Wednesday, 28 June 2017


পাণ্ডুলিপির প্রথম কবিতা। প্রথমে ঠিক করেছিলাম নাম দেবো "গেরন।" পরে সেটা পাল্টে নাম দিলাম "উৎসর্গ।"


রওডন স্ট্রীটের বাড়িটা। 

উৎসর্গ - নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে। 

-সৌম্যজিৎ।


রওডন স্ট্রীটের বাড়িটা আজ বড্ড ফাঁকা ফাঁকা লাগে,
এক বিষণ্ণ সময় যেন থমকে গেছে দেওয়ালগুলোতে আবদ্ধ বাতাসে,
দরজা, জানালাগুলো নিষ্প্রাণ শুধু দাঁড়িয়ে আছে,
ভিতরে ভ্যাঁপসা গন্ধটা নিঃশব্দে প্রতিবাদ জানাচ্ছে মৃত প্রায় হয়েই, 
ওরা কথা বলেনা,
ওরা চিৎকার করেনা, 
মারামারি, হানাহানি, খুনোখুনি করেনা, 
ওরা শুধু প্রতিবাদ করে অনুভূতির পর্দায় ধাক্কা দিয়ে,
ওরা প্রতিবাদ জানায় তাদের কাছেই যারা বিবেকের দরজা বন্ধ করে দেয়নি,
ওরা রাজনৈতিক দেওয়াল ভেদ করে আত্মপ্রকাশ করতে শেখেনি। 
তসলিমা নাসরিন তুমি শুনতে পাও ওই দেওয়ালগুলোর রাতের নিঃশব্দ কান্না!
ওই যে দেওয়াল জুড়ে তোমার কতশত ছোঁয়া খেলা করেছে,
তোমার আঁকা ছবিগুলোকে ওরা বুকে ধরে রেখেছিল পরম স্নেহে! 
ওই যে মেঝের শীতল ছোঁয়া যখন তোমার পায়ে পায়ে খেলা করেছে আপন করে
যেভাবে ধরণীর মাটি খেলা করে শিশুপায়ে!
ওই যে পড়ার টেবিলে বসে তুমি তৈরি করেছিলে 
ন্যায়ের তহবিল!
মানুষের বিবেকে জোর ধাক্কা দিয়ে ছিটকে দিতে চেয়েছিলে চিন্তার গোঁড়ামিকে!
মানুষের চিন্তাতে কিছু এসে যায়নি তাতে,
কিন্তু ওই ঘর, ওই বারান্দা, ওই পড়ার টেবিল, ওই দেওয়ালগুলো হারিয়েছিল তাদের 
পরম স্নেহে ধরে রাখা মানুষটাকে,
যেদিন তুমি নির্বাসনে চলে গেলে ওদের একা করে দিয়ে,
ওরা সেদিন অনাথ হয়ে গেছিল, 
আজও অনাথ হয়ে পড়ে আছে কোলাহলের শহরে একপ্রান্তে মাথা গুঁজে,
কারোর কোনো ভ্রুক্ষেপ নেই ওই ইট পাথরে গড়া বাড়িটার একাকীত্বে।


যদি পারতাম লেখার জাহাজে উড়িয়ে এক মুহূর্তে তোমাকে ওদের কাছে এনে দিতে,
যদি পারতাম ওই অনাথ হয়ে যাওয়া বাড়িটাকে ওদের ভালবাসা ফিরিয়ে দিতে,
যদি পারতাম আবার ঘরময় আলোই আলোই ভরিয়ে দিতে,
যদি পারতাম আবার দরজা জানালাগুলো দিয়ে প্রথম সূর্যের কিরণ দিতে!
ওদের মত নিজেকেও বড্ড অসহায় লাগে আজ,
ওদের মতই আমিও যেন অনাথ হয়ে পড়ে আছি এই বাংলায়,
আমারও দীর্ঘশ্বাস পড়ছে মুহূর্তে মুহূর্তে,
চাপা কান্নার হাহাকার উঠছে নাভিশ্বাস ঠেলে,
আমিও আজ তলিয়ে যাচ্ছি ওই ঘরবন্ধ ভ্যাঁপসা বাতাসের মধ্যে দিয়ে অন্ধকারের অতল গভীরে,
হারিয়ে যাচ্ছি ক্রমশ নিজেরই অস্তিত্ব থেকে।
আমার বুকে বাংলা আজ বড় অসম্পূর্ণ -

তুমি ছাড়া ..
প্রেম ছাড়া ..


