Monday, 30 November 2015

ক্রুস্কাল এলগরিদম জট।
সৌম্যজিত দত্ত।

নানা রকম মেথডে মিনিমাম স্প্যানিং ট্রি,
ক্রুস্কাল গড়লেন ইতিহাস।
যদি কোনো ট্রি'তে এজ গুলো অস্তরীভুত থাকে,
তবে আসেন্ডিং অর্ডারে সেগুলো কেমনে স্তরীভূত হবে?
দারুন প্রশ্ন!!
এমন প্রশ্নের শুধু প্রসংশায় থামেননি ক্রুস্কাল।
গড়লেন ক্রুস্কাল' মেথড।

একই ভার্টেক্সে এজ যুক্ত লুপ গুলোকে মুছে দাও,
দুটো ভার্টেক্সের ভিতরে কম ওজন ব্যতীত
সমস্ত প্যারালাল এজ মুছে দাও।
তৃতীয় কোনো এজ টেবিল গড়ে উঠবে।

সেই এজ টেবিল থেকে এক নতুন ট্রি যেখানে,
মিনিমাম স্প্যানিং ট্রি এজ সংখ্যা
ভার্টেক্সের থেকে এক কম,
এবং এমন কোনো এজ থাকবেনা যা,
নতুন কোনো বর্তনী গঠন করে।
এমনটাই ক্রুস্কাল' এলগরিদম,
হয়েগেল মিনিমাম স্প্যানিং ট্রি।

ভীষণ সোজা এমন মেথড,
অথছ চিন্তাধারা কত উন্নত!!
এমনটাই বুঝি বৈজ্ঞানিক চিন্তা,
শুধু এমন চিন্তাতেই কত উত্সাহ খুঁজে পাই,
নতুন কিছু ভাবতে।

Sunday, 29 November 2015

২৫+ বছর বয়সের মধ্যে দীর্ঘ ২৩ টা বছর ছাত্র হিসেবে কাটিয়ে দিলাম। আজ লেকচারার হয়েও, এখনো ছাত্র হয়েই জীবন কাটাচ্ছি, প্রতিটা মুহুর্তে কিছুনা কিছু শিখে চলেছি। সামনে আরও অনেক শেখা বাকি, আর এত বছরের অভিজ্ঞতা আমাকে বলছে, পুরোটা জীবন আমাকে ছাত্র হয়েই থাকতে হবে, প্রতিটা মুহুর্তে শেখার যে খিদে, নেশা সেটা আমি বেশ উপভোগ করি।


 অনেক ওঠা নামার মধ্যে দিয়ে আমি সময় পার করে এসেছি, সবসময় সাফল্য আসেনি, সাফল্য ধরে রাখতে পারিনি, ব্যর্থ হয়েছি, আবার উঠে দাড়িয়েছি, তবে প্রতিটা মুহুর্তে আমি শিখেছি। ব্যর্থতার শিক্ষা সব থেকে বড় ও খাঁটি হয়। আমি রেজাল্ট যেমনি করিনা কেন, সেটাকে খুব একটা বেশি গুরুত্ব দিইনি কখনো, তবে যেটা শিখেছি পড়াশোনা করে, সেখান থেকে তৃপ্ত হয়েছি। সেই তৃপ্তি আমাকে আরো তাড়িয়ে নিয়ে বেরিয়েছে, আরও জানতে হবে, যেটা পড়ি, সেটা কেন পড়ছি, বা, সেই সব জিনিস গুলো কোথা থেকে এসেছে, এখান থেকে আরও নতুন কি হতে পারে, এইসব প্রশ্ন গুলো সবসময় মাথাতে কাজ করে, আর আমাকে আরও বেশি করে সেই জিনিস গুলো জানার আগ্রহ তৈরি করে দেয়।

 এই মুহুর্তে তোমার মুখ থেকে  ভালবাসার কথা  শুনে  যেন সেই জোর আর উত্সাহ বেড়ে চলেছে আরও বেশি করে।  আমি এই উপলব্ধি ও তোমার ভালবাসা ভীষণ উপভোগ করছি। ধন্যবাদ তোমাকে মন, পাশে থেকো।

Saturday, 28 November 2015

জন্মজাত প্রতিভা তুই, কিইবা লিখি তোকে নিয়ে,
তুই বরং লেখ কিছু, আমরা দেখি, আর বলি, "বাহ.. বাহ.. পিয়াসি।"

তোর স্নেহে মমতার ছোঁয়া, আঁচল ঘেরা ভালবাসা,
ভাই বা বন্ধু যাই হই, সবেতেই তোকে শ্রদ্ধা।

কখনো তোর স্টেজ শো, কখনো শুধুই বাচ্চামি,
শিশুদের সাথে শিশুসুলভ, সবকিছুতেই মুগ্ধতা।

তুইতো আমাদের মাঝে আমাদেরই "পিয়াসি।"

Friday, 27 November 2015

সেটাই শিখর।
সৌম্যজিত দত্ত।

করিমপুর ফিরিয়ে দিয়েছিল,
বিশ্বজয় করে ফিরতে চাই সেই করিমপুরেই,
সেখানেই পরম সুখ, পরম তৃপ্তি।
আপনজনদের কাছ থেকে সম্মান পাওয়া, যতটা পাওয়া,
অপরিচিতদের আত্মীয়তার থেকেও অনেক বেশি সন্তুষ্টি দেয়।

Tuesday, 24 November 2015

অতৃপ্তির গ্রাস।
সৌম্যজিত দত্ত।

অনেক অনেক কিছু ছুঁতে পারেনি মনকে,
মন আমার হাওয়াই ভেসে যায়। 
অনেক জমানো কথা গুলো শুধু জমেই থাকে,
কিছুর তো কমতি নেই,
তবু কিছু একটা নেই। 

যত যা'ই থাক,
কোনো একটা সুখ কখনো আসবেনা আর,
কখনো না।  
শুধু এটুকুই পুরো জীবনকে অপূর্ণ করে রাখবে।
আংশিকতায় বিশ্বাস নেই। আজ সেটাই জীবন হয়ে গেছে।
বুকে কোনো রাগ, ঘৃণা কিছুই নেই, শুধু একটু যন্ত্রনা,
চিনচিন করে খুব সূক্ষ একটা ব্যথা, যেটা বুকের কোনো অংশে নয়,
তবু যেন কোথাও হয়ে যাচ্ছে, যেন কম্পন তরঙ্গের মত কিছু একটা।
আমি সত্যিই আজ ভীষণ অসম্পূর্ণ।

সুখ কিসে?
অর্থে? প্রাচুর্যে? বিলাসিতায়?
সুখ তো আছে ভালবাসায়।
যতই নিজেকে বোঝানোর চেষ্টা করি এটা ওটা দিয়ে,
সুখ যে কোন মাঝে পড়ে আছে, সেটা ঠিকই জানি।
শুধু পেয়েও পাওয়া হলনা।

Monday, 23 November 2015

মন যখন অগ্নি স্নানে।
সৌম্যজিত দত্ত।


মন আগুনে দাউ দাউ করে জ্বলছে,
পুড়ছে, হাহাকার হয়ে যাচ্ছে।
হয়ত ইস্পাত হচ্ছে।

রাত বড় লম্বা,
শেষই হতে চাইছেনা,
শুধু অপেক্ষার বাধ ভেঙ্গে পড়ছে।
বড্ড ভারী এই মন।

সান্তনা!!??  সে বস্তুর কোনো ইঙ্গিত নেই,
সবকিছুই অশান্ত।
হাজার রকম সম্ভাবনায় চিন্তার জট যখন
তালগোল পাকিয়ে ভীষণ ক্লান্ত,
শুধু কিছু প্রশ্নের উত্তর পেলেই যেন
সন্তুষ্ট হতে চাইছে।

আদতে এই মন, কি চাইছে?
না, কোনো সুখতো চাইছেনা,
চাইছে কিছু প্রশ্নের সত্যিকারের কোনো উত্তর,
যা দৃঢ়।  যত কঠিনই হোকনা কেন, ঠিক সয়ে নেবে সে। 
কিছু নেই,
নেই নেই, কোনকিছুই নেই।
মিথ্যে সব, মিথ্যে আশা,
মন ভোলানো স্বপ্ন সেসব।
কিছুইতো নেই
.................
সৌম্যজিত দত্ত।
লড়ব, ভাঙ্গব, গড়ব।  আটকাতে পারলে আটকা।
সৌম্যজিত দত্ত।

লড়ব লড়ব লড়ব,
তোদের ভাঙ্গব, মানব ধর্ম গড়ব,
যেভাবে পারিস আটকা।

আমি খুনি নই, তোদের মত চাপাতিধারী,
বন্দুকধারী নই, কিন্তু কলম ধরতে জানি।
প্রতিটা কলমাঘাতে তোদের মন ছিন্নভিন্ন করে দেবো।
মানবজাতির নবজাগরণে উচ্চারিত মানবমন্ত্রে
তোরা বড্ড বেমানান, অভিযোজিত হওয়ার ক্ষমতা তোদের নেই।
মিলিয়ে যাবি, হারিয়ে যাবি।


