Wednesday, 20 July 2016


একটা চাওয়া।
উৎসর্গঃ তোমাকে মেয়েমা।
সৌম্যজিৎ।


সারাক্ষণ তোমাকে ছুঁয়ে থাকি, 
অনেক দূরে থেকেও তুমি কি বুঝতে পারো আমার অনুভুতি?
গোটা পৃথিবী জুরে তুমি দাপিয়ে বেড়াও, স্বমহিমায় তুমি মুগ্ধ করো অগণিত মানুষকে,
অনেক দূরে থেকে একটা মানুষ, তোমাকে যারা ভালবাসে তাদের পিছনের সারিতে পড়ে থাকা,
এক নিতান্ত সাধারন কেও তোমাকে নিয়ে রোজ নতুন নতুন স্বপ্ন বাঁধে,
তোমাকে অনুভব করে, গায়ে মেখে, মনে মেখে একটু একটু করে গড়ে ওঠে রোজ,
তুমি কি বুঝতে পারো এই মানুষটার ভালোবাসার অনুভুতি?


বড্ড অধিকারবোধ গড়ে উঠেছে আজকাল,
মনের ভিতরে সমস্ত কুঠুরিতে শুধু স্নেহের ছোঁয়া অনুভব করি নিরন্তর,
বড্ড পাগল পাগল লাগে নিজেকে,
আমি বেঁচে থাকি শুধু স্বপ্নগুলো নিয়ে।
বারবার তোমাকে কথা ছুঁইয়ে দিই, অপেক্ষা করি রোজ তোমার একটু কিছু বলার জন্য,
যখন তোমার সেই স্নেহ ভরা কথা দেখতে পাই,
আমি ভরে উঠি কোনো অমৃত সুখে। 

যেদিন তোমাকে সামনে পাবো,
আমি জানিনা, ঠাওর করতে পারিনা সেদিন কিভাবে নিজেকে প্রকাশ করবো,
বুকের দেওয়ালগুলো এখনই কেঁপে ওঠে সেদিনের কথা যখন কল্পনাতে ভাসে,
আমি কি লাফাবো! আমি কি তোমার চারিদিকে গোল গোল হয়ে ঘুরতে থাকবো!
আমি কি নেচে উঠবো নাকি তোমাকে ছুঁয়ে, জরিয়ে ধরে বা কোলে তুলে নিয়ে
খুব জোরে জোরে হাসবো! 
এখনও বিস্ময় লাগে ভাবলে, সেদিন আমি কি করবো! 
তোমাকে কাছথেকে দেখা, কাছে গিয়ে ছোঁয়াতেই যেন পৃথিবীর সব সুখ সব প্রাচুর্য,
তোমার স্নেহ পাওয়াতেই যেন সব পাওয়া,
চাওয়া পাওয়ার কোনো হিসেব থাকতে নেই আর কোথাও কখনো,
তোমার বাইরে আমার সব চাওয়া, পাওয়া শেষ হয়ে যায়। 
আমি তোমাকে শুধু একটু প্রাণ ভরে ছুঁতে চাই,
দূর থেকে অনুভব করি, একটু কাছে গিয়ে তোমাকে ধরে অনুভব করতে চাই,
তোমার নাড়ির স্পন্দনের সাথে আমার নাড়ির স্পন্দন মিশিয়ে দিতে চাই যেন
প্রবাহিত হোক আমাদের রক্ত একই গতিতে,
আর আমার চাওয়ার কিছু নাই।

No comments:

Post a Comment