Thursday, 22 June 2017

PANEL LIST FOR THE POST - ASSISTANT PROFESSOR AND LECTURER, 2017/18.

INDIAN STATISTICAL INSTITUTE.

2970 - DS/P - TRNG/14-15/0056
2971 - DS/P - TRNG/14-15/0051
2972 - DS/P - TRNG/14-15/0050
2973 - DS/P - TRNG/14-15/0048
2974 - DS/P - TRNG/14-15/0053
2975 - DS/P - TRNG/14-15/0043
2976 - DS/P - TRNG/14-15/0046
2977 - DS/P - TRNG/14-15/0042
2978 - DS/P - TRNG/14-15/0045
2979 - DS/P - TRNG/14-15/0049
2980 - DS/P - TRNG/14-15/0028
2981 - DS/P - TRNG/14-15/0026
2982 - DS/P - TRNG/14-15/0034
2983 - DS/P - TRNG/14-15/0040
2984 - DS/P - TRNG/14-15/0036
2985 - DS/P - TRNG/14-15/0038
2986 - DS/P - TRNG/14-15/0037
2987 - DS/P - TRNG/14-15/0035
2988 - DS/P - TRNG/14-15/0039
2989 - DS/P - TRNG/14-15/0047
2990 - DS/P - TRNG/14-15/0044 

Monday, 19 June 2017


তোমারই দিকে চেয়ে।
(মেয়েমাকে।)

আমার একটা জীবন থমকে গেছে
তোমার কাছে গিয়ে,
শুধু তোমার দিকেই চেয়ে,
আমার হাজার বাঁচা মিলিয়ে গেছে তোমায় ভালবেসে,
তোমায় কাছে পেতে।
নাহোক আমার দিনগুলিতে সুখের আনাগোনা,
আমি তৃপ্তি পাবো যখন তোমায় খুঁজে পাবো কাছে,
রাতগুলো সব জাগা থাকে
চাঁদের দিকে চোখ চেয়ে,
মন খোঁজে একটু আদর তোমার স্নেহ থেকে।
কাছে তুমি, কাছেই আছ,
মনের মাঝে দাঁড়িয়ে আছ,
চোখদুটিতে কাজলা স্নেহে
আমার প্রাণে ছুঁয়ে।
ভালো খারাপ যেমন রাখো
তেমনই আমি বেঁচে থাকি,
তোমায় ছাড়া প্রাণহীন মরুভূমি হয়ে
থমকে কেবল দাঁড়িয়ে থাকি
বাঁচার আশায়, বাঁচার ভাষায়
তোমারই দিকে চেয়ে।

-সৌম্যজিৎ।

Sunday, 18 June 2017



আমি দেখেছি মুহূর্তের মায়া জড়ানো দুটো চোখ,
আমি হেসেছি  প্রকৃতির গড়া স্নিগ্ধ এ রূপে,
স্বর্গ নয় এ রাজকন্যা ভূমিষ্ঠ মর্তবাসে
তব গগন প্রেয়সীকে।
মমতা ভরা প্রাণ ফুটেছে ও'দৃষ্টিতে,
চেয়ে চেয়ে দেখি,
আমি অকালবোধনেই ক্লান্ত হয়ে পড়ি
তবু প্রেরণা যায়না ফুরিয়ে।
প্রবল বরষণে বরষণে সবদিক লাগে অস্পষ্ট,
কোথাও কালো মেঘ, মেঘে ঢাকা রাস্তা,
আমি দেখেছি সেই প্রাণ প্রতিমা খেলায় মগ্ন জলে ভেজা গায়ে,
বিদ্যুৎ ঝলকে ক্ষণিকের স্পষ্ট রূপে,
যেন বৃষ্টিকে গায়ে মেখে প্রকৃতিকে আহ্বান করছে সবটুকু জুড়ে।

Tuesday, 13 June 2017


প্রেম শুধুই শরীর।

অন্ধকার
মনের আড়াল,
বাস্তব
মিলিয়ে যায়।
খুঁজে বেড়াই
মনের মানুষ,
যাকেই দেখি চোরাবালি।
শরীর যখন
মত্ততায়,
নরম মাংসে ভুখ মেটায়,
ভালবাসা
মিথ্যে সব,
শরীর শুধু শরীর চায়।
প্রেম মানেই জংলী শরীর,
ভালবাসা হারিয়ে গেছে,
এক শরীর তাই পুরোনো হয়,
আরেক শরীরে গা ভাসায়।
ভালবাসা আজ
অন্তরে নেই,
ভালবাসা বাঁচে সঙ্গমে,
কথার প্রেমে ভুখ মেটেনা,
ভুখ মেটে ওই শরীরেই।