আর কতদিন?
সামনে তাকিয়ে দ্যাখ, একটা থেকে দুটো,
সেখান থেকে কত মানুষ তোদের মানুসিকতা ত্যাগ করেছে,
সামনে সময় আসছে, যেদিন মানুষের বুদ্ধি প্রযুক্তিতে গিয়ে থামবে,
তোরা অশিক্ষিতরা বড় বেমানান হয়ে যাবি, ব্রাত্য থেকে যাবি।
শুধু দেখবি মানবজাতি ইনহেরিটেড বাই তসলিমা নাসরিন,
আর তোরা থেকে যাবি সমাজের কুষ্ঠ রোগী হিসেবে।

Sunday, 22 November 2015

পথ কোথায়?
সৌম্যজিত দত্ত।

প্রতিটা সেকেন্ড দুর্বিসহ,
কালসাপের বিষাক্ত ফনা মনকে নীলাভ করে তুলছে,
চলছি শুধু শরীরে।

হাজার রকম চিন্তা ঘিরে মনে,
ক্লান্ত মাথাতেও, মন অবিরাম চিন্তা করে চলেছে।
সমস্ত রকম সাইকোলজির একের পর এক কাটা ছেঁড়া  
বিশ্লেষণ; মন চাইছে যেন সব ভুল হোক,
মস্তিষ্ক বলছে, না, ওই পথে বিষাক্ত মিথ্যা, ছলনা 
দাড়িয়ে আছে, বিষে পুড়িয়ে ছারখার করবে বলে। 


আজ লজ্জাদিবস। কলকাতার রাস্তা ঘাট দেখে বোঝার কোনো উপায় নেই, যে তাদের কোনো লজ্জা আছে বলে।  আর লজ্জা পেয়েই বা কি হবে? আমার মনে পরে সেই দিনটার কথা, আমি কলকাতাতে প্রথম পড়তে আসি, আর পার্ক সার্কাস এ তখন রাবার এর গুলি  ছুড়ছে পুলিশ, জওয়ান রা।  মুসলিম রা বিক্ষোভ করছে, অনেক কারণে, একদিকে অশোক তোদি, প্রিয়াঙ্কা তোদি, রিজওয়ান কেস, সেই সুযোগ নিয়ে তত্কালীন বাম শাসন মুসলিম দের উস্কে দিলেন মেয়েমা "তসলিমা নাসরিন" এর বিরুদ্ধে।  আমি শুধু বর্তমান সরকারের কাছে কিছু আবেদন করতে পারি।


সরকার ও মানবিকতা। আমার ডাক।
সৌম্যজিত দত্ত।



সরকার তোমায় গায়ের রক্ত দিয়েছি,
তিল তিল  করে গড়েছি, তুলেছি,
এত বছরের অপশাসন দূর করেছি,
ভেবেছি হিল্লে হবে সমাজের।


সরকার তোমাকে দেবিতুল্য সম্মান দিই, 
অযৌক্তিকতার মধ্যেও হাজারটা যুক্তি খাড়া করি, তোমায় জেতাতে।
সরকার, তোমার জয় আমারও তো জয়, আমাদের জয়। 



বুঝতাম, সরকার হলো মানুষ, সরকারতন্ত্র মানুষতন্ত্র। 
কিন্তু কোথায় মানুষ? যেখানেই চোখ যায়, সেখানেই দেখি সরকারি দালাল,
মানুষ শরীরে পাইপ ঢুকিয়ে রক্ত টানছে।


নারী জাতিকে ধর্ষণ করছে বিকৃতকারী,
ধর্ষণ কি শুধু শরীরে? শরীর তো দুদিনে সেরে উঠবে,
কিন্তু মানুষিক ভাবে ধর্ষিতা থেকে যাবে তোমার সমাজের আড়ালে।
ধর্ষকের কোনো শাস্তি নেই, ধর্ষণ করেই বেকুসুর খালাস।


সরকার, তুমি ক্লাব গড়ো, মন্দির গড়ো, মসজিদ, চার্চ, স্কুল, কলেজ সব গড়ো,
আদর্শ গড়োনা কেন?
ওসব তো ইট পাথরের বাড়ি,
ওতে জীবন কোথায়?
জীবন গড়ে মানুষ দিয়ে, সততা, ভালবাসা, আদর্শ দিয়ে।



সরকারি চাকরি জানি প্রগতির বাহক,
কিন্তু সরকারে চাকরি কোথায়?
হাজার হাজার মানুষ যদি বেকার ঘোরে,
সরকার মুখ লুকোবে কোথায়?


হিন্দু-মুসলিম ঐক্য গড়ো,
সংখ্যা লঘু ও সংখ্যা গরিষ্ঠ ভোট পকেটে ভরো,
তবে মানুষ গড়োনা কেনো?


মানুষ গড়তে আদর্শ চায়,
সুশিক্ষা চায়, মুক্তমন চায়। 
তবে মুক্তমন কে ছেটে দিলে কেনো?
ধর্ম - বিজ্ঞানের লড়াই তো চিরকালের,
সেই কোপারনিকাস, গ্যালিলিও ও পাদরী থেকে।
ইতিহাস সাক্ষী ঠিক ও ভুলের, যা আজ প্রমানিত।
তবে কেনো ধর্মের গোড়ামি প্রশ্রয় পায় এখনো?
কোন মানবিক আইনে তসলিমা নাসরিন আজও  নির্বাসিত?
কোথায় গেলো ডেমোক্রেসি? কোথায় ফ্রি টকিং রাইট? কোথায় হিউম্যানিটি?
দোহাই দ্যাখাও ডোমেস্টিক ভায়োলেন্স এর, আর তার আড়ালে চলে ভোট ভবিষ্যত।
লুটে যাক  মানবতা, লুটে যাক লেখক, লুটে যাক সত্যের পরিচয়, চেয়ার বাঁচলেই মৌকা মাত। 


তবু আমি তোমায় সাপোর্ট করি, দেবী তুল্যে সম্মান করি,
স্বপ্ন দেখি বাঁচার, মানবিক সমাজের, সত্যের পরিচয়ের।
তবু জানি, তুমি নারী, নারী কষ্ট তুমি বুঝবে।
নারী স্নেহে মানব মন্ত্র দীক্ষা নেবে, বঙ্গ কন্যা তসলিমাকে ফিরিয়ে আনবে।


চলো সরকার, ভালকিছু করি, 
ভালবাসা ও সত্যের মার্গ প্রদর্শন করি। 

Saturday, 21 November 2015

প্রেম শুধুই হাহাকার।
সৌম্যজিত দত্ত।


প্রেম, ভালবাসা ক্ষনিকের বিলাসিতা,
মনের কোনো অস্তিত্ব নেই।
দুটো মিষ্টি মিষ্টি কথা মন ভোলানোর জন্য,
অপর দিকের মানুষটাকে মিথ্যে ভালবাসা
সত্যি করে বুঝিয়ে দিতে পারলেই দিগ্বিজয়ী।

প্রেম আজ প্রতিশ্রুতি পালনে নয়,
বরং প্রতিশ্রুতির ইটে কাঁকর মেশানো মাটি দিয়ে
গড়ে তোলা ইমারত,
যা ভাঙ্গতে মুহূর্ত পর্যন্তও সময় নেয়না।

বোকা তারা, যারা প্রেমে স্বপ্ন গড়ে,
গড়ার সময় বোঝেও না কি সুকৌশলে
ঠকে চলেছে!!

আসলেই কি বোকা তারা?
না, বোকা তো নয়, তারা ভরসা করে বাঁচতে জানে,
কিন্তু নিমেষে সেই ভরসার প্রাচীর ভেঙ্গে টুকরো টুকরো হয়েযায়।

বুঝিনা, কেনই বা এতো প্রেম স্বপ্ন, আর কেনই বা এতো ছল?
প্রেম শুধুই হাহাকার, ক্ষনিকের সুখ,
যা মিলিয়ে যায় রক্ত চোখে।
তুই, বড্ড অভিমানী।
সৌম্যজিত দত্ত।


তুমি এসেছ কবিতায়,
কবিতা দিয়ে তোমাকে সাজিয়েছিলাম,
আজকাল কবিতার বড্ড অভিমান হয়েছে,
কাছে আসতেই চায়না।

কাল কত ধরার চেষ্টা করেছি, 
কাছে টানতে চেয়েছি,
ছুঁতে চেয়েছি, ভালোবেসে ভালবাসায় 
মিশিয়ে দিতে চেয়েছি,
কবিতা মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল আমার থেকে।

আয়না একবার কাছে, তোকে স্পর্শ করি। 
তুই গেলি, ওউ তো কোথায় চলেগেল,
দুজনের কাউকেই তো খুঁজে পাচ্ছিনা আর। 

Friday, 20 November 2015

২০ ই নভেম্বর, দিনটা সবার ক্ষেত্রে অনেক আনন্দের ছিল, বিশেষ করে আমার আত্মীয় স্বজনদের কাছে, আজ তাদের বংশের গৌরব, সৌম্যজিত দত্ত, লেকচারার হয়েগেছে, যেন উত্সভ লেগে গেছে চারিদিকে, কিন্তু আমি, সৌম্যজিত দত্ত, আমি কি সত্যি ভলো আছি? আমি যেন একলা ঘরের মধ্যে নিজেকে আটকে দিয়েছি, আমি শেষ হয়ে যাচ্ছি, নিজেকে অশিক্ষিত, মুর্খ লাগছে। অন্ধ মনে হচ্ছে, আজ এত গ্লামার এর মধ্যে  রাজ করেও যেন আমার কিছুই নেই, আমি কবিতা লিখতে পারছিনা। কোনো কবিতা আসছেনা, আমি এমন জীবন চাইনি কখনও, আমি এত গ্লামার চাইনি। এটা আমার কাছে অন্ধকারের মত লাগছে। কে কাকে লেকচার দেবে? সব অন্ধকার হয়েগেছে। আজ তো আমার মেয়েমাও (তসলিমা নাসরিন) সব কথা না শুনে কড়া করে কথা বলেছে। মেয়েমা, তোমার থেকে আমি লেখা শুরু করেছিলাম, পারলে কষ্ট দিতে? আমার কেন কবিতা আসছেনা? আমার মা, পাপাও আমাকে অত বোঝেনি কখনো, যতটা তুমি বুঝে আমার মন, প্রাণ ঘিরে ছিলে।  আজ তুমি বললে কমেন্ট এ প্রাসঙ্গিক জিনিস গুলো লিখলে ভালো হয়। সরাসরি বলতে পারতে, আমি যেন কবিতা না লিখি। আমাকে বল সাবধানে থাকতে, ভালো থাকতে, মেয়েমা, তোমাকে ছাড়া আমি কখনও ভালো থেকেছি? আর কবিতা ছাড়া, আমি কখনও কিছু ভেবেছি?

