Wednesday, 28 February 2018

আগুন আমাকে কত পোড়াবে,
কত করবে ছাই,
মরবো তো একবারই আমি,
ওই আগুনেরও তৃষ্ণা মেটাই।
জ্বলবো, পুড়ে খাক হয়ে যাবো, তবু
করবো না চিৎকার,
রক্ত - মাংসপিণ্ড ঝলসে লাভা হয়ে যাবে, তবু
প্রকাশ পাবে না বুক ফাটা হাহাকার।
যতদিন বাঁচি, আমার নিঃশ্বাসে নিঃশ্বাসে বেরোবে তোমার নাম,
আমার শেষ নিঃশ্বাসও উৎসর্গ করে দেবো,
অস্ফুট উচ্চারণেও সেদিন প্রকাশ পাবে, শুধু তোমারই নাম।

- সৌম্যজিৎ।


Monday, 26 February 2018

আমি জীবন দেখি,
আমি জীবন লিখি,
আমি ভালোবাসি তোমাকে, তোমাকে, তোমাকে  ..

- সৌম্যজিৎ। 

Friday, 23 February 2018

আমার বাংলার অর্থ - শুধু তুমি।

উৎসর্গ - নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে।


একদিন আমি তোমার নামে গড়বো জনস্রোত,
তুমি দেখো,
তুমি দেখো ঠিক আমি আদর্শকে বহিয়ে দেবো জনজোয়ারে,
যতটা বহিয়ে দিলে আমার মনে তৃপ্তি আসে,
আমি ভেসে যেতে পারি সেই এক তোমায় ছুঁয়ে থাকার  উপলব্ধিতে!
ততটাই ভাসিয়ে দেবো তোমার নাম, আমার আদর্শকে জনে জনে ..
হাজারও তরুণ, প্রবীণ বুকে তুমি বাহিত হবে আদর্শে আদর্শে,
মুক্তকণ্ঠে ..
একদিন আমার বাংলা সেজে উঠবে আবার
বঙ্গতনয়াকে ঘিরে,
উল্লাসে উল্লাসে
আকাশ বাতাস গর্জিত হবে সেদিন,
মানুষ চিনবে মানুষকে সেদিন মানুষ পরিচয়ে ..
আমার বুকভরা বাতাস -
যদি শেষও হয়ে যায়,
আমি বাঁচবো তোমার প্রশ্বাসে,
আমি বাঁচবো সকলবুকের আদর্শে,
তবু আমি বাঁচবো একদিন, -
তোমার স্বাধীনতাতে ..

আমার কাছে বাংলার অর্থ তুমি - বঙ্গতনয়া,
আমার বাংলা শুধু তুমিই ..

- সৌম্যজিৎ।

Wednesday, 21 February 2018

বাংলা, ওগো বাংলা মা আমার -
তোমায় ভালবাসি,
বাংলা তুমি আঁচল ধরো,
একটু খেলে আসি।
বাংলা তুমি আমার কথা,
আমার প্রাণের ভাষা,
তুমি আমার অন্তর মাগো,
আমার বাঁচার আশা।
ওই যে আমি বলছি মা,
মায়ের নাম বাংলা ভাষা,
ওই যে আমি ভালবাসি, -
তাহার নামও বাংলা ভাষা,
ওই যে আমি হাসি হাসি! -
বাংলাতেই তা প্রকাশ করি,
ওই যে বুকে চাপা রাখি কান্না,
তারও প্রকাশ বাংলা।
আমার বুকে আগুন ঝরে
আদর্শে আদর্শে - রক্ত প্রবাহে,
সেই আগুনও প্রকাশিত হয় -
বাংলায়, শুধু বাংলায়  ..