- সৌম্যজিৎ।

Thursday, 8 June 2017

"অনেক কথা যাও যে বলে
কোনো কথা না বলি,
তোমার ভাষা বোঝার আশা
দিয়েছি জলাঞ্জলি।"

এএসএ প্রোডাকশান হাউজের সেতু এলবামে আরেক নতুন একটা হৃদয়স্পর্শী কবিতা সেজে উঠল "তুমি যাকে ভালোবাসো"এর নারী কণ্ঠশিল্পী ইমনের সুরে।  অভিমান আছে, চাপা কষ্ট আছে, আশা আছে, স্বপ্ন আছে, একটা সাধারণ বাস্তব জীবনের অপূর্ণতার পূর্ণতা আছে গানের ভিতরে ও সুরে।  গানটির এলবামেও ইমনের অভিনয় আমরা দেখেছি, এক স্নেহময়ী চোখে ঠিক মায়ের মত আদর দিয়ে একটা বাচ্চামেয়ের সাথে মিশছে, সময় কাটাচ্ছে, ভিতরে থাকা চাপা কষ্টগুলোকে ভুলে নতুন করে আনন্দের সাথে গা ভাসাতে  চাইছে। গানে গানে বন্ধুত্ব আর বন্ধুত্ব মেশানো খেলাতে মেতে আছে দুজনে। বিদায়বেলাতে বিদায় দিতে না চাওয়ার কষ্ট মুহূর্তেই মিলিয়ে যাচ্ছে যখন সেই বাচ্চা মেয়েটি আবার পিছন ফিরে এসে জড়িয়ে ধরছে। সুরের প্রতিটি ছোঁয়াতে এই আদর মাখা কষ্ট বা কষ্ট মাখা আদর ফুটে উঠেছে। সুরের প্রতিটি ছোঁয়াতেই স্নেহ ফুটে উঠেছে সাবলীলভাবে। মুগ্ধ হয়ে শুনলাম সদ্য জাতীয় পুরস্কার প্রাপ্ত ইমনের কণ্ঠে এই গানটি। অনেক শুভেচ্ছা রইল গায়িকার জন্য, ওই ফুটফুটে বাচ্চাটির জন্য, গানটির জন্য ও সেতুর জন্য। বাচ্চা মেয়েটির সাথে পর্দার ভিতরে গায়িকার সম্পর্কটা জানার আগ্রহে থাকলাম। 

Wednesday, 7 June 2017


তেজস্বী মানব।
উৎসর্গ - নির্বাসিত লেখক তসলিমা নাসরিনকে।

ছুঁয়ে ছুঁয়ে দেখেছি তোমায় বাহিরে নয় অন্তরে
প্রকাশ পেয়েছি এক কালজয়ী মানব তুমি, ভেঙেছ সকল রীতি
আবদ্ধ অন্ধকারকে ছিন্ন করে,
আলোর দিশা দিয়েছ এ বিশ্বে।
হিন্দু না ওরা মুসলিম এই জিজ্ঞাসে যখন সমাজ ঘোরাচ্ছন্ন
এক তুমিই মানুষ হয়ে অটল থেকেছ মাথা নত না করে,
নাই ভেদ, নাই কোনো দোলাচল
মানব প্রেমকেই তুমি দিয়েছ সকল উর্দ্ধ স্থান।
একই বিশ্বে তুমি গড়েছ আরেক বিশ্ব,
আদর্শে আদর্শে শিক্ষাকে ছড়িয়ে দিয়েছ আলোক বিচ্ছুরণে,
মানব মাঝে এক নতুন সূর্যকে আমরা পেয়েছি
সূর্যেরই মত তেজস্বী রূপে।