Wednesday, 18 November 2015

ও দিদি (মমতা ব্যানার্জি), মজার প্রশ্ন।
সৌম্যজিত দত্ত।

নুতন সুচনা,
আমার দেবিদিদির নতুন ঘোষণা,
সরকারি চাকরির আট-দশ হাজার,
ব্যবসায় অনেক গতি।

দিদি, সরকারি চাকরি তো সরকারি সম্মান দেয়,
ব্যবসা অর্থ দেয়,
কিন্তু সরকরি চাকরি না হলে,
সরকার বাঁচবে কোথায়?
সরকার মানে তো দেশ,
দেশ মানে মানুষ,
তবে মানুষের অগ্রগতি কোথায়?

কি দিদি?
তুমি নিজের আদর্শ ভুলে গেলে?
আমি তো আমার প্রথম ভোট থেকে তোমায় মানুষ করছি,
তোমাকে ভোট দিয়ে পুষ্টি বাড়ায়,
দিদি, অগ্রগতি গেল কোথায়?
প:ব: লন্ডন হোলো কোথায়?
নারীর সম্মান।
সৌম্যজিত দত্ত।

নারী তো মানুষ, নারী তুমি দেবী।
নারী আমি পূজারী।
সমাজ যখন তোমাকে অসম্মান করে,
সমাজ যখন তোমাকে ধর্ষণ করে,
সমাজ যখন তোমাকে ধিক্কার দেয়, লাঞ্চনা, অপমান সব 
দেয়, তখনও আমি তোমাকে সম্মান করি। 


সমাজ যখন তোমাকে দেবিতুল্যে সম্মান করে,
নারী, আমি তখনও তোমাকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি,
ভালবাসি। নারী, আমি কখনও তোমাকে কোনো কটুক্তি করিনা। 


তবে কেন আমাকে তুমি অসম্মান করো?
কেন আমার দেওয়া সম্মানকে তুমি সন্দেহ করো?
আমি পুরুষ বলে? সেতো অনেকেই পুরুষ আছে সমাজে,
অনেকরকম পুরুষ আছে, ভালো খারাপ সবাই আছে,
অসম্মান  করলে খারাপকে করো, দোষ বিচার করে করো। 
শুধু শুধু যারা নিস্পাপ, তাদের কেন অসম্মান করো?


হয়ত তোমার বোঝার ক্ষমতা নেই,
হয়ত তোমার চোখ কালো কাপড়ে ঢাকা,
হয়ত কেন, তাইই হবে নিশ্চয়।


তোমার  জ্ঞান চোখ বন্ধ, আমারতো নয়,
তাই, যত অসম্মানি কর না কেন,
আমি তোমাকে সম্মান ঠিকই করবো।
নইলে যে আমার আদর্শ হারিয়ে যাবে।

আজ আমারি লেখা একটা কবিতা খুব কানে ভাসছে।



 নারী,
 তোর শেকল বাঁধা পায়ের ধ্বনি কানে ভাসে,
 নারী তোর বুকে ওরা লাঙ্গল দিয়ে বাচ্চা চষে।
 নারী তোর গায়ে ওরা বোরখা চাপায়,
 নারী তোর শরীর আছে তবু মন নাই।

 চল নারী তোকে নিয়ে আমি লড়াই গড়ি,
 আয়, তোর খাঁচা খুলে তোকে মুক্ত করি।

 চল ভাঙি পুরুষ জাতের পুরুষ তন্ত্র,
 আমারও তো মা আছে, তোদের মতোই মেয়ে যন্ত্র।

 চল নারী তবে লড়াই করি তাদের সাথে,
 ভালবাসার ছলে যারা শরীর মন ছিন্ন করে।

নারী তুই আসবি তো, থাকবি তো, এই লড়াইয়ে?
আমি তোদের সাহস দেবো, স্বপ্ন দেবো,
জীবন দিয়ে। 
নিজেকে ফিরে পেলাম।
সৌম্যজিত দত্ত।

বাঁচতে পরনির্ভর হয়ে চলছিলাম,
ভালবাসা, ভালবাসা, ভালবাসা। উফ!!
বাঁচতে ভালবাসার কি দরকার?
আমি নিজেইতো বাঁচার উত্স।
সবই তো আছে, লিখতে জানি, পড়তে জানি,
স্টুডেন্ট হিসেবেও নেহাত খারাপ নই,
তবে বাঁচতে অন্যকাউকে ভালবাসার কি প্রয়োজন?

Tuesday, 17 November 2015

সবাই তো আমাদেরই।
সৌম্যজিত দত্ত।

ওরা নাকি তালিবান,
ওরা শিশু থেকে বিশু গড়ে,
বিশু, মানে জঙ্গি।
কিন্তু কেন?

ওদেরও তো অনেক চাওয়া পাওয়া আছে।
জানি, ওদের রাস্তা ভুল,
কিন্তু আমরা কেন ভুল হব?
আমি কেন ভুল হব?
ওরাও তো সন্তান।

মেয়েমা(তসলিমা নাসরিন), আজ প্রথম আমি তোমার
চিন্তার বিরুদ্ধে লিখছি,
ওরা যদি ওদের পথে ভুল হয়,
তবে আমরাও ভুল।

চলো মানুষকে বোঝাই,
আপন করে বোঝাই।
হয়ত কিছু তালিবানও
বুঝবে।

Monday, 16 November 2015

এক আকাশের নিচে।
সৌম্যজিত দত্ত।

রাস্তার কোলাহল, ভিড়,
মাছবাজারে মাছের দাম কষাকষি চলছে।
চিংড়ি গুলো বেশ বড়, দামটাও নেহাত মন্দ নয়।
ইলিশ, পাবদাও কিছু কম যায়না।
চারপিস ইলিশ গাদা, চারপিস চিংড়ি,
চারপিস পাবদা।  অনায়াসে তিনজনের সংসারে
দুটোদিন ভালোভাবেই কেটে যাবে।
এতো মধ্যবিত্তের চিন্তা।
 
       

                 *************

আজ চাল বাড়ন্ত। ঘরে ডাল, সব্জি কিছু নায়।
নায় তো নায়, কিনতি হবি।
এবছর ভালো ফসল দেয় নায়,
আকাল, মাটিতে বড় বড় ফাটুল।
ঘরে যা ফসল ছিল, সবই তো শ্যাষ হতে চলল।
পুলাডারে একখান জামা কিনি দিতি হবি,
পুলাডা দুমাস বায়না ধরছে।
মায়াডারে একখান মুটা কাপুড় দিতি হবি,
আঁচলের কাছথিকা একহাত ছিরা।
ও বাড়ির অভিকের শালাটা
তক্কে তক্কে থাকে, হলুদ চোখ দুখান দিই
বিষ ঢালে মায়াডার দিকে।
মা মরা মায়াডারেও তো পড়ের ঘর দিতি হবিন,
বাড়তে বাড়তে তো ডাগর হইছে।
এদিকে চিন্তা এখুন ঘরে চাল, ডাল, তরকারি।

হ্যা, এটা সেই চাষীদের চিন্তা,
যারা ট্রাক্টরে নয়, লাঙ্গল দিয়ে চাষ বোনে।


                           **************

মা, আজ আমার দশহাজার চাই,
বন্ধুদের বলা আছে, ওরা একটা ভালো পাবে যেতেচায়,
আমাকেই বীয়ার করতে হবে সবটা।
মা তরিঘরি, "ওগো, শুনছ, বাপিনের টেবিলে বারোহাজার রেখো,
বাপিন আজ বন্ধুদের নিয়ে বাইরে যাবে।"
সামনে পূজো, শপিং করতে হবেতো,
বাজেট খুব বেশি নয়, কি হবে? আলমারি ভরতি জামা, কাপড়।
বাপিনের জন্য তিনটে পিটার ইংল্যান্ড শুট প্যান্ট, চারটে ফর্মাল শার্ট,
আমার জন্য দুটো বালুচুরি, একটা ঢাকায় জামদানি,
আর তোমার জন্য তিনটে পাঞ্জাবি। এবার কিন্তু দাম চড়া।
একটা পঞ্চাশ হাজারের চেক সিগনেচার করে রেখো।