বাংলা তুমি ভালো থেকো মাগো,
হৃদয়ে হৃদয়ে বেঁচে থেকো,
প্রতিটা ভাষায়,
প্রতিটা আশায়
সত্যের সাথে মিশে থেকো।

- সৌম্যজিৎ।

এ প্রেমে আমার সবটুকু তোমায় দিলাম,
আমার প্রেম অপূর্ণতায় বেঁচে থাকুক চিরকাল।
কেবল তুমিই বুঝি একটুও ভালোবাসলে না,
আমার বুকফাটা হাহাকার আজ পৌঁছে দিলাম।
সন্ধ্যা ঘিরে ওই মৃদু বাতাস আমার জানালায় এসে উঁকি দিচ্ছে,
দেখছে আমি ঘরে কেমন একলা বিষন্নতায় মিশে,
বুকে কান্না এসে থমকে গেছে,
চোখের কোণে  ভালোবাসা আজ মিছে।
মিছে নয়, এ আমার প্রেম,
শুধু আমিই জানি ভালোবাসা কত দামী!
আমার সর্বস্ব লুটিয়ে দিলাম তোমায়,
শুধু জেনো এক প্রেমিক তোমায় ভালোবেসে
লুটে গেছে বিভীষিকায়।
কিরণ তবু প্রকাশ পাবে আমার মনে,
স্নিগ্ধ আলো এসে দেখাবে নতুন সকাল,
শুধু কিরণে যে ভালোবাসা আমি বেসেছি,
সে ভালোবাসা শুধু আমার হয়েই থাকবে চিরকাল ..

এ প্রেম শুধু আমারই থাকুক,
শুধু আমার হয়েই থাকুক,
এ প্রেমকে তো তুমি চাওনি কখনো,
এ প্রেমে শুধু আমারই অধিকার বাঁচুক।

 - সৌম্যজিৎ। 

Sunday, 18 February 2018







মায়ের বসন্ত

সৌম্যজিৎ

               

মা তুমি দেখেছ আজ

তোমার স্বপ্ন কেমন প্রকাশ পেল!

আবীর রঙে রাঙা হল মঞ্চ,

নাচের তালে কম্পিত হল আকাশ, বাতাস,

খোলা মাঠ,

গানেসুরে বসন্ত কেমন সেজে উঠল!

মা তুমি তো চেয়েছিলে

মানুষের মিলনে – জনগনমনে

বসন্তকে ছড়িয়ে দিতে,

মা তুমি বলতে না –

“এ বাংলা ভেসে উঠুক ভালবাসায়,

 এ বাংলা বেঁচে থাকুক গানের ভাষায়!”

রত্নগর্ভা তুমি মা।

তোমার গর্ভের রত্ন আজ

তোমারই কথামতো ভালবাসা উজাড় করে দিয়েছে প্রাণখুলে,

জনমানসে – হৃদয়ে

নতুন প্রাণ ঢেলেছে গানের ভাষাতে,

তুমি সত্যিই রত্নগর্ভা মা।





যুগ যুগ বাঁচি

যেন দেখি এ বাংলা এমনই ভালবাসার মিলনে মিলছে,

যুগে যুগে যেন এমনই বসন্ত আসে আকাশে – বাতাসে,

আনাচে কানাচে ...

যুগে যুগে মা তুমিও থেকো,

থেকো এ বাংলার বুকে,

যুগে যুগে প্রাণ খেলুক রঙে রঙে,

নাচে গানে –

এ মুলুকে ...

Thursday, 15 February 2018





কিরণ
রিয়াকে।
-সৌম্যজিৎ।













মরুভূমির বালিয়াড়ি বিষাক্ত বিছেকে তুমি ধরে আছো ওই দু-চোখে,
তিল তিল করে বিষ চক্ষুদুটি দিয়ে দংশন করছ আমার চেতনা, হৃদয়।
শরীরের সমস্ত রক্ত জমাট বেঁধে গেছে,
শুকিয়ে ফ্যাকাসে নীল বর্ণ ধারন করছে গোটা শরীর
আমি এখনও বেঁচে আছি, চেয়ে আছি একটিবার বলতে -
"ভালবাসি।"


