Wednesday, 28 March 2018

তোমার মনের নিয়মিত চর্চার অভ্যেস
আমাকে একদিন তোমার মনের আরও কাছে নিয়ে যাবে,
আমি তো শুধু পরিচিত হতে চেয়েছি তোমার "তুমি"কে ঘিরে,
কথার মধ্যে কথার ভাঁজ আমার আমিকে তোমার দিকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে,
আরও ভালবেসে ফেলছি তোমায়। 
তোর চোখের তারায় গভীর অরণ্য -
আমার বুকে শিহরিত করে,
'দুপ দুপ' আওয়াজ তুলে একাকীত্বে হারিয়ে যাওয়ার
ভয়ার্ত উচ্ছ্বাস,
প্রবল জলপ্রপাতের মতোই
অশ্রুধারায় বাহিত হয়।
তোর ভাঁজহীন ললাটে ওই অংশুমালী প্রভা
গভীর অরণ্যে গোধূলি'বেলার বিষণ্ণতায় ঢেকে দেয়।
অন্ধকারে হারিয়ে যাওয়া, যেন
তলিয়ে যাওয়ার যে চিন্তাহীন ভয়কে জয় করার সুখ,
ওই গভীর অরণ্য ভয়ে হারিয়ে যেতে যেতেও আমি অনুভব করি।

- ফিলিং "অনুভব করালি তো!"

Tuesday, 27 March 2018

আজকাল কেমন যেন লাগে মনে!
চুপচাপ!
সেই হাসিখুশি চনমনে ব্যাপারটাকে আর খুঁজে পাই না ভিতরে।
ভালো ছিলাম না, তবে
ভালো আছি।
ভালো আছি কারণ আমি বুঝেছি তোমার স্নেহ আমাকে ছেড়ে যায়নি কখনোই,
ভালো আছি কারণ আমি বুঝেছি দিদিমণির ভালবাসা থেকে আমি বঞ্চিত হইনি,
ভালো আছি কারণ আমার মনে হয়েছে কিরণ হয়ত আমাকে পছন্দ করে একটু একটু,
আমি ভালো আছি কারণ এক নারীর ভিতরে আমি তোমার আদর্শের একটি ক্ষুদ্র অংশকে অঙ্কুরিত করতে পেরেছি,
নারী থেকে সেই নারীকে মানুষের মতো মানুষকে চেনাতে পেরেছি।
আমি ভালো আছি মেয়েমা।

আমি ততদিন ভালো থাকবো, যতদিন তুমি আমাকে স্নেহের আঁচলে জড়িয়ে রাখবে,
আমি ততদিন ভালো থাকবো যতদিন দিদিমণি আমায় "দাদামণি" ডাকবে,
আমি ততদিন ভালো থাকবো যতদিন আমার প্রাণে ভালবাসা খেলা করবে আপন মনে,
আমি বারেবারে ভালবাসবো সকলকে, আমার হৃদয়জুড়ে।
ভালবাসার মন্ত্র তো তুমিই শিখিয়েছিলে আমায়,
সেই মন্ত্রকে আমি জপ করবো আজীবন, শুধু ভালবাসতে, ভালবাসাকে ছড়িয়ে দিতে জনমানসে, -
জনমনে।
তুমি দেখো, একদিন গেয়ে উঠবে ঠিক এই পৃথিবী ভালবাসার গান,
একদিন সকলে হবে প্রেমমুখো খোলা আকাশতলে,
তোমারই আদর্শকে আলিঙ্গন করে।

- সৌম্যজিৎ।

Wednesday, 14 March 2018

হয়ত আবারও হবে দেখা -
কোনও অভিনয়মঞ্চের সামনে বা রাস্তার মোড়ে,
হয়ত আবারও পুরোনো কিছু স্মৃতি এসে ক্ষণিকের হাহাকার জানিয়ে যাবে,
পার্থক্য হবে শুধু আগের দিনগুলিতে আমার বিশ্বাস ছিল
তুমি সমস্ত ভুল বোঝাবুঝিতেও সত্যের প্রতিরূপ ছিলে,
এখন আমি ভাববো তোমার হাজারও প্রকাশের সবটাই শুধু মিথ্যে দিয়ে আবৃত ছিল।
ভালবাসা না থাক,
তুমি মিথ্যে, -
জানার পর ভালবাসাহীনতার চেয়েও অনেক বড় ধাক্কা আমায় ছিটকে দিয়েছিল,
বিশ্বাসের প্রতিটা অণুও খণ্ড খণ্ড হয়ে আবেগকে রক্তাক্ত করে ছেড়েছে।