এমন লাইফস্টাইলও এই সমাজে দেখতে পাই।
সমাজ আজ মানুষের অধিকারে নয়, ক্যাটেগরী বিভাগেই
বেশি মত্ত। এতো শুধু বাহ্যিক কিছু দৃশ্য।

সারাদিনের এত কষ্ট, সব জল হয়েগেল,
শুধু তোমার একটু সাথ পেয়েই।
আমি জানি, ভালবাসা হলো সেই শক্তি
যা সব কঠিন প্রাচীর কেও ভেদ করতে পারে।

সৌম্যজিত দত্ত।
সব অন্ধকার,
অন্ধকার ছাড়া আর কিছু নেই।
আমি জ্বলে পুড়ে ছারখার।
ভালবাসার অভিশাপ,
ভালবাসা এতো সোজা নয়।


সৌম্যজিত দত্ত।
সব অন্ধকার,
অন্ধকার ছাড়া আর কিছু নেই।
আমি জ্বলে পুরে ছারখার।
ভালবাসার অভিশাপ,
ভালবাসা এতো সোজা নয়।
আমি ছিলাম, আমি নেই। তুমি থেকেও নেই। 
সৌম্যজিত দত্ত।

তুমি ধারাবাহিক,
বয়ে যাও সবসময়, নিজেরই ছন্দে।
কষ্ট শুধু আমারই হয়,
আমিই শুধু আগুনে পুড়ে ছারখার হই।

ভালোই তো ছিলাম,
সব উল্টে পাল্টে গেল।

একদিকে তুমি আমার অভ্যাস,
বদ অভ্যাসও।
অন্যদিকে তোমার চোখ
দংশন করছে।

জানি, তুমি আছ,
জানি, তুমি থেকেও নেই।
কোথাও নেই।
থাকলে শান্ত বলে ডাকতে একবার,
শুধু একটাবার।
মন পুড়ছে।
সৌম্যজিত দত্ত।

না না না, পারছিনা তো আর,
একটাবার চেয়ে দ্যাখো কেমন
অসহায় দ্যাখাচ্ছে আমাই,
যেন শরীরের ওপর দিয়ে একটা
রোড রোলার চলে যাচ্ছে।
নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসছে।

লড়ে যাচ্ছি প্রতিটা মুহূর্ত,
লড়াই চলছে মন ও চিন্তার।
মাঝখানে পিষে যাচ্ছি আমি।
মন শুধু "মন"টাকেই পেতে চাইছে,
চিন্তা তো শুধু দুশ্চিন্তার।

দুশ্চিন্তাগুলো একদিকে তাড়া করে বেড়াচ্ছে,
ভালবাসার আগুন জ্বালিয়ে মারছে,
একফোটা বৃষ্টি সেই আগুনকে নিমেষে নিভিয়ে দিতে পারে,
কিন্তু কোথায় বৃষ্টি? সবই তো রোদ মাখা দুপুর।
মৃত্যুর যন্ত্রনাও বোধহয় অনেক সোজা।
অপেক্ষা, শুধুই আগুন।
সৌম্যজিত দত্ত।

প্রতিটা মুহূর্ত যেন আগুনের গোলা,
জ্বলছি, পুড়ছি, ছাই হয়ে যাচ্ছি,
তবু নেই কোনো প্রতিকার।

নীল শাড়িতে খুব মানিয়েছে তোমায়,
হোকনা সে অন্যের দেখা,
ভিড়ের পেছন থেকে আমিও তো দেখতে পেলাম,
ভরসা শুধু একটাই, সেখানে তুমি ছিলে,
আমার কাছে শুধু তোমার দেওয়া কথাটাই আছে।
তবু তো আছে।

নিরন্তর অপেক্ষা করে যাচ্ছি,
প্রতিটা সেকেন্ড বুকে ডামাডোল বাজিয়ে চলেছে,
শান্ত করার কোনো উপায় নেই।
"মন"টায় তো নেই।

চারিদিকে বারবার চেয়ে দেখছি
কোথাও কোনো লেখা ভেসে আসছে কিনা,
না, আসছেনা। তবু অপেক্ষা ছাড়তে
মন চাইছেনা।

বুকের ভিতর সব উথাল পাতাল হয়ে যাচ্ছে,
যেন বিশাল কোনো ঢেউ সব ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে,
শুধু ভেসে আসছেনা তোমার কোনো লেখা।


শুধু একটাবার।
সৌম্যজিত দত্ত।

একটাবার শুধু এক মিনিট
আমি তোমার লেখা চাই,
যেদিক খুশি যেখানে খুশি
আমি হারিয়ে যেতে চাই।

সে যে কোন ছিল রাত
আর নিশির ডাক আমার
কানে বেজে যাই,
অল্প খানি, শুধু একটুখানি
আদর  ঢেলে দাও।
আমি ফিরবোনা, কখনো ফিরবোনা
তোমায় কথা দিলাম আজ।
শুধু একটুখানি আদর ঢেলে দাও।

সারাটা দুপুর কাজের ফাঁকে
নিজেকে মানিয়েছি অনেক,
বইয়ের পাতার গন্ধ গুলো
ছুঁয়ে যায়নি মনে।
"বেলাশেষে" ছবিটায় হারিয়েগেল প্রাণ,
 শুধু একটাবারের অপেক্ষা।

একটাবার, শুধু একটা মিনিট
আমাই উপহার দিয়ে যাও।  

Sunday, 15 November 2015

এলোমেলো। কোনো উত্তর নেই।
সৌম্যজিত দত্ত।


এলোমেলো মন,
এলোমেলো মাথার চিন্তাগুলো নাড়িয়ে দিচ্ছে মনে।
কি ঠিক কি ভুল সবকিছুই যেন ভুল।
কত কি চিন্তা ঘুরছে মনে,
রাতভর সবার ঝগড়া, বগ্বিতন্ডা দেখেছি,
শুধু বুঝলামনা আমার শাস্তি টুকু কেন?
আমি তো দোষ করিনি, বা হয়ত করেছি,
সেটা কি এমন গুরুতর যে দূর করে দিতে হয়?


আমিও চলে যাবো সুদূর সমুদ্র পার করে
একাকী, হারিয়ে যাবো নিজেই,
কেউ পাবেনা খুঁজে।
শুধু ভালোবেসেছি তোমায়।
সৌম্যজিত দত্ত।

ওরা কাল দেখতে আসবে তোমাকে।
কাল সোমবার, ওরা দেখবে তোমাকে।
তুমি কেমন হাঁটো সেটা দেখবে,
ওরা তোমাকে দেখবে,
তোমার বুকের সাইজও দেখবে।

সবাই দেখবে তোমাকে,
তুমি কি রান্না পারো, সেটা দেখবে।
ছেলেটা দেখবে তোমাকে কিভাবে শুষে খাবে।


ওই বুকের সাইজ, তোমার কথা,
তোমার পেট চওড়া না চিকোণ সেটাও দেখবে।
মনে মনে ভাববে, রাতের অন্ধকারে
তোমাকে কিভাবে লুটেপুটে খাবে।
ওরা সব দেখবে।

আমি তো এত কিছু দেখতে চাইনি,
আমি দেখেছি, শুধু তুমি কেমন ভালোবাসো আমাই,
কতটা ভালোবাসো, সেটা দেখেছি।
আমি তো কোনো পন চাইনি।
আমি দেখিনি, তুমি একসাথে কত বাচ্চা জন্ম  দিতে পারবে,
আমি শুধু ভালোবেসেছি তোমায়।

শুধুই ভালোবেসেছি।
যৌনতা।
সৌম্যজিত দত্ত।


যৌনতা, তোমার জাগে, আমারও জাগে,
যৌনতার তীব্রতা আমারও আছে।
শরীর চাই, সব উষ্ণতাকে একসাথে মিলিয়ে নিতে,
যৌনতা তৃপ্তি ঘটাতে।
মন চাই যেন না করি, বা করি,
তবে যৌনতায় শরীর ও মন এক বলে।
ধর্ষণে রাম, সিতা রাবন লঙ্কায় হাসে।

তবে শরীর ও মন কি?
শরীর তো চায় গ্রাস করতে,
মন যদি বলে, এটা আমার বোন,
যৌনতা কি পারে জিততে?


যৌনতা পারস্পরিক,
যৌনতা স্বাধীন।
আমি স্বাধীন ভাবে লিঙ্গগ্রাস করতেই পারি,
যদি সে হয় সামিল।

না হলে ধর্ষণ ই নাম,
ধর্ষণ ই কাম। 

Thursday, 12 November 2015

ইস্পাত কঙ্কাল।
সৌম্যজিৎ।

কষ্টগুলো সব  ঘনীভূত হচ্ছে মন প্রাচীরে,
কালো ছায়ার পরিধি।
হাড়গুলোকে পিটিয়ে কামারশালার চুল্লিতে পোড়ানো হচ্ছে,
ইস্পাত হবে বলে। 

ভালোবাসা এক ইস্পাত চুল্লি, - 
মন পুড়ে ছারখার হয়েযায় সেই চুল্লিতে,
পড়ে থাকে মাংসবিহীন কঙ্কাল।
শুধুই ছল।
সৌম্যজিত দত্ত।

মিথ্যে মিথ্যে মিথ্যে, সব মিথ্যে।
ভালবাসা শুধু যন্ত্রণার নির্যাস,
কুরে কুরে খায় মন।
অপেক্ষা, শুধু অপেক্ষাতেই
মরে বেঁচে থাকে জীবন।


কত কথা, কত মিষ্টতা ওই চোখে,
যখন শুনি, স্বর্গ অনুভব করি।
সেসব শুধুই ছল।
চোখ নদীতে জল,
অকারণে করে টলমল।



অপেক্ষা।
সৌম্যজিত দত্ত।


ধ্যাত!!! তুই কি আমাই পড়তে দিবিনা?
সকাল থেকে কত চেষ্টা করে যাচ্ছি,
তুই খেলছিস লুকোচুরি  খেলা। 
আমি তো পড়তে চাই,
কত যে পরীক্ষা আমার সামনে!!