- সৌম্যজিৎ।

Tuesday, 6 June 2017

আমার সূর্য যেদিন উদিত হবে!
সৌম্যজিৎ।

আজ বহুদিন পর আমি পড়ার ঘরে
জানালা দিয়ে রাত জাগা সকালকে দেখছি,
ক্রমাগত আকাশী-কালো বর্ণ থেকে নীল ছাই বর্ণ উজ্বল হচ্ছে,
পূব আকাশে লাল জবাকুসুম আলোকিত করছে আমার শহর,
ঘন ঘন জমে থাকা মেঘেরা ছুটি নিয়ে ঘরে ফিরছে সারি বেঁধে।
আমার মনেও অজস্র মেঘ জমাট বেঁধে আছে,
কিছুদিন হল আমাকে পাগলের মত তাড়িয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে এপান্তর সেপান্তরে,
রোজ নতুন সূর্য আকাশকে আলোকিত করে উদিত হচ্ছে,
দুপুরবেলায় মাঝ আকাশে প্রখর রৌদ্রে উজ্বল করছে আবার
সময় গুণে ফিরে যাচ্ছে বিকেলের পশ্চিম আকাশে,
আমার মনের মেঘ কেটে কিছুতেই নতুন সূর্য উদিত হতে পারছেনা,
যেন মন ভর্তি কার্বনমনোক্সাইডে ছেয়ে গেছে আকাশ বা
দরজা জানালা বন্ধ কোনো গুমোট ঘর।
এ যেন অদ্ভুত এক নেশা -
আমি পড়ছি নেশাগ্রস্ত হয়ে, পড়ার মধ্যে ডুবে যাচ্ছি,
জানার মধ্যে ডুবে যাচ্ছি, ডুবে যাচ্ছি আর তলিয়েই যাচ্ছি কিনারায় উঠতে।
মনের মধ্যে তীব্র যন্ত্রণা শুধু তোমার একটু ভালবাসাহীনতায়,
তুমিহীন, ভালবাসাহীন জীবন আমার কাছে বড্ড কষ্টের,
আমি ক্লান্ত হয়েও যেন ছুটে চলেছি সম্মোহিতের মতই,
চোখে ঘুম এসে জমাট বাঁধতে চাইছে, কিন্তু চায়ের কড়া জেদের মত অভিমানের জেদ
নিমেষেই সেই ঘুমকে তাড়িয়ে দিচ্ছে।
আজকাল হঠাৎ হঠাৎ আমার বুক কেঁপে ওঠে ভয়ে,
মনের নিরাপত্তাহীনতার ভয় আমাকে তাড়া করছে,
নিশ্চিন্তের কোনো বাসা নেই যে আশ্রয় দেবে দুশ্চিন্তা কেড়ে নিয়ে।
শুধু ছুটে চলেছি এক পরিচয়ের লক্ষ্যে,
আমাকেও কিছু করে দেখাতে হবে তোমার সামনে।


আমার মনে এখনও কালো মেঘ সরেনি,
এখনও ভোরের সূর্য উদিত হয়নি,
যেদিন উদিত হবে, আমি তোমার দিকে প্রশ্নের বাণ ছুঁড়ে দেবো একরাশ অভিমান মিশিয়ে,
কেন তুমি আমায় একটু ভালোবাসোনি! 


আজ ৭ই জুন শুভ জন্মদিবস ও নবারহে তোমাকে অনেক প্রেম জানাই। এই লেখাটা তোমার জন্য। আমি প্রেমিক। প্রেম আর প্রেমের বহিঃপ্রকাশ, তৃপ্ততা এর থেকে বড় উপহার যে কি হয় সেটা জানা নেই। শুধু জানি প্রেমকে কিভাবে মাখতে হয় শরীর ও মনের মধ্যে। তোমাকে মাখিয়ে দিলাম।


উত্তপ্ত শরীরটা।
সৌম্যজিৎ।

তোমার চুলে একরকমের গন্ধ খুঁজে পাই,
আমাকে তীব্র নেশায় আচ্ছন্ন করে।
তোমার ছোঁয়াতে যে উষ্ণতা আছে
আমার শরীরকে আগুন দহনে নিমজ্জিত করে মুহূর্তেই।
দেওয়াল চাপা তোমাকে এলোপাথাড়ি চুমুতে
তৃষ্ণা মেটাতে চায় মন,
মনের আর দোষ দিই কিকরে,
জংলী শরীর দেখে যদি শরীর আছড়ে পড়তে চায়,
নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে মুহূর্ত খোদাই করতে চায়,
আমি অপারক নিজেকে সামলাতে।
আগুন দহনে আমাকে পুড়িয়ে নিঃশেষ করতে বারুদের প্রয়োজন নেই,
নেই কোনো পেট্রোল, ডিজেলের মত দাহ্যের,
শুধু তুমি থেকো,
তোমাকে ছুঁয়েই আমি নিঃশেষ হয়ে যাবো,
এতটুকু ধোঁয়াও বেরোবে না।

