আদর্শের লড়াই।
উৎসর্গ- তসলিমা নাসরিন কে।
সৌম্যজিৎ।
মানুষগুলোকে অসহায় করে রেখেছে, খুন করাচ্ছে, হিংস্রতা ছড়িয়ে
হিংস্র রাক্ষস বানিয়ে পথে ঘাটে, স্কুল, কলেজে জিহাদি কারবার করছে।
মানুষগুলো আর মানুষ নেই, নেই ওদের কোনো মানুষী পরিচয় গর্ব করার মতো,
ওরা আজ রাক্ষসকূলে নাম লিখিয়েছে ইসলামকে হেফাজত করতে।
জিহাদি সম্মোহন ঘিরে ধরেছে ওদের,
চূর্ণ করছে মানবিকতা,
ওরা হারিয়েছে মানহুশ তাই-
বিকিয়েছে মস্তিষ্কের চিন্তা।
তুমি কাদের জন্য লড়ছ!
বছরের পর বছর ধরে, এত অপমান, অসম্মান সহ্য করে যাচ্ছ,
প্রকাশ্যে তোমাকে মারতে এসেছে,
প্রকাশ্যে তোমাকে ধর্ষণের কথা বলেছে,
প্রকাশ্যে তোমার বস্ত্র খুলে বিবস্ত্র করতে চেয়েছে ওরা।
তুমি কি মানুষ!
মানুষেরও সহ্যের একটা শেষ সীমা থাকে,
তুমি মানুষের সেই সীমা পার করে গেছ,
তবু এত শান্ত, হাসি মুখে নতুন লড়াইয়ের প্রস্তুতি নিচ্ছ,
রোজ রোজ নতুন লড়াই লড়ে যাচ্ছ মানবিকতার খাতিরে, আদর্শ প্রতিষ্ঠা করতে।
সত্যিই তোমার মনের নাগাল পাওয়া বড় দুষ্কর!!
লৌহ কপাট চূর্ণ করো, ছিন্ন করো পায়ের শেকল,
মানবে না হার, যত আসুক সামনে বেহায়া খুনির দল।
ওরা মাতে ধর্মের নামে, ওরা ধর্মের দোহায়ে রংবাজি খ্যালে,
ওরা নিশ্চিন্তে মানুষ মারে রাজনীতির ছত্রতলে।
ঐ দ্যাখো যত আছে হার্মাদ, খুনির শেকড়গুচ্ছ,
সবাই ওরা মানুষ খেকো, ধর্মজালে কারারুদ্ধ।
ওদের পায়েই শেকল বাঁধা, কুয়োর কিটে জীবন বাঁচা,
সমুদ্রের স্বাদ পাইনি তাই, মুক্তি ওদের প্রাণ নাশায়,
হাসতে হাসতে খুন করা ওদের ধর্মে লেখা।
ভণ্ড মানুষ, ভণ্ড জাতি, জাতেই ওদের গোঁড়ামি,
রক্ত নদীর স্রোতে ওরা ভাসাতে চায় মানবজাতি,
হিন্দু-মুসলিম ভিন্ন নামে, ভিন্ন কথা, ভিন্ন সুরে,
উদ্দেশ্য ওদের একই- খুনের নামে সন্ত্রাসী।
মানবে না হার, যত আসুক সামনে বেহায়া খুনির দল।
ওরা মাতে ধর্মের নামে, ওরা ধর্মের দোহায়ে রংবাজি খ্যালে,
ওরা নিশ্চিন্তে মানুষ মারে রাজনীতির ছত্রতলে।
ঐ দ্যাখো যত আছে হার্মাদ, খুনির শেকড়গুচ্ছ,
সবাই ওরা মানুষ খেকো, ধর্মজালে কারারুদ্ধ।
ওদের পায়েই শেকল বাঁধা, কুয়োর কিটে জীবন বাঁচা,
সমুদ্রের স্বাদ পাইনি তাই, মুক্তি ওদের প্রাণ নাশায়,
হাসতে হাসতে খুন করা ওদের ধর্মে লেখা।
ভণ্ড মানুষ, ভণ্ড জাতি, জাতেই ওদের গোঁড়ামি,
রক্ত নদীর স্রোতে ওরা ভাসাতে চায় মানবজাতি,
হিন্দু-মুসলিম ভিন্ন নামে, ভিন্ন কথা, ভিন্ন সুরে,
উদ্দেশ্য ওদের একই- খুনের নামে সন্ত্রাসী।