কখন থেকে মনে উঁকি মেরে যাচ্ছিস,
তোর চিন্তা, অপেক্ষা আমাকে পাগল করে দিচ্ছে।
তবু কি তুই শুনছিস, শুনতে পাচ্ছিস মন?

একটু একটু করে সব সময় বয়ে যাচ্ছে,
হাতে গোনা বাকি, কিছু সময়,
একটু পড়তে  দে আমাই।


আয়, একটু সামনে আয়,
কাছে এসে বোস একটুখানি।
প্রাণ ভরে দেখে নিই তোকে।
আয় না, একটু ছুঁয়ে দে আমাই,
আমি যে ছটপট করছি তোর জন্য,
কাছে এসে একটাবার বলে যা,
"ভালবাসি তোমায়।"
একটাবার কাছে আয় মন। 
 

প্রেম মানে আমার "মন"
সৌম্যজিত দত্ত।

প্রেম মানে আমার খেয়াল,
তুই খেয়াল পরি।
প্রেম মানে সকাল বেলার ঝিমুন চোখেও তোর কথা ভাবি।

প্রেম মানে তুই "মন",
আমার অনান্দবেলার সাথি,
তোকে নিয়ে অথৈ জলে ডুব সাঁতার কাটি।

প্রেম মানে তোকে কাজের ফাঁকে
বারবার ভাসা ভাসা দেখি,
মুচকি হাসি দিয়েই পালাস তুই,
কাজে পড়েযায় ফাঁকি।

প্রেম শুধু আনন্দ নয়, প্রেম মানে কষ্টও,
তোকে মিস করে যখন খুঁজে পাচ্ছিনা,
চোখ দিয়ে টসটস করে বারিধারা বয়ছে যে,
সে খেয়াল কখনো করিস?
সেই কোন বেলায় তোর মুখটা দেখিয়েছিস,
এখনতো আবার খিদে পেয়ে গেছে।

প্রেম মানে তুই "মন",
আমিতো শুধু তোকেই খুঁজি।

Wednesday, 11 November 2015

আমার "মেয়েমা " (তসলিমা নাসরিন) সহ মোট ৩৪ জন কে ওরা টার্গেট করেছে।  ৩৪ জন টার্গেট দের মধ্যে কেউ লেখক, কেউ শিক্ষক, কেউ বুদ্ধিজীবি বা কেউ সাংবাদিক। আমি আমার সমস্ত মুক্তমনা ভাই বোনদের আহ্বান করছি, তোমরা সংগঠিত হও। এই অন্যায়, এই পাপ কে আটকাতে হবে, ওদের আটকাতেই হবে।  আমি আমার মেয়েমার কাছে একটা অনুরোধ করছি, আমাকে এই সূযোগ টা দাও মেয়েমা। নিচের লিঙ্কে সমস্ত বিবরণ দেওয়া আছে।  

Tuesday, 10 November 2015


পড়, নইলে মর। 
সৌম্যজিত দত্ত।



একটু একটু করে সময় কেটে যায়,
কেটে যায় একটা করে দিন। 
প্রতিটা মুহুর্তে চলে শুধু মানুসিক প্রস্তুতি,
সামনে পরীক্ষা কেমন দেবো,
কী কী পড়ব, কিভাবে সাজাব সবকিছু , এসবই ঘোরে মাথাতে।
যদিও সেসবই কল্পনা প্রসূত,
বাস্তবে তার কখনো মিল থাকেনা।
প্রিপারেসান শুধু কল্পনাতেই।


না, এবার পড়তেই হবে, 
কাল সকাল থেকে পড়ব, অনেক পড়ব, সব পড়ব,
পড়ে পড়ে সব শেষ করে ফেলবো।
পরীক্ষায় একটা প্রশ্নও বাদ দেবোনা, সব লিখব, ফার্স্ট হবো,
হাহা, এসবই ঘোরে বৈকি।
যদিও এমন চিন্তা পরীক্ষার পনেরো দিন আগেই মুছে যায়। 
তখন আবার সিলেকসান প্রসেস।
এই চ্যাপ্টার টা ভালো করে পড়ব, এই চ্যাপ্টার টা সেমি টার্গেট।
পরীক্ষার একসপ্তাহ আগেও যখন কিছুই হয়না, তখন ভরসা মডেল প্রশ্ন।
কোনোরকমে উতরতে। 


আমার অবস্থা আবার বেজাই খারাপ। 
সামনে রিসার্চ লেভেল এর পরীক্ষা, নেট পরীক্ষা,
অথছ দুটোদিন আগেও বেশ পড়েছি, লিখেছি, আর শুধু ভেবেছি
একটা কষ্ট তাড়া করে বেড়ায় আমাকে, সেটা মিটে গেলে বুঝি
আরও ভালো করে পড়ব। 
যেমন চিন্তা, তেমন ফল।  সমস্যা তো মিটলোয়, 
তার সাথে এমন এক সুন্দরী পরীকে সাথে জুড়ে নিলাম,
এখন প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছি।
পড়াশোনা পুরো লাটে।


না, না, না, এভাবে নয়, পড়তে তো হবেই।
শুধু সুন্দরী পরীটার সাথে প্রেম করলেই তো চলবেনা,
পড়তেও হবে।  নইলে আবার পরীটা পালিয়ে যাবে।
শুধু তুমি।
সৌম্যজিত দত্ত।

এ কেমন ভালবাসা? তুমি কি সত্যি?
তুমি কি ছায়া?
ছায়ার মতো পিছু করে বেড়াচ্ছো যে...

ক্লাস, পড়াশোনা সব গেছে ছুটে,
শুধু  ছবি থেকে তুমি বেরিয়ে এসে  আমার চোখে, মুখে ছুঁয়ে যাচ্ছো।
আমার মাথায় হাত বোলাচ্ছো, আমাকে জড়িয়ে ধরছো, ঠোঁটে ঠোঁট রেখে চুমু খাচ্ছো।
আমি শুধু তোমার স্পর্শ  অনুভব করছি।
মাতাল করে দিয়েছ আমাই।

আজ আর কোনো প্রতিবাদি লেখা খুঁজে পাচ্ছিনা,
চারিদিকটা শুধু তুমিতেই ভরে আছো,
বইএর পাতাতে যেন আজ কোনো লেখা নেই,
শুধু আছে তোমার ছবি, শুধু আছো তুমি,
উকি মেরে দেখছো,
চুপি চুপি কথা বলছো। 

যে ভালবাসার অনুভুতি আমাকে দিলে,
তার সম্মান আমি রাখব,
কথা দিলাম।

Monday, 9 November 2015

     মুক্তির অনুভুতি।
              নাম টা থাক।

একি সত্যি প্রেম?
না, নিছকই কোনো ছল ?
ভরসা করে হাত বাড়িয়ে দিলাম,
সামলে রেখো।
অপেক্ষা কোরো।
ভরসা রেখো, তোমাকে হারিয়ে যেতে দেবনা,
শুধু আমাকেও একটু ভরসা দিও, আমার হয়ে থেকে।
থাকবেতো?

এ যাবৎ কাল, প্রেমেতো অনেকই পড়লাম,
কেউ সাহস করে ধরে রাখতে চায়নি কখনো,
ভালবাসতে চেয়েছি অনেক, ভালবাসা পেতেও চেয়েছি,
সব নিস্ফল। কেউ সাথ দেয়নি।
তুমিই সাহস করে এগিয়ে এলে।
কি? থাকবেতো?

Saturday, 7 November 2015

        আবেগ, বিষাক্ত নির্যাস।
                 সৌম্যজিত দত্ত।



তিলেতিলে দংশনে আবেগ আজ বিষাক্ত নির্যাস,
যেন গরলের স্রোত বয়ছে মনে,
হুহু করে কেঁদে উঠতে চাইছে প্রাণ।
আমিতো বলিনি আসতে তোকে,
দুদিনের লোভ দেখিয়ে তুই কি পেলি?
শেষ যখন ছিল, শেষ হয়েই থাকত তবে
কেন জাগালি পুরনো স্বপ্ন?
কেন আসলি?


দমকা হাওয়াতে সব তছনছ,
কাঁচের টুকরো গুলো মেঝেতে আমার
মনের প্রতিবিম্ব তৈরি করছে।
কি বিশ্রী রকম লাগছে সেই প্রতিবিম্ব,
যেন রক্তে লাল হয়ে আছে চোখদুটো।


কত বছর আর বছরের পর বছর ধরে
তুই, শুধু শাস্তি দিয়েই যাচ্ছিস, আর মজা দেখছিস।
আমিতো শাস্তি চেয়েছিলাম, শুধু বলেছিলাম,
"দূরে যাসনা, চলে যাসনা।
বাকি কাছে থেকে যা খুশি কর।"
শুনিসনি, দূরে গেলি, গেলি তো গেলি তবে
কেন আবার ফিরে এলি?


