চাইবো না তোমার থেকে ..
আমি জানি অসীম মায়া তুমি ধরে আছ ওই দু-চোখে,
তাকালেই আমার মৃত্যু নিশ্চিত -
প্রেমের অতল গভীরে,
তবু আমি মরবো -
চাইবো না কৈফিয়ত,
তবু আমি আর বলবো না কিরণ -
'কেন তুমি ভালবাসনি!'


স্বর্ণাক্ষরে তোমায় অমর করে দেবো,
বিনিময়ে দু-ফোঁটা ভালবাসা আমি কখনো চাইবো না তোমার থেকে ..

- সৌম্যজিৎ।
আমি জানি কিরণ তুমি
অধরাই থেকে যাবে চিরকাল ..
যে ভালবাসা,
যে অমর প্রেম আমি তোমার সাথে পেতে চেয়েছি তা
অপ্রকাশিত অন্যকারোর আমানত ..
আমি জানি ..

তবু তুমি আমারই সৃষ্টি,
আমি আমার প্রেমে তোমায় অমর করে দেবো চিরতরে ..

 - সৌম্যজিৎ। 

আমার সকল প্রশ্বাস আমি তোমার নামে শুরু করি
হে মানবী,
আদর্শে আদর্শে ছুঁয়ে গেছ আমার হৃৎপিণ্ড,
শিরা, ধমনী,
তোমার স্নেহের আঁচলে টান দিয়ে আমি প্রার্থনা করি,
"আমি যেন বাঁচি তোমার নামে, তোমার আদর্শে,
আমি যেন মরি এ আদর্শকে বাঁচিয়ে রেখে।"
একটা চাওয়া আমার অপূর্ণ থেকেছিল সেদিন -
অন্তত কুড়ি বছর দেরীতে জন্মেছিলাম,
শেষ চাওয়াটুকু আমি সম্পূর্ণ পেতে চাই
তোমারই স্নেহে থেকে ..

- সৌম্যজিৎ।

Tuesday, 16 January 2018

অপার হয়ে বসে আছ হে তুমি
দয়াময়ী,
দয়া নয় যদি প্রেম দিতে -
আমি নতশির প্রেমিক হয়ে প্রেরণা করে
মাথায় তুলে রাখতাম,
দয়ার সাগরে ডুব দিয়ে মলিনতা মোর হবে না দূর,
আমি শুদ্ধ হতাম প্রেমেরই ছোঁয়াতে।
কিরণ তুমি প্রকাশিত হও
এ চির জগত সংসারে,
আমার বুক অন্ধকারেই থাকুক,
আমি মিশে যাবো গভীর অলকানন্দে ..

- সৌম্যজিৎ।

Monday, 15 January 2018

১) তোমার সাথে ভীষণ কথা বলতে ইচ্ছা করে। বারবার কথা বলতে যাই, কিন্তু ঘুরে আসি আবারও। এটা হয়ত সঠিক সময় নয়। বা হয়ত প্রেম করার ইচ্ছাটুকুই আমার ভিতর থেকে হারিয়ে গেছে। এরপরও যে কেন বারবার কথা বলতে ইচ্ছা করে! একদিন বলবো কথা। আমার কাজগুলো করে নিই। আর আমি জানি, তুমি বিরক্ত হও হয়ত আমি কথা বললে।

২) এই যে তুমি লিখেছ, "পাঁচিল তুলেছি নিজের দুধারে.. একটু একা একা থাকা। .. "

সত্যিই কি তুমি নিজেকে আড়াল করে রেখেছ দেওয়ালের ভিতরে! আচ্ছা, কখনো কি তুমি নিজেকে মুক্ত করবেনা সেই দেওয়াল থেকে!

৩) কি যে মিষ্টি লাগে তোমাকে! বারেবারে দেখি। সবথেকে ভালো যেটা, তুমি বেশ লম্বা! ইশ!! কিসব ভাবছি পাগলের মত।

৪) পরীক্ষা খারাপ হল যে ম্যাম আমার। এখন আমি কি করি!!