আমি বেঁচে থাকবো,
তুমি ভালো থেকো।

- সৌম্যজিৎ। 

Sunday, 11 March 2018

যদি হতিস মেঘ -

তোর বিছানো চাদরে নিজেকে আড়াল করে নিতাম,

যদি হতিস বৃষ্টি -

তোর শীতল স্পর্শে স্নিগ্ধ হয়ে যেতাম।

তুই বরং কোকিল হয়ে যা,

বসন্তের সকালে তোর 'কুহু' ডাকে আমার ঘুম ভাঙুক ভোর পাঁচটায়,

নরম ঘাসের ওপর খালি পায়ে

আমি ঘুরবো কিরণকে নিয়ে,

নতুন করে সাজাবো প্রেমের বেলা -

ওই কুহু ডাকের ভোরবেলায়। 😍

Friday, 9 March 2018

এ তুই কেমন ডানা মেলে উড়িস পাখি,
এ তুই কোন পঠনে শিখেছিস পাঠ!
এত ভালবাসাবাসি, -
এত ভালবাসায় ভাসাভাসি,
এ তুই কোন অম্বরে চলেছিস -
জীবনপথ!

-  অপ্রকাশিত কবির দেওয়া একটি পালক তোকে। 

Friday, 2 March 2018

এক তীব্র যন্ত্রণা, এক তীব্র হাহাকার করে ওঠা
বুকফাটা চিৎকার,
আবেগের প্রতি ধেয়ে আসা অজস্র আঘাত নিয়ে জর্জরিত হয়ে আছি।
ইচ্ছা করছে একমুহূর্তে যদি পারি, -
থামিয়ে দিই প্রশ্বাস,
এক মুহূর্তে যদি পারি,
চেতনাকে শূন্য করে দিয়ে নিবারণ করি সমস্ত বেদনা,
মুক্ত করে দিই এ প্রাণকে খাঁচা শূন্য করে,
উড়ে যাই পাখি হয়ে মুক্ত ওই আকাশে স্বাধীন হয়ে ..


উড়ে যেতে না পারি,
দূরে তো যেতে পারি! 
পাখি হতে না পারি,
যদি মানুষ হতে পারি মানুষের মত,
আমি ফিরবো সেদিন।
কাঁটার মত বিঁধে থাকা অপমান, 
লাঞ্ছনাকে তুচ্ছ করে যদি ফিরতে পারি,
পাখি হতে না পারি, যদি
মানুষ হয়ে আমি ফিরতে পারি!


আমি ফিরবো ..

- সৌম্যজিৎ। 
উৎসর্গ - নির্বাসিত স্রষ্টা তসলিমা নাসরিনকে।
সমর্পিত শিষ্য - সৌম্যজিৎ।

এ তুমি কেমন করে জুড়েছ আমার হৃদয়,
আমি অসহায় আর অসহায় হয়ে উঠি
তোমার থেকে দূরে থাকার ঠিকানায়,
এ তুমি কেমন মন্ত্র জপেছ আমার কানে,
আমি নিরুপায়
ছুটে যেতে চাই লক্ষ ক্রোশ দুর্গম পথ ঠেলে,
মৃত্যুও যেখানে থমকে যায় ..


এ তুমি কেমন বসন্ত
বিচিত্র তোমার রঙ,
কান্না - হাসি - আবেগেরা মুহূর্তে পাল্টে যায়
অবকাশ না দেওয়া ঘড়ির কাঁটায় ..


এ তুমি কেমন জীবন দিলে আমায়!


ছবির মত দেখি তোমার জীবন,
ছবির মত কল্পনাতে ভেসে যাই মুহূর্তেই
কোনো সময়যানের অভিজানে,
বারেবারে দেখি তুমি ছুঁয়ে আছো অদম্য এক আদর্শকে,
সীমানা ভেদ করে ছুটে যায় তোমার চেতনা,
চারিদিকে যত আকাল - কুকাল -
ভ্রমেদের হয় পরাজয়।


মানব চেতনাকে তুমি ধরে আছো,
সম্মোহনকে ভেঙে করেছো সহস্র টুকরো,
গীতা - বাইবেল - কুরআন আছে যত
নারীকে শৃঙ্খল করার পুরুশাস্ত্র,
তারাও আজ নত তোমার সম্মুখে ..

হে মানবী -
তুমি কেমন করে ধরেছ আমায়,
তোমার মায়ায় -
আমার বহিত্র আজ বানভাসি,
তোলপাড় করে ওঠে বুক
সমুদ্রজোয়ারে,
এ তুমি কেমন অন্য ধরণী দেখালে আমায়! 