তুই জানতিস, তুই থাকবিনা,
শুধু কষ্ট দিতে ...
আবারও নতুন করে ভাঙ্গা কাঁচ গুলোকে গুড়ো করে দিতে ...
তোর মনটাই শুধু মন,
তোর কষ্টই শুধু কষ্ট।
ইচ্ছেমতো তোর মন খারাপ হয়,
ইচ্ছেমতো আমার সাথে খেলিস,
ইচ্ছে ফুরোলেই বলিস,
"সুযোগ নিচ্ছিস।"

আমি তো কখনো দূরে করে রাখিনি নিজেকে।
তুই ছিলিস, আজও আছিস।
সৌম্যজিত দত্ত।


সেই তুই হারিয়েগেলি রূপকথার দেশে।
হাসতে চায়লে হাসিস, উড়তে চায়লে
ইচ্ছের দেশে ডানা মেলে উড়িস।
যেমন মন, তেমন থাকিস,
আজ কত সুখী তুই!!



আমি পড়ে আছি ঠিক তেমনি
একটা ঘরে একাকী,
সামনে বই, খাতা, বোর্ড, পেন্সিল ছিটিয়ে।


তোর অপেক্ষা?
হ্যা, করিতো। তুই যেমন রূপকথার দেশে
নিজের ইচ্ছের রানী, আমিও আমার ইচ্ছে মনের দেশে,
যেমন ইচ্ছা ঘুরি, নিজের মতো করে তোর অপেক্ষা করি,
আবার কখনো তোর সাথে অবাধে ঘুরেবেড়ায়।
ক্রিতেশ্বেরী, পাতালেশ্বর, কাটিগঙ্গা, পাগলাচন্ডি
কত ঘুরে বেড়াই!!


এর পরেও কেন বলিস
আমি ভালোবাসিনি?
সব ভালবাসা কি আর একরকম হয়?
কিছু তো উপলব্ধিও করতে হয়।


জানিস, আজও তোর শরীরের গন্ধ আমি
অনুভব করি, তোর শরীরের প্রতিটা স্পর্শ,
উফ!! সে যে কত উষ্ণতা দিত আমার হাতে,
আমি চোখ বন্ধ করেও তোকে চিনেনিতাম।


আজ কতদিন হয়েগেল, তোকে ছুঁতে পারিনি,
তবুও আজ একইরকম ভাবে তোকে উপলব্ধি করতে পারি।
আজও যখন পাগলের মতো তোর কথা মনেপড়ে,
তুই অদৃষ্টের কোনো এক খেলার মতো আমাকে মেসেজ করিস,
এটুকুই তো বেঁচে আছে আজও আমাদের মধ্যে।


ভুল ঠিক অনেক করেছি, সেসব হিসেব আমার মাথাতে ঢুকবেনা,
শুধু ভুল ঠিক টুকু বোঝার পর, দেখলাম, তুই নেই।
নিজেকে অনেক দুরে সরিয়ে নিয়েছিস।
প্রতিটা দিনের হিসেব আমি দিতে পারবোনা,
কখনো জানতে চায়লে, চোখ দুটো বন্ধ করে দেখিস,
দেখতে পাবি ঠিক। 

Friday, 6 November 2015

  ভাগাভাগি হোক এ সংসার।
    সৌম্যজিত দত্ত।

চিরিক চিরিক গতিতে রক্ত প্রবাহমান,
শিরা উপশিরা দিয়ে বয়ছে শরীরে।
মাথা ঘামছে বিন্দু বিন্দু ঘামে,
চোখে মুখে যেন গরম স্রোত।

সংসার দ্বিখন্ডিত ধার্মিক অধার্মিকে,
সংসার পিতার মন ভেঙ্গে চুরমার।
তার করুন অবস্থা
নরক যন্ত্রনায় জর্জরিত,
তবে ভাগাভাগিটাই বা বাদ যায় কেন?

একদিকে থাকুক মানুষ ধর্ম নিয়ে,
একদিকে থাকুক নাস্তিক দল,
কেউ কাউকে দেবেনা বাধা,
দুদিকেই থাকুক দুদিকের মুক্ত চিন্তক।

তবু বন্ধ কর এই ধ্বংসলীলা ,
বন্ধ কর এই হানাহানি,
মানুষ হয়ে বাঁচতে চাই,
পশুত্বের রূপ দেখিয়ে দিওনা লজ্জা।

কথারা।
সৌম্যজিত দত্ত।


কথা গুলো শুধু কথা হয়েই থেকে যায়,
যুক্তি তর্কের ভিড়ে, বাইরে বেরোনোর কোনো পথ পায়না।
হিসেব কষে বেরোতে সে শেখেনি,
শিখেছে শুধু স্নেহ পেতে,
সেটাও কখনো মুখ ফুটে বলেনি।
আসলে কেউ তো বোঝেইনি।

Thursday, 5 November 2015


ধর্ম - অধর্মের পাল্টে যাওয়া রূপ ও আমি।
              সৌম্যজিত দত্ত।


পৃথিবী জুড়ে আজ হিংস্রতা, আঘাত হানছে বুকে,
আর কত দেখব লড়াই, এই রণক্ষেত্রে।
ভালবাসতে চেয়েছিলাম বিশ্বসংসারকে,
তারাই আজ আমাকে নামিয়ে আনলো এই রণযুদ্ধে।
ধর্ম অধর্মের মানেটাই আজ পাল্টে গেছে।


একদল ভাবে, তারা ধার্মিক, ধর্মের দোহাই দেয়,
অথছ করেচলে অধর্ম।


একদল ভাবে, তারা অধার্মিক। নাস্তিকতায় তাদের জীবন।
অথছ তারা নিজেরা বোঝেনা, যে নীতি তারা অবলম্বন করে,
সেটাই আসল ধর্মনীতি।


আর এই পাল্টে যাওয়া ধর্ম - অধর্মের টানাপোড়েনে ঝুলে আছি আমি।
আমার কাছে ধর্ম তো সেই মানবিকতাতে, সেই ভালবাসাতে,
কর্তব্যে।
অথছ নিজচিন্তায় নিজেকে নাস্তিক, অধার্মিক ভাবা মানুষগুলো গুলো আমাকেও অধার্মিক বলে,
নাস্তিক ভেবে ভালবাসে। যতই হোক, এই ভালোবাসাতেও তারা ধর্ম পালন করে।
আবার ধর্মের দোহাই দিয়ে নিজেদের আস্তিক বলা মানুষ গুলো আমাকে অধার্মিক বলে,
নাস্তিক ভেবে গালাগালি দেয়। আমাকে মারতেও চায়।


আমি কি সত্যি নাস্তিক?
আমার মনে প্রাণে ধর্ম বিরাজমান।
মানবধর্ম।
তবে আমার নাস্তিকতার প্রমাণ দাও।


আমার ধর্ম বলে, যারা নিপীড়িত,
অসহায়, তাদের রক্ষা করো।
অত্যাচারীদের ধ্বংস করো।
সে যতই ধর্মের চাদর নিজ গায়ে জড়িয়ে রাখুক না কেন।
আপাদমস্তক তাদের রক্তে অধার্মিকতা মিশে আছে।


সাবধান হও সেই ধর্ম চাদরে ঢেকে থাকা অধার্মিক গুলো,
সময়ের ঝাকুনিতে তোমরা তলিয়ে যাবে।

Wednesday, 4 November 2015


               কলম রে জ্ঞান দিওনা।
                      সৌম্যজিত দত্ত।


মুরা কুনু জাতি না,               মুরা ছাত্রদল।
       
               কলম ডগা হাতে লইয়্যা,

লড়ব এখুন চল,                   মুরা ছাত্রদল।

দ্যাশ গড়ুম, দ্যাশের মাটি লইয়্যা গড়াগড়ি খামু,
এমুন সাধ মিথ্যি,
আদর্শকে লাথি মাইরা চল,
তোরে বানামু দ্যাশের মন্ত্রী, সত্যি।

দ্যাশ চলে কুলাঙ্গারে,
মন্ত্রীরা খুলে ব্যাঙ্ক,
আওয়ামী - বি.এন.পি  লড়িচলে
ভুটাভুটির ভ্যান।


বি.এন.পি জামায়েত লাগায় লুগা
আল্লাহ ক্ষুদার নামে,
মানুষ ভাবে
যাক, আমরা আছি আল্লাহর দলে।


আওয়ামী ভাবে,
আমাদেরও করতি কিছু হবে,
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান আছে,
মুসুলমানও লাগবে।
উয়ারা নামালো উলামি লীগরে।

হইগেলো  চুরের উপর বাটফারী।
দ্যাশ থাকবে কুথায়?
ওরে বাংলা প্রেমী মানুষজন,
এবার তুমরা বুঝো,
দ্যাশ, সমাজ, জাতীয়তাবাদরে
একটু সমীহ কর।
কলমধারীকে জ্ঞান দিতে আইসনা,
"এমুনটা না লিখলেই না?"
ন্যাতা মন্ত্রীরা সুবিধাভোগি,
তুমরাও কিছু কম যাওনা।

খাতি পরতি পেলে ভাবো,
থাক, দ্যাশ তো মন্ত্রী চালাবে,
আমি চালাবো আমারে।
তাইলে,
কথাই কথাই দ্যাশ, ধর্ম আনো ক্যান?
তোরা নপুংসক জ্যম্বী। 
সৌম্যজিত দত্ত।
          