- সৌম্যজিৎ।























কিরণ।
সৌম্যজিৎ।


তোমার চোখে মুক্তি দেখেছি,
হারিয়ে যেতে চেয়েছি অজানা কোনো দেশে,
সাতরঙা আকাশ যেখানে সকাল আনে,
মুক্ত বাতাসের ঘ্রাণ নিতে চেয়েছি তোমার সাথে -
সেখানে,
ফুলেরা যেখানে লাল, হলদে, সাদা তাজা রঙে জেগে ওঠে,
আমার রক্তকরবী তোমার সাথে মিশে যায় শিরা, ধমনী প্রবাহে,
মিশে যায় শ্বাস অবলীলায় তোমার নিঃশ্বাসে সেখানে।
ঘুম ভাঙা চোখে প্রথম কিরণ আমি চেয়ে চেয়ে দেখতে চেয়েছি
তোমারই ললাটে,                      
বেঁচে থাকা আজ না বাঁচা হয়ে গেছে,
তোমাকে বলতে চেয়েও মাঝে নিশ্ছিদ্র দেওয়াল উঠে দাঁড়িয়েছে বাধা দিয়ে,
গলা ফাটা চিৎকারেও আমার আওয়াজ পৌঁছয়নি তোমার কাছে।
যেখানেই থাকি-
জেনো আমার প্রেম চেয়ে থাকবে শুধু তোমারই দিকে,
দু-চোখ ভরা স্বপ্ন জেগে থাকবে কখনো তোমায় ছুঁয়ে পেতে।









কিরণ তুমি কি .. 

যদি বলি তোমাকে আমার ভীষণ প্রয়োজন,
যদি বলি আমার এই ভাঙাচোরা জীবন যখন টালমাটাল,
উন্মত্ত সমুদ্র জোয়ার আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে দিকশূন্য কোনো প্রান্তরে,
আমি একটুখানি বাঁচার জন্য হাতড়ে বেড়াচ্ছি কোনো লাঠি বা অন্তত লতা, পাতা যা পাই
আঁকড়ে ধরবো বলে,
অথবা যদি বলি এক তোমাকেই আমার ভীষণ আর ভীষণতর প্রয়োজন,
আমি আবারও উঠে দাঁড়াতে চাই এক তোমাকেই আঁকড়ে ধরে 
সমস্ত প্রতিকূলতাকে চুর চুর করে ভেঙে দিতে,
যদি বলি আমি মরে যাচ্ছি প্রেমের আগুনে জ্বলে
পুড়ে ছাই হয়ে যাচ্ছি, একেবারে শেষ হয়ে যাচ্ছি, কালের গহ্বরে ডুবে যাচ্ছি,
তুমি কি সাথ দেবে আমায় আবারও একটুখানি বাঁচিয়ে তুলতে! 
কেউ তো আমার ভালবাসার খোঁজ কখনো নেয়নি,
কেউ জানতে চায়নি কখনো আমার ভালবাসা কেমন আছে,
অদূর অতীতেও কেউ জানতে চায়নি যে আমি কেমন আছি ভালবাসাহীন হয়ে থেকে,
এক তোমাকেই শুধু মন খুলে আমার ভালবাসার খবরটুকু জানাতে ইচ্ছা করছে।
আমার মনের সমস্ত হাহাকার, চিৎকার করে বলে উঠতে চাওয়া ভালবাসার কথাটুকু শুধু -
তোমাকেই বলতে চায় সে,
তুমি শুনবে একটুখানি স্থির হয়ে আমার প্রাণের আড়ালে লুকিয়ে থাকা মনের কথাটুকু! 

- সৌম্যজিৎ। 








কিরণ ..


তোমাকে যত দেখি, তত ভালো লাগে,


ইচ্ছা করে হারিয়ে যেতে, হারিয়ে গিয়ে দেখি তোমাকে ..


তোমাকে যত শুনি, ভীষণ সাহস আর ভরসা জাগে মনে,


যেন আমি পার হয়ে যেতে পারি অসম্ভবের শেষ সীমাও,


পার হতে পারি গভীর অলকানন্দাও,


পার হয়ে যেতে পারি সর্বোচ্চ চোমোলুংমাও ..


- সৌম্যজিৎ।






কিরণ - তোমার প্রতি আমার প্রেম,
প্রেমের প্রেমিক - প্রেমিকাদের নিঃশ্বাসে, প্রশ্বাসে,
ঘ্রাণে, ভালবাসায় বাহিত হবে একদিন।
তোমার প্রতি আমার প্রেম জগতেই জগত সেরা হয়ে উঠবে একদিন।


- সৌম্যজিৎ।










আজ ১৫ই জানুয়ারি, ২০১৮
প্রথমবার তোমার সাথে এত পরিষ্কার কথা বলা,
প্রথমবার যেন আমি আমার মনকেই চোখের সামনে দেখলাম,
এই প্রথমবার আমার বুকে জন্মানো হাজারও কথা তোমায় নিয়ে, -
ফুটে বেরোল শব্দের আকারে - কিরণ।