না। ভুলে যাই আজকের পরীক্ষার কথা। পরের পরীক্ষাগুলো ভালো করে দিতে হবে।

৫) না কিরণ। আমি কখনোই ভাবিনা যে তুমি অন আছ মানে তোমার চক্কর চলছে অনেকজনের সাথে। আর চললে চলছে। চক্কর মন ভালো রাখে। তবে আমার ব্যাপারটা আলাদা। আমি তো তোমাকে ভালবেসে ফেলেছি ভীষণ। আর যদি ভালো নাও বাসতাম, তবু কখনো অমন ভাবতাম না যে তোমার চক্কর চলছে। অন থাকার অনেক কারণ হতে পারে। সেটা ব্যক্তির ব্যক্তিগত ব্যাপার। আর আমি তোমাকে যেমনটা কল্পনা করেছি, তোমার মধ্যে লুকিয়ে থাকা একজন প্রেমিকা আছে। আর তুমি যখনই প্রেম করবে, সেই প্রেমের প্রতি একনিষ্ঠ হবে। আমি জানি। একটাবার, একটুখানি ভালবাসতেই পারতে। আমি একনিষ্ঠ থাকতাম।

৬) খুব রাগ হয় তোমার প্রতি। মেসেজটার রিপ্লাই পর্যন্ত দিলেনা!! কতজন আমাকে মেসেজ করে! আমি ঘুরেও দেখিনা। আর তুমি আমার মেসেজের রিপ্লাই দিলেনা!

৭) স্যরি কিরণ। কিছু মনে কোরোনা। আসলে আমি ভীষণ উৎসাহের সাথে তোমাকে মেসেজটা করেছিলাম, আর তোমার উত্তর না পেয়ে খুব হতাশ হয়ে গেছিলাম। আমার আরও শান্ত হওয়া উচিৎ।

৮) আমি কি তোমাকে বিরক্ত করি কিরণ! আমি তো কখনোই কাওকে বিরক্ত করিনা হুটহাট করে! হ্যাঁ, মেয়েমার কাছে যখন তখন মেসেজ করে ফেলি। সে তো মেয়েমাও করে। ভোর তিনটে / চারটের সময় মেসেজ করে কখনো কখনো। কিন্তু তাছাড়া আর তো কাওকে আমি বিরক্ত করিনা। আমি তোমাকে মেসেজ করবো না।

৯) কিরণ কিরণ কিরণ। আমার কিরণ। আমাকে কিছু করতে হবে। অন্যরকম কিছু একটা। এভাবে সম্ভব হচ্ছেনা। আমার মেয়েমাকে এখানে ফিরিয়ে আনতে হলে অন্যরকম কিছু করতে হবে। আমার নামটাকে আরও বড় করে তুলতে হবে। সামনের পরীক্ষাগুলো ভালো করে দিই। এই পরীক্ষাগুলো আমার নামকে খবরের শিরোনামে নিয়ে আসতে পারে। শিরোনামে আসাটা ভীষণ প্রয়োজন। কারণ আমাকে মুখ্যমন্ত্রীর মুখোমুখি হতে হবে মেয়েমাকে ফিরিয়ে আনতে হলে। তুমি যদি একটু ভালবাসতে, আমি খুব নিশ্চিন্তে আমার কাজটা করতে পারতাম। এটা ভীষণই কঠিন একটা কাজ। আমাকে আগুনের পথে চলতে হবে।

১০) তোমাকে কালো কাজলে আর কপালে ছোট্ট কালো টিপটাতে খুব সুন্দর লাগে। বারবার দেখতে ইচ্ছা করে তোমাকে ওভাবে।

১১) আজকাল তোমায় ভীষণ অহংকারী মনে হয়,
যে ভালবাসা তোমায় দিতে চেয়েছি ঝড় - তুফানের মত
নাভিশ্বাস থেকে তুলে,
যে ভালবাসা আমি বেসেছি এক নিষ্পাপ পাগল প্রেমিকাকে,
সেই ভালবাসা আমি বেসেছি তাকে
যার চোখের চাহনিতে প্রেমকে ঠিকরে বেরতে দেখেছি।
আজকের এই অহঙ্কারীকে আমি কখনোই ভালবাসিনি।

কে তুমি!
আজ এত অচেনা কেন লাগে তোমাকে!