লেখক তুমি লেখো,
মুছে ফেলোনা লেখা।
যুক্তি, বিজ্ঞান যত আছে সব লেখো,
আমরা মিটিয়ে দেবো ধর্মান্ধতা।
ভেঙ্গে চুরমার করে দেবো ধর্মের কারাগার।

ওই মুর্খ হার্মাদ, রাজনীতি দালাল,
স্কুলের মুখ দ্যাখেনি কখনো,
বাপ-ঠাকুরদার নাম আছে কিনা, 
সেটাতেও আমার সন্দেহ।

তোরা মুর্খ জাতি, ভন্ড জাতি,
গায়ে হিন্দু মুসলিম গোড়ামির ট্যাগ লাগিয়ে ঘুরিস।
তোদের নেই কোনো মনুষত্ব।

জন্ম থেকে অসভ্যতামী তোদের রক্তে লেগে,
জাতির নামে জাতকে কলঙ্কিত করিস।
রক্ত খেকো জ্যম্বী তোরা,
মস্তিস্ক বুদ্ধি নয়, শুধু খিদে নিয়ে ঘুরিস।

খুব বড় যন্ত্র হয়েছিস?
আয় আমার কাছে,
মার আমাকে।
মেরে তোদের জ্বালা মেটা।
আয় সামনে,
পুড়িয়ে ছারখার করেদেবো।

ভিতু, নপুংসক, নচ্ছর,
সাহস থাকেতো আয় সামনে,
সামনাসামনি লড়ব। 

শেষ বেলা।
সৌম্যজিত দত্ত।

আজ আর শক্তি নেই লড়ার,
রুক্ষতা, জীর্ণতা গ্রাস করছে প্রাণ,
শরীর ও মন।

হারিয়ে ফেলেছি রাস্তা,
নেই কোনো উত্সাহ,
আমি বড় একা...

দেশ ও জাতীয়তাবাদের জন্য লড়তে
যে শক্তির দরকার,
আজ ফুরিয়ে গেছে।
যেটুকু আসার আলো ছিল চোখে,
মিলিয়ে গেল অন্ধকরে।
আজ আমি ভীষণ একা..

কোথাও কি তুমি শুনতে পেলেনা,
জানতে পেলেনা আমার মনের খোঁজ?

Tuesday, 3 November 2015

ধর্ম যুদ্ধ। ধর্ম বিজ্ঞান, সত্য ও মনুষত্বে। কুসংস্কার ও গোড়ামিতে নয়।
(রেফারেন্স -মহাভারত ও বর্তমান সমাজ। )
সৌম্যজিত দত্ত।


রাস্তার শাসন আজ কুরুক্ষেত্রের যুদ্ধ,
বা, আরও ভয়ঙ্কর।
কুরুক্ষেত্র তো তবু ছিল শুধু সম্রাট-আধিপত্যের লড়াই,
ছিল কৌরব আর পান্ডব।
একদলের লড়াই ছিল শুধু রাজত্ব বজায় রাখা,
আরেক দলের লড়াই চেতনার, মনুষত্বের, প্রতিশোধের।


হিংসা, রাজনীতি, ছল তখনো ছিল,
আজও থেকে গেছে।
পরিবর্তন শুধু হয়েছে ধর্ম-অধর্মের।
সেকালে কর্তব্য, মনুষত্ব ছিল ধর্ম,
ছল চাতুরি খেলা ছিল অধর্ম।
আজ সেসব নিজের জায়গা পরিবর্তন করেছে।
আজ ধর্ম শুধু হিংসায়, রাজনীতির অরাজকতায়,
কুসংস্কার ও গোড়ামিতে।
অধার্মিকতা কি তবে শুধু বিজ্ঞানে?
যুক্তিতে?
সত্যে?


সে যুগেও ধর্মের প্রতিষ্ঠা করতে ছলের সাথ নিয়েছিল
যুগাবতার।
তবে শুধু সত্য সিদ্ধ করতে।
সেযুগেও রক্ত গঙ্গা বয়েছিল কিছু প্রকৃত ধার্মিকের রক্তে।
কিন্তু তারাও কি পুরো ধর্ম পালন করেছিল?
দেবব্রত ভীষ্ম, গুরু দ্রোন, অঙ্গরাজ কর্ণ প্রকৃত ধার্মিক ছিলেন বটে,
তবু তাদের ধর্মে দাগ তো পরেই ছিল।
যা শেষ হয় মৃত্যুতে।


শকুনির সাথে পাশা খেলায়, কৃষ্ণের যুক্তি ছিল এমন,
"একটি শস্য পাত্রে রাখা শস্য, পাত্রটিকে ঝাঁকালে,
নিজের নিজের জায়গা পরিবর্তন করে,
নিচের শস্য ওপরে ও ওপরের শস্য নিচে চলে যায়।
ওপরের শস্য আগে ভক্ষণ করা হয়, নিচের শস্য গুলিকে পরে ভক্ষণ করা হয়।
সময়ের ঝাঁকুনিতে পাপ ও পুণ্যের বিচারে, কিছু মানুষ আগে মরবে, কিছু পরে।
মরবে সবাই।
যারা পরে মরবে, তাদের দিয়ে নতুন ধর্ম যুগ তৈরী করা হবে।"


আজ আবার সমাজ কলুসিত হয়ে পরেছে,
অধার্মিক গুলো ধর্মের নামে মানুষ মারছে,
আর তাতে উস্কানি দিচ্ছে রাজনীতির দালাল।
আজ আবার যুদ্ধ চাই, নতুন করে ধর্ম প্রতিষ্ঠা করার।
প্রকৃত ধর্ম যার বাস মুক্ত চিন্তায়, স্বাধীনতায়,
বিজ্ঞানে ও সত্যে।

আজ আবার যুদ্ধ চাই সমাজ বাঁচাতে,
মনুষত্ব বাঁচাতে।


        সাবধান হয়ে যা।
        সৌম্যজিত দত্ত।

ভাঙ্গবনা নারে ভাঙ্গবনা
যতই তোরা মারিস,
লড়বো আরো গড়ব সমাজ,
মুক্ত হবই দেখিস।

তোর চাপাতি ভোঁতা হবেই,
বন্দুকের টোটাও ফুরোবে।
বুদ্ধি চিন্তা জিতবে ঠিকই,
তোরা যাবি ফুরিয়ে।

ওরে ভাঙ্গবনা নারে ভাঙ্গবনা
যতই তোরা মারিস।

ঘুরছে সময় ঘুরছে চাকা,
চেয়ে দ্যাখ সামনে,
মুখ উচোলেই দেখবি আজ
শুধুই মুক্তচিন্তক।

ছিল এক,
তাকে পারিসনি সামলাতে,
আজ সে আগ্নেয়গিরি।
আগ্নেয়গিরির বিচ্ছুরণে ছিটিয়ে
কোটি কোটি মুক্তচিন্তক লাভা।
কত মারবি?

ওরে ভাঙ্গবনা নারে ভাঙ্গবনা
যতই তোরা মারিস।




সুরক্ষা চাই, দালাল নয়।
সৌম্যজিত দত্ত।


পড়শিরা সব ব্যস্ত আজ,
ছাউনি চায় মাথা গোঁজার।
নিজ ঘরে তাদের নেই সুরক্ষা,
পৃথিবী জুড়ে তোলপার,
ওরা বাঁচতে চায়।


ওরা ভোট দেয়, সরকারি কর দেয়,
সরকার দুহাত পেতে ভিক্ষা নেয়
ওদের কাছ থেকে।
কিন্তু প্রয়োজনে সুরক্ষা দিতে পারেনা।
সুরক্ষার দায় এড়াতে,
খুন গুলোকে বলে,
"দু-চারটে বিক্ষিপ্ত ঘটনা।
সব দেশেই হয়।"
কথাই কথাই উদাহরন টানে যুক্তরাষ্ট্রের।
"যুক্তরাষ্ট্রে যদি এমন হতে পারে,
আমাদের কেন পারেনা?"