- সৌম্যজিৎ।











ঘুম চোখের স্বপ্ন ক্ষণিকেই হারিয়ে যায়।
খোলা চোখে স্বপ্নকে একটু একটু করে সেজে উঠতে দেখলে
সব কষ্টগুলো হারিয়ে যায় নিমেষেই।
যখন তোমার দিকে চেয়ে থাকি পড়তে পড়তে
বা কিছু চিন্তা করার ফাঁকে, লেখার বিরতিতে,
আমি দেখি আমার স্বপ্নকে কিরণ হয়ে ফুটে উঠতে।

-          সৌম্যজিৎ।








অপার হয়ে বসে আছ হে তুমি
দয়াময়ী,
দয়া নয় যদি প্রেম দিতে -
আমি নতশির প্রেমিক হয়ে প্রেরণা করে
মাথায় তুলে রাখতাম
দয়ার সাগরে ডুব দিয়ে মলিনতা মোর হবে না দূর,
আমি শুদ্ধ হতাম প্রেমেরই ছোঁয়াতে। 
কিরণ তুমি প্রকাশিত হও
এ চির জগত সংসারে,
আমার বুক অন্ধকারেই থাকুক,
আমি মিশে যাবো গভীর অলকানন্দে .. 

- সৌম্যজিৎ।





আমি জানি কিরণ তুমি
অধরাই থেকে যাবে চিরকাল ..
যে ভালবাসা,
যে অমর প্রেম আমি তোমার সাথে পেতে চেয়েছি তা 
অপ্রকাশিত অন্যকারোর আমানত ..
আমি জানি .. 

তবু তুমি আমারই সৃষ্টি,
আমি আমার প্রেমে তোমায় অমর করে দেবো চিরতরে ..

 - সৌম্যজিৎ। 






স্বর্ণাক্ষরে তোমায় অমর করে দেবো,
বিনিময়ে দু-ফোঁটা ভালবাসা আমি কখনো চাইবো না তোমার থেকে ..
আমি জানি অসীম মায়া তুমি ধরে আছ ওই দু-চোখে,
তাকালেই আমার মৃত্যু নিশ্চিত -
প্রেমের অতল গভীরে,
তবু আমি মরবো -
চাইবো না কৈফিয়ত,
তবু আমি আর বলবো না কিরণ -
'কেন তুমি ভালবাসনি!'


স্বর্ণাক্ষরে তোমায় অমর করে দেবো,
বিনিময়ে দু-ফোঁটা ভালবাসা আমি কখনো চাইবো না তোমার থেকে .. 

- সৌম্যজিৎ।




তোমার সাথে যা আছে 
সব থাক,
সবাই থাক,
যে তোমার আধার হয়েছে, শূন্য ভরতে ব্যস্ত,
সে'ও তোমার হয়েই থাকুক ..
আমি প্রেমিক,
কবিতার জাল বুনবো আমার প্রেমে,
কবিতা নিয়েই কাটিয়ে দেবো আমার -
প্রেমের বেলা .. 

এ প্রেম শুধু আমার,
এ প্রেমে অধিকারও শুধু আমার .. 

- সৌম্যজিৎ।




তোমার কপালে চুম্বনের এক চিলতে স্পর্শ,
নিস্তব্ধ মনেও 
হাজারও শব্দ কানে কানে এসে বলে যায় তোমায় বলতে .. 
আমার চোখ ফুটে কথা বেরিয়ে আসে,
সাদা চোখ ক্রমশ লাল বর্ণ ধারণ করে
তোমার চোখে অনেক কথা বলে দেয় তবু, -
মুখ ফুটে দুটো কথা বেরিয়ে আসতে পারে না কিরণ .. 