১২) এক প্রাণ কাড়া সুন্দর,
থামিয়ে দেয় আমার গভীর তপস্যাও,
মৃত্যুও যদি সামনে এসে দাঁড়িয়ে যায়,
মৃত্যুকেও আমি বলবো অপেক্ষা করো, নাহয় পরে এসো,
এ ভুবন দেখা আমার এখনও হয়নি শেষ।



১৩)

আজ ১৫ই জানুয়ারি, ২০১৮।
প্রথমবার তোমার সাথে এত পরিষ্কার কথা বলা,
প্রথমবার যেন আমি আমার মনকেই চোখের সামনে দেখলাম,
এই প্রথমবার আমার বুকে জন্মানো হাজারও কথা তোমায় নিয়ে, -
ফুটে বেরোল শব্দের আকারে - কিরণ।


Friday, 12 January 2018

নিষ্পাপ যে ভালোবাসা বেসেছি তোমাকে,
কামের স্পর্শ নেই, ঘামের গন্ধ ছোঁয়ার অভিলাষও নেই,
তীব্র স্নেহে শুধু জড়িয়েছি তোমাকে,
সে ভালোবাসা কখনো ভালো'বাসার বা মন্দ'বাসার ঋণ পরিশোধ করে না।
সে ভালোবাসা তোমার কালজয়ী উল্লাসের চাহনিতে,
সে ভালোবাসা তোমার মন খারাপের বেলাতেও।
- সৌম্যজিৎ।
পাকশি পাকশি পাকশি!
প্রীতি গেল পাকশি,
সেথায় প্রীতি পেয়ারা পাড়ে
লাগিয়ে বিরাট আকশি।
পেয়ারাগুলো ডাঁসা ডাঁসা
আসল রবিন কিশোর মুসা,
ওরা এখন বাংলাদেশে
পেয়ারা দেখে মিষ্টি হাসে।
হঠাৎ কিশোর চমকে ওঠে
নিচের ঠোঁটে চিমটি কাটে,
বলে - প্রীতি একি দেখি!
পেয়ারাতে ফুটো নাকি?
ফুটোর ভিতর মুক্তোদানা
হীরা - জহরত - পান্না - সোনা,
দেখে সবাই খুব অবাক
বলে প্রীতির গুড লাক!

-মৌলী ভাই।
(উনিশ বসন্তের মিষ্টি কিছু লাইন।)
কিরণ ..

তোমাকে যত দেখি, তত ভালো লাগে,
ইচ্ছা করে হারিয়ে যেতে, হারিয়ে গিয়ে দেখি তোমাকে ..
তোমাকে যত শুনি, ভীষণ সাহস আর ভরসা জাগে মনে,
যেন আমি পার হয়ে যেতে পারি অসম্ভবের শেষ সীমাও,
পার হতে পারি গভীর অলকানন্দাও,
পার হয়ে যেতে পারি সর্বোচ্চ চোমোলুংমাও ..