বুঝিনা মানুষ কেনো
এই দালাল গুলোকে সরকারে আনে?
কি পেতে চাই?
সৌম্যজিত দত্ত।


অন্ধকার .. শুধু অন্ধকার,
যদি ভাবি পাবোনা।
যদি অভিমান করে বসে থাকি,
আচ্ছা, যদি রাগ করে থাকি,
তবে নিশ্চই পাবোনা।
এতো জীবন খেলা।

কত মানুষের কত রাজনীতি
হাসি মুখে সহ্য করে যাচ্ছি,
খারাপ কিছুও হাসি মুখে মানছি,
শরীরের মধ্যে জ্বলে পুড়ে যায়,
তবু ভাবি, না, কোনো উত্তর দেবোনা,
শুধু হাসি মুখেই মেনেনেবো।
জয় তো নিশ্চিত,
আমার বক্তব্যও প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে,
শুধু সহ্য করতে হচ্ছে অনেক।

তবে কি আমি স্বার্থপর?
জয় অভিলাসি?
ভাবছি, ভেবেই চলছি।
স্বার্থপরতা তো নিজের ও পরের চিন্তাকে আলাদা করে
নিজেকে প্রতিষ্ঠা দেওয়া।
আমি তো আলাদা করিনি নিজের ও পরের ভেবে।
সবই তো আমার,
সমাজ আমার, সংসার আমার।
শুধু নিজের চিন্তাটুকু প্রতিষ্ঠা করছি।
তাহলে আমি জয় অভিলাসি,
হ্যা, আমি তবে তাই।
মানুষের মনের রাজ্য প্রতি মুহুর্তে
একটু একটু করে জয় করে নিচ্ছি,
ভালবাসা জিতে নিচ্ছি,
যত নিচ্ছি, ততই মন আরো ভালবাসা পেতে চাইছে।
তবে আমি সত্যিই জয় অভিলাসি।
মানুষের মনের রাজ্যে আমার অধিকার।
ভালোবাসাতেই আমি ইশ্বর স্পর্শ পাই। 

Monday, 2 November 2015

 তোরই দিকে।
     শান্ত।

আজ ইচ্ছে করে,
তোর ঠোঁটের কোনায় একটু ছুঁয়ে যাই,
রাতের গভীর বুকের ক্ষত কত বাড়িয়ে দেয়।
তোর কথা খেয়াল মত মনে পরে যায়।

আজ উদাসী হাওয়াতে,
তোর পিছু টানে যে,
আমি ভেসে যাই। 
বিশ্বাস'ই ইশ্বর।
সৌম্যজিত দত্ত।



স্টুডেন্ট সুলভ মানসিকতা একটা প্রতিযোগিতা,
ব্রেন একটা ধারক, যে সবসময় ক্যাপচার করে।
বুদ্ধিকে যত বেশি ধার দেওয়া যায়, ততই ধারালো হয়ে ওঠে।
সাধারণ যোগ, বিয়োগ, গুন, ভাগ থেকে শুরু হয়,
চলতে থাকে একের পর এক নিতে থাকা,
রেশিও, এরিথমেটিক, ত্রিকোণমিতি থেকে
ক্যালকুলাস এর ডেরিভেটিভ, ইনটেগ্রেশান সবই অভ্যাস করে ফেলে।

মানুষের চরিত্র অভ্যাসে,
ব্রেন এর কাজ চিন্তাশক্তিকে চর্চা করা ও ধরে রাখা।

মানবিকতাও একটা অভ্যাস,
একটা শুন্য বোর্ডে যদি ঋণাত্মক কোড ইনপুট করা হয়,
তার ফল ঋণাত্মক হবে।
একটা ছোটো শিশুর মধ্যে যদি
হিংসাত্মক মানসিকতার মন্ত্র দেওয়া হয়,
তবে তার ফল সময়ের সাথে তীব্র হিংসার রূপ নেয়।
মানুষের গতি বিশ্বাসে,
মানুষ যদি ভাবে ইশ্বর এর অদৃষ্ট শক্তি তাকে
আবিষ্ট করছে, তবে সে নিজেকে ভরসা করে এগিয়ে নিয়ে যেতেই পারে।
আবার যদি সে ভাবে, তার নিজের শক্তিতেই সে আবিষ্ট,
নিজের ওপর তীব্র বিশ্বাস, তবে সে নিজেকে কেবল এগিয়েই নিয়ে যাবে।


বিশ্বাস ই সেই অদৃষ্ট শক্তি,
যা আমরা উপলব্ধি করি।
এখন আমাদের বুঝতে হবে, সেই বিশ্বাস কাকে করব।
ম্যাজিকাল পাওয়ার কে করে, নিজেকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারি, এমন শক্তিকে?
না, নিজের দৃষ্ট বা অদৃষ্ট জ্ঞানকে ভরসা করে, নিজেকে এগিয়েই নিয়ে যাব, এমন শক্তিকে?

যেটাই ভাবিনা কেন, সেটাই ইশ্বর।
অতয়েব, ঐশ্বরিক শক্তি শুধু আমাদের মনেই,
বাকি সব ধর্ম, তীর্থ তো দৃষ্টান্ত মাত্র।

Sunday, 1 November 2015

জেগে ওঠো, লড়াই করো।
সৌম্যজিত দত্ত।


ওরা শুধু মারছেনা, ওরা ভয় দ্যাখাতে চায়ছে।
রাজনৈতিক দল গুলো একে অপরের দিকে কাদা ছুড়ছে।
এ কোনো ধর্মীয় খুন নয়, এটা আসাসিনেসান।
ধর্ম তো শুধু মাত্র এলিবায়।
কোনো ধর্মপ্রাণ বা ধর্মভীরু খুন করতে পারেনা,
খুন হয় উস্কানিতে, অভাবে, লোভে।
ধর্মপ্রাণের ধর্ম ছাড়া কিসেইবা লোভ হবে?


এত এত ব্লগার মারছে, আসলে এরা মানুষের মনে
ভয়ের ইনজেকসন পুশ করতে চায়ছে।
শুধুমাত্র পাপের এলিবাই রাখতে,
ধর্মের দোহাই দিয়ে ব্লগার মারছে।
ধর্ম মানুষের অনুভুতি, মানুষের দুর্বলতা,
সেই ধর্মের দোহাই দিয়ে অবলীলাক্রমে ব্লগার মারা যাবে,
এমনটাই ওদের স্ট্রাটেজি।
মানবজাতিকে ওরা পঙ্গু করে দিতে চায়।


ওরা রাজনৈতিক মারণ খেলায় মেতে উঠেছে।
কেউ টিকবেনা, কেউ বাঁচবেনা, যদিনা
সাধারণের সম্বিত ফেরে।
ওরা এভাবে রাজত্ব বজায় রাখতে বা রাজত্ব দখল করতে
একেরপর এক মেরে চলবে।
কোনো একটা রাজনৈতিক দল নয়,
ধর্মের দোহায় দিয়ে,
আড়ালে থেকে, এই মারণ খেলায় মেতে উঠেছে
সমস্ত রাজনৈতিক দল গুলো।
কেউ সাধু নয়।

ভেঙ্গে ফেলো সমস্ত লৌহ কপাট,
ভেঙ্গে ফেলো নিজেদের ভয়।  তোমরা ঘুরে দাড়াও।
শিকার করো সমস্ত রাজনৈতিক দলগুলোকে।
গুড়িয়ে দাও।
ভেঙ্গে চুরমার করে দাও।
যদিনা ভাঙ্গতে পারো, কালের অন্ধকার
তোমাদের গ্রাস করবে।
বাঁচতে হলে নিজেদের বাঁচাও,
ওরা তোমাদের শুধুই মারবে।


মনুষত্ব, না রাজনীতি?
সৌম্যজিত দত্ত।

উডাগো দুর্বৃত্ত কস ক্যান?
উডাদের কুনু নাম ধাম নায়?
উডারা তো লড়ে আল্লার নামে,
নিজেদের মোছলমান কয়,
তাইলে দুর্বৃত্ত ক্যান কস?

তুর কানে পুকা ধরা হাসিনা,
বাঁশিখানও তার কাটা।
জখুন শিক্ষিতরা একের পর এক কমছে দ্যাশে,
তুর মুখে চওড়া হাসি ফুটত্যাছে।
আর কেউ না বুঝুক,
আমি কিন্তু বুঝি হাসিনা,
অশিক্ষিতের মাথা চিবানু বড়ই সুজা।
লাইফটাইম গদি ফাঁকা।

চল, আজ তুরে কিছু পাঠ শিখাই,
মুজিব বাবুর লাস আপনারে শক্ত জমি দিছিল,
রাজনীতির প্লাটফর্ম তো আর হেলাফেলা না,
হাতের নাগালে জখুন পাইছি,
আর দ্যাখে কিডা।
বাপের লাস দেইখ্যা আপনার সস্তি হয়নায়।
পুরানো কথা, ভুইল্যা গিছেন।
আচ্ছা, আজ যদি সাজীবরে কেউ পিডায়,
আর বলে ইছলাম বাঁচাইতে সাজীবের সাজা,
তাইলেও কি আপনি উডাদের দুর্বৃত্ত কইবেন?
আচ্ছা, আজ যদি আপনারে শিখাইতে সাজীবরে মারি,
আমারে হিন্দুর পুলা বুলবেন, না দুর্বৃত্ত কইবেন?
ভাবেন, যদি চাপাতির আঘাতে তার বুকের রক্ত
ছিন্নভিন্ন করি, আপনি কি চুপ থাকবেন?
মজা দ্যাখবেন?

ভাবেন, আমরা কত লাস দ্যাখছি,
আমাগো ভাইদের একের পর এক পিটাইছে,
মারছে। আপনার প্রুশাসন তদন্তে লবডঙ্কা।
উল্টা আপনাগো রাজনীতি ভায়েরা উস্কানি দিছে।
আপনার চোখ খুলেনায়।

হাসিনা দিদি, আমরা কেউ খুনি নই।
আমরা মানুষ মারতে শিখিনি,
শুধু অন্যায়ের বিরুদ্ধে কলম ধরেছি মাত্র,
স্বাধীনতার খোঁজে আমাদের মিলছে চাপাতিধারীদের হাতে
মৃত্যুদন্ড।
অতঃপর যদি এখনো আপনার চোখ না খোলে,
এখনো যদি আপনি ভোট বাঁচাতে, গদি বাঁচাতে,
পদক্ষেপ না নেন,
আমাদের কলম ছেড়ে অন্য রাস্তা দেখতে হবে।
আমরা কিন্তু নিজ পরিচয়ে লড়ব,
আমাদের দুর্বৃত্ত বললে কিন্তু তাকেও ছেঁটে দেব।