- সৌম্যজিৎ।


প্রেম না থাকলে –
প্রেমিক হওয়া যায়না,
প্রেম আমার অহংকার!
-      সৌম্যজিৎ।



শরীরে যে যন্ত্রণা ওঠে -
পেইনকিলার সে যন্ত্রণাকে নিবারণ করে। কিন্তু
মনে যে যন্ত্রণা ওঠে,
যখন সে যন্ত্রণা মনকে ক্ষত - বিক্ষত করে,
চোখের ভাষাকে রক্তাভ করে তোলে!
মন শুধু সে উত্তর খোঁজে যা তার
নিশ্চিন্ত আশ্রয় হতে পারে।


- সৌম্যজিৎ।









কিরণ,
তোমার প্রতি আমার প্রেম
আমাকে অসহায় করে তুলেছে
তোমাকে তীব্র অনুভব করার মাঝে যে
তীব্র ভালবাসা আমার মধ্যে তিল তিল করে গড়ে উঠেছে, তা -
আমাকে বারে বারে মনে করিয়ে দেয় তোমার মনে আমার প্রতি অবজ্ঞার কথা
প্রেমের আগুন আমি আকণ্ঠ পান করে চলেছি প্রতিমুহূর্তে,
দুর্বল হয়ে উঠেছি,
জ্বলে, পুড়ে ছারখার হয়ে যাচ্ছি, তবু
জিজ্ঞাসু মনকে সঠিক উত্তর দিয়ে
নিশ্চিন্ত আশ্রয়ের ছায়াতলে পৌঁছে দিতে পারছি না কিছুতেই

-         সৌম্যজিৎ









আমার এক বুক ভালবাসা তোমার সামনে ফিকে হয়ে যায়,
আমি মনে রেখে দেবো -
এ ভালবাসা তোমার যোগ্য নয়। 

- সৌম্যজিৎ।


















বুকের ভিতর চিন চিন করে বেড়ে ওঠা যন্ত্রণাটা
আমায় জানান দিচ্ছে
তুমি আমার নও, আমি তোমার নই ..
অথচ আমি আপাদমস্তক,
মনে, প্রাণে তোমারই থাকতে চেয়েছি,
থাকতে চাই।
তোমার কথাগুলি আমার কাছে
বড্ড অবহেলিত অনুভূতির জন্ম দিচ্ছে,
আমাকে ভেঙে লক্ষ কোটি টুকরো করে দিচ্ছে অনায়াসে।
তোমার এই অবহেলা আমায় বলছে
যা। এবার তোর সময় এসে গেছে।
স্বেচ্ছা নির্বাসনের পথে মুক্তিকে খুঁজে নে।

-          সৌম্যজিৎ।










জীবন তো একবারই মারবে,
প্রেম আমায় মারছে বারেবারে ..
- সৌম্যজিৎ।



















রোজ খেয়াল করি মনটা একটু একটু করে দূরে সরে যায়,
যা ভীষণ কল্পনার, যা কখনো না পাওয়ার, মনটা সেদিকেই সরে যায় রোজ .. 
কিরণ তোমায় বই ভর্তি চিঠি দিতে চাই,
মুখে যা প্রকাশ পায় না, চিঠিতে সব লিখে রেখে দিতে চাই সাক্ষী করে ..
তুমি পড়বে! 

- সৌম্যজিৎ।
















তুমি কিরণ।
সৌম্যজিৎ।


আমার সকাল জাগে, আমার রাত নেভে
তোমার ছবিতে,
আমার শ্বাস চলে, আমার বুক কাঁপে
তোমার ছবিতে,
আমার জেগে দেখা স্বপ্নে তুমি,
আমার ঘুমিয়ে থাকা স্বপ্নে তুমি,
শুধু তুমি কিরণ .. 
তুমি জীবন,
তুমি মরণ আমার,
তুমি আমার কিরণ ..

ওই আকাশের জ্যোৎস্না তুমি,
ওই বাতাসে মাখা মেঠো ধুলোর গন্ধ তুমি,
আমার আঁধারে একফালি আলো তুমি,
তুমি কিরণ ..

আমার বুকে জমে থাকা কষ্ট তুমি,
আমার কান্নার হাহাকার তুমি,
আমার মনের ব্যাথা তুমি -
তুমি কিরণ .. 

আমার আনন্দমেলা তুমি,
আমার হাসির ফোয়ারা তুমি,
আমার প্রাণের বাঁশি তুমি -
তুমি কিরণ .. 






