Monday, 5 June 2017

ফ্রেন্ডলিস্টে ধর্ষক পুষে রেখেছি আমি। সময়ে অসময়ে আমার পোস্টে, মেয়েমা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে লেখা পোস্টগুলোতে ভালো ভালো কমেন্ট করে সাধু সেজেছিল এতদিন। আজ সেই সাধুর মুখোশের আড়াল থেকে ধর্ষক বেরিয়ে এসেছে। আসল রূপ আর লুকিয়ে রাখতে পারেনি। এরাই সুযোগ পেলে অন্ধকার রাস্তায় মেয়েদের ধর্ষণ করে। যেকোনো মেয়ে ছোট পোশাক পরলে তাকে যৌন আবেদনকারী ভেবে নেয়। আবার সমাজের সামনে ভদ্র সাজতে নারীবাদী হয়ে ওঠে। না, আমার রাগ হচ্ছেনা ছেলেটার ওপর। এদের শিক্ষাটাই এমন। এদের ওপর রাগ করে আমার চিন্তাকে কলুসিত করতে চাইনা। 

Friday, 2 June 2017

তিরানব্বইয়ের লজ্জা! সাবধান।

উৎসর্গ - লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে।

পূজা অর্চনা, ধর্মীয় কুসংস্কারের রীতিনীতি
যতসব ভণ্ড অবিজ্ঞানের পাথর,
কোনোকিছুতেই ও মেয়ে গায়ে সয়না।
ও মেয়ে তেড়ে আসে,
কুসংস্কারে আচ্ছন্ন মস্তিষ্কগুলোকে খাবলে খুবলে বার করতে চায়।
ও মেয়ে আবার মানুষ নাকি!! 
অবিজ্ঞান বলে শুধু পিশাচই পারে ঐশ্বরিক ক্ষমতাকে ভণ্ড বলতে।
বিজ্ঞান আজ কত নতুন সাজে সেজে উঠেছে!
চন্দ্র, মঙ্গল অভিযান করে এসেছে,
মহাবিশ্বে এক সূর্য কে বাদ দিয়েও আরেক নতুন সৌরজগৎ
বিজ্ঞানের চৌহদ্দিতে খেলা করে বেড়াচ্ছে,
পৃথিবী থেকে মাত্র সাড়ে ঊনচল্লিশ আলোকবর্ষ দূরেই
এক নতুন সৌরজগৎ ট্রাপিস্ট ওয়ান, এই তো সেদিনের আবিষ্কার
যখন নাসা আরেক পৃথিবীর সন্ধানে মহাকাশে বিপ্লব ঘটিয়েছে।
অথচ সে সন্ধান ছেড়ে বাঙালি আজও মেতে আছে রাশি-লগ্নের হিসেব কষে,
মেষে রবি তুঙ্গস্থ, সিংহে কেন্দ্রস্থ, তো কোথাও
তুলাতে শনি তুঙ্গস্থ, মকরে মঙ্গল, মীনে শুক্র, কর্কটে বৃহস্পতি তুঙ্গস্থ।
বুধাদিত্যে জন্ম! বুধাদিত্যই সব বোধ শক্তি হারিয়ে দিল তবে।
ও মেয়েকে তোমরা হারাতে পারবে না বাঙালি,
ও মেয়ে যে এক সূর্যের মতই তেজ শক্তি নিয়ে অবিজ্ঞানের সর্বনাশ করতে এসেছে।
কতই না চেষ্টা করেছ আমার বঙ্গ রাজপুত্রেরা!
প্ল্যাকার্ড হাতে হাতে তসলিমা হটাও, তসলিমার ফাঁসিও দাবি করেছ,
রাজ্য থেকে তাড়িয়েছ, দেশ থেকে তাড়িয়েছ,
শুধু ওই শরীরকেই তোমরা সরাতে পেরেছ,
তসলিমাকে কি থামাতে পেরেছ!
সূর্যের সত্যিকে তোমরা যেমন মুছতে পার না,
সূর্যের শক্তিকে যেমন ম্লান করতে পার না,
তেমনই পার নি অগ্নি উৎসকে থামিয়ে দিতে।
ও মেয়ে একদিন ঠিকই তোমাদের মগজের সর্বনাশ করে রেখে দেবে।

সাবধান আমার বাংলার বীর কাপুরুষেরা!
যদি হারতে না চাও,
তিরানব্বইয়ের লজ্জাকে আর গায়ে মাখামাখি করতে এস না।

- সৌম্যজিৎ।