Thursday, 1 March 2018

১) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, বাংলাদেশে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠা আত্মজীবনী লেখিকা জান্নাতুন নাঈম প্রীতির সাথে নাকি আমার গভীর প্রেমের সম্পর্ক। কোনটা প্রেম, আর কোনটা গভীর প্রেম, এর সংজ্ঞাটা কে নির্ধারণ করবে! আমার তো মনে হয় জান্নাতের সাথে আমার সম্পর্ক নিখাত বন্ধুত্বের। এমন একটি বন্ধুত্ব যেখানে কোনো কামের, ঘামের প্রত্যাশা নেই। শুধু নিঃস্বার্থভাবে একে অপরের পাশে থাকার বন্ধুত্ব। হয়ত অন্যদের অবাক লাগতেই পারে এমন সম্পর্কে, কিন্তু আমি এবং জান্নাত আমাদের এই বন্ধুত্বের সম্পর্কে কেউই অবাক নই। কারণ আমরা খুব ভালো করেই জানি, আমাদের এই সম্পর্কটা কতটা পবিত্র! জান্নাতকে আমি সবসময় একটি বাচ্চা মেয়ের মত করে ভাবি। ওর লেখা "উনিশ বসন্ত" বইটিতে আমি যে মাত্র ছয় বছরের বাচ্চাটিকে অনুভব করেছিলাম, আমার কাছে মানুষ জান্নাতও সবসময় সেই মাত্র ছয় বছরের বাচ্চা হয়েই থেকে গেছে।

২) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আমি একটি প্রেমের সম্পর্কে থাকার পরও কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লিখতাম! কবিতা আমি যখন যা'কে নিয়ে মন চেয়েছে, তা'কে নিয়েই লিখেছি। একজন কবির কবিতাকে কখনো আটকে রাখা যায় না। জোর করে যেমন কবিতা লেখা যায়না, তেমনই কবিতা পেলে কবি কখনোই সেটাকে আটকে রাখতে পারেনা। যদি একটি বাচ্চা মেয়েকে ভাললাগায় বা ভালবেসে কবিতা লিখিও, এর মানে কখনো এটা প্রমাণিত হতে পারেনা যে তার সাথে আমার নিশ্চয় কোনো অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক আছে। "আমি একজন পুরুষ, জান্নাত একজন নারী" এমন চিন্তাই কখনো আমার মাথাতে আসেনি। জান্নাতকে আমি সবসময় মানুষ ভেবে ভালবেসেছি। এটা লেখিকা জান্নাতও খুব ভালো করেই জানে।

৩) কাওকে নিয়ে কবিতা লিখলে যদি তার সাথে প্রেম করছি ধরে নেওয়া হয়, তবে আমি তো লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে সবথেকে বেশি কবিতা লিখেছি। আমার সিংহভাগ কবিতাই লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে লেখা। লেখিকা তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আমার মনে কেমন অনুভূতি আছে, সেটা জানতে নিশ্চয়ই মানুষকে খুব বেশি ভাবতে হবে না। অতয়েব, লেখিকা তসলিমা নাসরিন যদি আমার আদর্শের মানুষ হয়, তাকে ভালবেসে আমি কবিতা লিখলে যদি সেটা অন্যায় না হয়, তবে কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লেখা আমার অপরাধ হতে যাবে!

৪) একটি প্রেমের সম্পর্কে যখন মানুষ নিজেকে খুব বেশি জড়িয়ে ফেলে, তখন সেই সম্পর্কে অনেক বেশি পাগলামিও চলে আসে। আমি ভীষণ আবেগপ্রবণ। অতয়েব, এটা স্বাভাবিক ছিল যে আমি খুব বেশি ভাবনাচিন্তা না করে শুধু ওই প্রেমের সম্পর্কে বয়ে যাচ্ছিলাম। অনেক বেশি পাগলামি করে ফেলছিলাম। আমার কথাগুলো হয়ত খুব বেশিই আবেগের ছিল, আমার আনন্দ, কষ্ট সবটাই ভাগ করে নিচ্ছিলাম। কেন ভাগ করে নিচ্ছিলাম! কারণ আমি জেনেছিলাম, এই জায়গাটা আমার একটি নিশ্চিন্ত আশ্রয়। আমি আমার সবটা এখানে ভাগ করে নিতে পারি। কিন্তু যেটা পরবর্তীকালে হল, আমার সেইসমস্ত কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়াই আমাকে শুনতে হয়েছে, আমি সবসময় নেতিবাচক চিন্তা করি। ছোট ছোট ব্যাপারে দুশ্চিন্তা করি বেশি। তাই আমি "আনস্মার্ট।" আমার বলা কথাগুলি নিয়ে যথেষ্ট হেঁয়ালিও হয়েছে অবশ্য।