- সৌম্যজিৎ।

Wednesday, 10 January 2018

উৎসর্গ- নির্বাসিত লেখিকা, তোমাকে।


সেই কত হাজার যুগ পার হয়ে গেছে

তোমার সাথে আমি হাঁটিনি রাস্তায়,

সেই কত হাজার যুগ পার হয়ে এসেছি আমরা,

তুমি ঘুরে বেড়াও পৃথিবীজুড়ে,

আমার দৌড় ওই এয়ারপোর্ট থেকে শুরু হয়ে শেষ হয়ে যায় আলিপুরে।

আমি বুঝি কি ভীষণ অভিমান হয়েছে তোমার, -

আমার প্রতি,

সেদিন যখন চারিদিকে হইহই রব তুলে ওরা ছিনিয়ে নিল তোমার থেকে

ভালোবাসার ভাষার শহরটাকেই,

সেদিন আমি চুপ হয়েছিলাম,

তোমাকে অপমানিত হতে দেখছিলাম চোখের সামনে,

সেদিন সত্যিই আমি ভ্রুক্ষেপ করিনি তোমার অসহায়তাতে,

শিরদাঁড়াকে সোজা করতে পারিনি সেদিন।

কাপুরুষের মত মাথা নিচু করে শুধু নিজেরটুকু ভেবেছিলাম,

ভেবেছিলাম আমি অন্তত একটুখানি বাঁচি,

অপমানিত হয়ে হলেও,

দাঙ্গা, মারামারি, লজ্জাকে মাথা পেতে স্বীকার করে নিয়ে হলেও

আমি একটুখানি বেঁচে থাকি কোনো এক কোণায় বদ্ধ বাতাসে, অন্ধকারে।

বুঝিনি তখন, এ বাঁচা বাঁচা নয় আমার,

এ বাঁচায় আমার অহঙ্কার নেই, বীরত্ব নেই, প্রাণবায়ু নেই,

এ বাঁচা শুধু নিজেকে তিল তিল করে শেষ হতে দেখার জন্য বেঁচে থাকা,

এ বাঁচা শুধু প্রতিমুহূর্তে লজ্জায় মাথা হেঁট হতে দেখার জন্য বেঁচে থাকা।



আমি প্রতিমুহূর্তে বাঁচার পরিবর্তে একটু একটু করে নিভে যাচ্ছি,

নিভে যাচ্ছি শিরদাঁড়াকে সোজা রেখে সেদিন তোমার জন্য মাথা উঁচিয়ে রাখতে পারিনি বলে,

আমি প্রতিমুহূর্তে শেষ হয়ে যাচ্ছি আমার সেদিনের কাপুরুষত্বের জন্য।



কত যুগ!

কত হাজার যুগ পার হয়ে গেছে তোমার সাথে আমি মিশিনি ...

- সৌম্যজিৎ।

Tuesday, 9 January 2018

হঠাৎ আসা মেঘ, আর উথলে ওঠা ঢেউয়ে
মন চঞ্চল হয়ে ওঠে কোনো এক গভীর ক্ষতকে অনুভব করে।
রক্তের সাথে দানা বেঁধে আছে যে স্পর্শ,
অস্পর্শেই তা ক্ষত করে হৃৎপিণ্ডকে -
বারেবারে ..

***** সৌম্যজিৎ *****
জীবন।
সৌম্যজিৎ। 

জীবন তুমি বারেবারে ব্যর্থ হয়েও আশার আলো খুঁজেছ,
বারেবারে হেরে গিয়েও তুমি জিততে চেয়েছ,
স্বপ্ন দেখেছ স্বপ্নকে হাতে ছুঁতে,
জীবন তুমি ভালবেসেছ অবাধে প্রেমিকাকে।
লোভ, লালসাকে সংবরণ করতে শিখিয়েছিলে তুমি,
লোভ, লালসা পায়ের ধুলোই লুটোপুটি খেয়ে যায় আজ,
মাথায় কখনো চড়ে বসতে পারে না।
ত্যাগ করতে শিখিয়েছিলে তুমি,
মনে মনে আজ বড্ড হাসি পায় ..
ত্যাগ করতে করতে আজ সবকিছুর প্রতিই যে উদাসীন হয়ে গেছি!
নেই কিছু চাওয়ার, নেই কিছুই পাওয়ার,
শুধু জিততে চেয়েছি এ জীবনকেই মূল্যের পণ্য করে রেখে,
ওইটুকুতেই শুধু মুক্তিকে আমি আলিঙ্গন করবো বাহু'যুগলে ..

যদি কিছু বলি, চাঁদও লজ্জায় মুখ ঢাকবে,
না বলাই থাক তবে,
চাহনিতেই অনুভূতি প্রকাশ পাবে।
স্বপ্নের এক বিকেল।
সৌম্যজিৎ। 

এক বিকেল তখন,
আকাশজুড়ে তড়িঘড়ি সন্ধ্যা নামার,
গান আর কবিতায় জীবন তখন ঢেউ তুলছে হৃদয় তোলপাড় করে।
আমি বলেছিলাম আজ শুধু প্রেমের কবিতায় নতুন রঙ দেবো,
ভালবাসি, ভালবাসি বলে তুফানকে ডেকে নেবো তোমাদের হৃদয়ে,
আমি বলেছিলাম আজ ঝড় হবে বুকে, প্রেমের বর্ষণে প্লাবিত হয়ে যাবে তোমাদের মন,
হঠাৎ শুনি আমার চেতনাকে শূন্য করে দেওয়া সুর
চির নবীন কণ্ঠে ইমন গেয়ে উঠল, "তুমি যাকে ভালোবাসো .."
ইমনের সুরে যেমন বাচ্চামি আছে, তেমনই কোথাও এক ভীষণ কষ্টের ছোঁয়া পাই আমি,
এক অপূর্ণতার ছোঁয়া!
জানিনা ঈশ্বর কেমন করে ইমনকে একইসাথে বাচ্চামি আর তীব্র যন্ত্রণার ছাঁচে গড়েছে!