তোমায় বলতে পারিনি -
"
তুমি যতটা আপনজনের মৃত্যু'যন্ত্রণায় কাতর,
আমিও ততটাই কাতর হয়ে আছি তোমার যন্ত্রণাকে অনুভব করে"।
- সৌম্যজিৎ।




















আমার কাছে প্রেম!
সে রোজ আসে আমার লেখার মাঝে,
আমার হৃদয়ের খাঁজে।
আমার কাছে প্রেম এখন পাণ্ডুলিপির পাতায় সেজে ওঠা -
"কিরণ" নামের উচ্ছ্বাস,
যন্ত্রণা,
বুক চিনচিন করে ওঠা আবেগ।
প্রেম এখন আমার কাছে
পাতায় পাতায় ভরে ওঠা অজস্র কল্পনা যা -
সকাল, দুপুর, বিকেল, সন্ধ্যা, রাতজুড়ে বুকের ভিতর লালন করছি,
প্রতিপালন করছি,
বড্ড বেহিসেবি খরচ করছি
অনুভূতি নামক নরম আস্তরণটি।
এভাবেই হয়ত খরচ করতে করতে
জীবনটাকেই কখনো খরচের শেষ পাতায় ইতি টেনে দেবো একদিন! ..


- সৌম্যজিৎ।













আমি জানি এ আমার অসম প্রতীক্ষা,
আমি জানি এ প্রতীক্ষায় আমি
আগুনে পুড়ে ছারখার হয়ে যাবো একদিন,
তবু এ আমার প্রেম।
আগুনে পুড়ে ছারখার হয়েও আমি
প্রেমিক হয়ে বেঁচে থাকবো আজীবন -
অমর হয়ে ..
- সৌম্যজিৎ।

















লাল ঠোঁট,
কাজলে মাখা দুটো চোখ আর
কপালে ছোট্ট কালো টিপটাই -
তোমায় আমি দেখি এই ধরণীর বুকেই
এক অপ্সরা রূপে ..
না জানি আর কোনো অপ্সরা এমন হয় কি 
স্বর্গ - মর্ত - পাতালে! 
তোমার স্নিগ্ধ ললাট বারেবারে
আমার চুম্বন স্পর্শে লিপ্টে যায়,
আর ওই ঘন কালো চুলের নরম স্পর্শ 
আমায় অনুভূত করায় তীব্র নিশ্চিন্তের এক ঠিকানা,
তোমার হাতের স্পর্শে খুঁজে পাই 
চোখ বন্ধ করেও চলার আশ্বাস,
আমি যে প্রেমিক তোমার,
তোমারই প্রেমে আচ্ছন্ন হয়ে কাটাই প্রতি'মুহূর্ত, -
প্রতি'বেলা।
তুমি কাছে থাকো বা দূরে,
তুমি সবসময় আমার সাথেই থাকো কিরণ।
তোমার সাথে কাটানো সমস্ত সময় -
হোক না সে কল্পনার,
তবু আমার,
আমার প্রেমের বেলা। 

- সৌম্যজিৎ।








এ প্রেমে আমার সবটুকু তোমায় দিলাম,
আমার প্রেম অপূর্ণতায় বেঁচে থাকুক চিরকাল।
কেবল তুমিই বুঝি একটুও ভালোবাসলে না,
আমার বুকফাটা হাহাকার আজ পৌঁছে দিলাম। 
সন্ধ্যা ঘিরে ওই মৃদু বাতাস আমার জানালায় এসে উঁকি দিচ্ছে,
দেখছে আমি ঘরে কেমন একলা বিষন্নতায় মিশে,
বুকে কান্না এসে থমকে গেছে,
চোখের কোণে  ভালোবাসা আজ মিছে। 
মিছে নয়, এ আমার প্রেম,
শুধু আমিই জানি ভালোবাসা কত দামী!
আমার সর্বস্ব লুটিয়ে দিলাম তোমায়,
শুধু জেনো এক প্রেমিক তোমায় ভালোবেসে
লুটে গেছে বিভীষিকায়।
কিরণ তবু প্রকাশ পাবে আমার মনে,
স্নিগ্ধ আলো এসে দেখাবে নতুন সকাল,
শুধু কিরণে যে ভালোবাসা আমি বেসেছি,
সে ভালোবাসা শুধু আমার হয়েই থাকবে চিরকাল ..

এ প্রেম শুধু আমারই থাকুক,
শুধু আমার হয়েই থাকুক,
এ প্রেমকে তো তুমি চাওনি কখনো,
এ প্রেমে শুধু আমারই অধিকার বাঁচুক। 

 - সৌম্যজিৎ।