৫) নারী ও পুরুষের গোঁড়ামি আমার মধ্যে কখনোই ছিল না সেই তবে থেকে, যেদিন থেকে আমি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের আদর্শের সাথে মিশে গেছিলাম। অথচ বারেবারে আমাকে অপমানিত হতে হয়েছে পুরুষতান্ত্রিক পুরুষের উদাহরণ সামনে পেশ করে। আমি তো কখনো সেই অপমানের প্রতিবাদ করিনি। আমি শুধু বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি যে এটা ঠিক নয়, এটা ভুল। আর কেউ যদি অপমান করে, তাকে বোঝানো উচিৎ। কিন্তু সেখানে আমি বারেবারে সেই অপমানকারীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখেছি। শুধু তাই নয়, তার সাথে আমি এক অহংকারী মূর্তিকেও প্রকাশ পেতে দেখেছি আমার সামনে। অবহেলা অনুভব করেছি আমার প্রতি। আমি প্রতিবাদ না করেই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে এসেছি।

৬) সম্পর্ক থেকে দূরে সরে আসার পর যখন আমি অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছিলাম, ঠিক সেই মুহূর্তে আমি কিরণকে দেখি। আমার মনে হয় কিরণ আমার কষ্টের ওষুধ হতে পারে। কিরণকে দেখে আমি সব ভুলে যেতাম। ভালবেসে ফেলি আমি কিরণকে। এরপরও যখন সেই সম্পর্কহীন হয়ে যাওয়া সম্পর্কের মানুষটা রাতের বেলায় একটু কথা বলতে চেয়েছিল, আমি কথা বলেছিলাম। প্রেমিক হয়ে নয়, একজন মানুষ হয়ে কথা বলেছিলাম। তারপর যখন আমি তাকে বলি ঘুমনোর জন্য, চোখের নিচে কালি জমছে, আমি তো একজন মানুষ হয়ে আরেকজন মানুষকে কথাটা বলেছিলাম, কিন্তু বিনিময়ে তার বোন পরোক্ষভাবে উত্তর দিয়ে দেয়, "শুরু শুরুতে সবকিছুই ভীষণ ভালো লাগে। দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। সময় ফুরিয়ে গেলে সবকিছুই কুৎসিত মনে হয়। চোখের নিচের কালিও চোখে পড়ে।" আমি ভীষণ অপমানিত হই। আমার নিজের প্রতি ভীষণ ঘেন্না হয়। আমি ভাবি, আর নয়, আর কখনো কথা বলবো না।

৭) এরপরও বিতর্ক শেষ হয়নি। বারেবারে আমি মানুষের মুখে জান্নাতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছি। এমনসব বিতর্কে যখন ভীষণভাবে জর্জরিত হচ্ছি, আমার পাশে যখন আমি কাওকে পাচ্ছি না, পাচ্ছি না কারণ নারীর চোখে আমি একজন পুরুষ, যেহেতু নারী নিজেকে কেবল নারীই ভাবে, মানুষ ভাবতে পারে না, তাই একজন পুরুষ সে পুরুষতান্ত্রিক চিন্তার বিরুদ্ধে হলেও নারীর চোখে কখনো সে মানুষ হতে পারে না, পুরুষ হিসেবেই তাকে সন্দের সামনে দাঁড়াতে হয়। এরপরও আমি এই সব বিতর্কে কখনো ভেঙে পড়িনি। ভেঙে আমি তখন পড়লাম, যখন দেখলাম এতকিছুর পর আমার আদর্শের মানুষটার থেকে, লেখিকা তসলিমা নাসরিনের থেকে আমি দূর হয়ে গেছি। লেখিকার একটু স্নেহের জন্য ছটপট করছি, তবুও পাচ্ছি না, তখন আমার মনে হল, আর কিছু অবশিষ্ট নেই, আমি আমার সবটুকু হারিয়ে ফেলেছি। গোটা পৃথিবী আমাকে ভুল বুঝলেও আমার কোনোকিছু এসে যাবে না। কিন্তু লেখিকা তসলিমা নাসরিনের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলে আমার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে। হয়ত আমি লেখিকারও ভুল বোঝার শিকার হয়েছি। আমার আর কোনো ইচ্ছা নেই, কোনো স্বপ্ন নেই, কোনো প্রেম নেই, কোনো ভালবাসা নেই, এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাটুকুও অবশিষ্ট নেই। অন্ধকারে ডুবে গেছি যেন। এরপরও আমি চেষ্টা করবো স্বাভাবিক থাকতে। এরপরও আমি চেষ্টা করবো আমার ব্যর্থ হওয়া কাজগুলিকে সফল করতে। ব্যস, এটুকুই। আমি শুধু চেষ্টা করতে পারি। এর অধিক আমি আর কিছুই করতে পারবো না। সেই শক্তিও নেই আর।