প্রেমে আমার তীব্র আসক্তি,
প্রেমকে আমি সবসময়ই দূরে রাখতে চেয়েছি আমার থেকে,
প্রেম আমাকে কখনো দূরে যেতে দেয়নি,
সবসময় কাছাকাছি এসে ঘেঁষেছে।
"আকাশ ভাঙা গান" যখন মহুয়া গেয়ে উঠল,
আমি তখন কোথায়!
পায়ের তলায় মাটি নেই, মাথার ওপরে ছাদ নেই,
অজানা, অচেনা রাজ্য,
দিগ্বিদিক জনশূন্য,
আমি একাকী যেন ঘোরে আচ্ছন্ন হয়ে পড়লাম!
মহুয়ার চোখের ভাষা আমাকে নিমেষেই গ্রাস করে ফেলে,
কোনো এক মায়াবী জাদু তার ইন্দ্রজালে সম্মোহিত করে ফেলে আমার দৃষ্টিকে।
এক দৃষ্টে আমি মহুয়াতে চেয়ে থাকি।

জীবন, তুমি যা নেওয়ার নিও,
আমি গভীর অলকানন্দে তোমাকে উৎসর্গ করে কবিতা লিখে আসবো,
হারিয়ে ফেলে আসবো সেই কবিতাকে,
জানবো তুমি নিজে হাতে তা নিয়েছ।
শুধু কখনো এমন স্বপ্নকে সত্যি হতে দিও,
আমি কৃতজ্ঞ থাকবো তোমার কাছে মৃত্যুপারে গিয়েও।

Sunday, 7 January 2018

বলা হয়না।
সৌম্যজিৎ। 

চলছে না,
এ মন থমকে যায় বারেবারে,
কথাগুলো বলতে চায়, না বলা থেকে যায়
হারিয়ে যাওয়া মুহূর্তগুলোতে,
থমকে যায় হৃদয়, শূন্য হয়ে ওঠে কোলাহলে পূর্ণ রাস্তাঘাট,
একা একাই থমকে যায়।
যখন বলতাম, জানতাম না কি চাইতাম!
মুহূর্তের স্রোতে ভেসে গিয়ে
বলে উঠতাম প্রকাশ পেতে,
হাসি'কে বদলে অজান্তেই  বুকফাটা কান্না'কে আহ্বান করতাম,
হারিয়ে ফেলতাম সে মুহূর্তগুলো,
ভুল বোঝার অতল গহ্বরে ..

যখন বলতে চাই,
আর বলা হয়না কিছুই
সময় হারিয়ে যাওয়ার,
অধিকার লুপ্ত হওয়ার অবকাশে।

Monday, 1 January 2018


বিদায়।
সৌম্যজিৎ। 

বিদায়!
সে তো অনেক আগেই দিয়েছিলে তুমি,
কাছে থাকার থেকে বিদায়।
তবু ছিলে মানে - অভিমানে,
তবু ছিলে মনের কাছে অভ্যাস হয়েও।
ক্ষণিকের আস্ফালন চিঙ্গার হয়ে জ্বালিয়ে দিয়েছিলে,
আমাকে পুড়িয়ে স্বর্ণক্ষেতে স্বর্ণাক্ষরে এঁকেছিলে।
শক্তি দিয়েছিলে অপার, যা আমি অপ্রকাশিত রেখেছি,
লুকিয়েছি।
শক্তিই সবথেকে বড় দুর্বলতা হয়ে যায়,
তাই লুকিয়েছিলাম।
আজ যখন অভিমানও নিষ্পত্তি দিল,
বিদায় জানাল,
আমার সবথেকে বড় শক্তিখানিই আমি হারিয়ে ফেললাম।
এত দুর্বলতাতেও আমি টিকেছিলাম, কেবল ওই শক্তিখানিকে আঁকড়ে,
এখন বড় শূন্যতা গ্রাস করে নিল আমার চেতনা।