Monday, 24 August 2015





আজ তুমি ভীষন ব্যস্ত,
সবদিনই থাক, তবে আজ একটু বেশি।
জানি আজ আমার লেখা ঠাই পাবেনা তোমার চরনে,
তবু দূর থেকে দেখে এটুকু শান্তি, আমার লেখিকা আজ
বিশ্বজুড়ে মন কেড়ে নিয়েছে।
পুরুষ শাসিত সমাজে একা, অগ্নিবিনার সুর ঝংকার সৃষ্টি করে,
চির যৌবনের দূত রূপে বাংলা কাব্যে তুমি আবির্ভুত হয়েছ।
                                                                                  শুভ জন্মদিন।

আমি "ব্রাত্য "

সৌম্যজিত দত্ত।

"ব্রাত্য" আমি তোমার কাছে,
এ জীবন ঘুরছে আলে ডালে,
তুমি তো আছ শুধু চিন্তায়।

কোথায় হারিয়ে গেল তোমার সেই দেওয়া কথা?
"শান্ত, আমি আছিতো।"

ঠিক, ভুলের অনেক অঙ্ক মিলে গেল,
কিন্তু ভুলটা শুধু আমারি।
দাঁড়িপাল্লায় আমি ভুলের সাথে আজ 
ঠিকটাও মিলিয়ে দিয়েছি।
ভুলটা দেখেছ পাশে থেকে,
ঠিকটা দেখবেনা?

ব্রাত্য যে আজ তোমার কাছে,
এ জীবন ঘুরছে আলে ডালে।
তুমিতো আছ শুধু চিন্তায়।

Friday, 21 August 2015

অপূর্ণতা। 

- সৌম্যজিৎ।

অচেনা রাতের বিলাসিতা,
তোকে ছাড়া কোন ধৃষ্টতা,      
আগুনে পুড়ে আজ খানখান,
মনেতে তুই আর তুই প্রাণ ..
ফিরে আয়, ফিরে আয়,
ফিরে আয়  ......

কাগজে খসখস পেনের খোঁচা,
তোকে ছাড়া বুকে শূন্যতা,
স্বপ্নেতে তুই আসিস বারেবারে,
সিঁদুরে লাল রঙে রাঙা মাথা  ....
ফিরে আয়, ফিরে আয়  ....
তুই চলে আয়।

বালিশে মুখ গুজে বারেবারে
ফুপিয়ে কান্নাতে কেঁপে ওঠা,
হারানো স্মৃতিগুলো খুঁজে বেড়াই,
তোকে নিয়ে বাঁধা স্বপ্নটা,
কাছে আয়, কাছে আয়...
ফিরে আয়।

Thursday, 20 August 2015

ঘরটা
                            ----------------সৌম্যজিত দত্ত

ঘরটা তুই ছিলিস আমার-

বারান্দার এক কোণে ,

ঘরটা তুই ছিলিস আমার মনের

মধ্যিখানে।

 

তোর মেঝেতে কত দুপুরে

খেয়েছি গড়াগড়ি ,

এদিক ওদিক সমস্ত দিকে

বইয়ের ছড়াছড়ি।

 

তোর কি আজও মনে আছে

সেই বিকেলের কথা?

যেদিন তোর গায়ে মুখ লুকিয়ে বলেছিলাম,

আমার মনের চাওয়াটা।

শুধু তো তুই শুনতে পেয়েছিলিস সেদিন,

আর তো কেউ শোনেনি।

 

ঘরটা তুই ভালো আছিস তো?

তোর দেয়াল গুলো এখনো কি স্থির?

আমি জানি তোর অভিমান,

তুই যে আজ তালাবন্দি।

আমি গেলে,

তবেই তোর মুক্তি।



ঘরটা তুই দেখে রাখিস আমার বই গুলো,

আমার প্রানের খোঁজ যে এখনো তোর মুঠোয়।

লুকিয়ে রাখিস সযত্নে,

গোলাপ আঁটা হার্বেরিয়াম  বইটা,

ওটা যে আমার প্রাণ খোলা প্রেমের

সেই হারিয়ে যাওয়া স্মৃতি,

এখনো বেঁচে আছে তোর বুকে।

Sunday, 16 August 2015

                    ভাললাগার শুরু
               
                    সৌম্যজিত দত্ত।


১৬ ই আগস্ট, ২০১৫। সারাদিনের কষ্টের পর, রাতে একজন এর সাথে পরিচয় হলো। বেশ কথা বলছিলাম, ফর্মালিটি মেনটেন করেই হচ্ছিল সবটাই। অনেক চুপ থাকার পর হঠাত করে, ভুলবশত অথচ মিষ্টি কোনো কারনে হেসে ফেললাম। কি অদ্ভুত জীবন, যখন হাসতে চাই, পারিনা, আবার কখনো নিজের অজান্তে হাসির কোনো কারন ঘটে যাই, আমরা হেসে ফেলি। ভাল লাগলো।

ভালো লাগলো কথা বলে, আমি আর প্রেমে পড়তে চাইনা।  অনেক কস্ট দেয় এই প্রেম, কিন্তু এই ভালোলাগার কি কোনো পরিনাম আছে? আমি জানিনা। যদি কখনো ভালোবেসে ফেলি, চুপ করে থাকবো, প্রকাশ করবনা কখনো। প্রকাশ করলেই যদি হারিয়ে ফেলি?

"মাথা ভর্তি কোকড়ানো চুল ওর, মুখে একটা মিষ্টি হাসির ছোয়া, চোখে টানা কাজল, গভীর কালো চোখ, কপালে আঁকা ছোট্ট টিপ। গলায় লাল ওরনা জড়ানো। অসম্ভব সুন্দর লাগছে ওকে।"

অদৃষ্টের কাছে সুধু একটাই অনুরোধ আমার, আমাকে ভালবাসতে দিওনা। বারবার দেখতে ইচ্ছা করছে ওকে। আমি তো এটাও জানিনা, ও কাওকে পছন্দ করে কিনা? কাওকে ভালবাসে কিনা? তাহলে, এখন যদি আমি ভালবেসে ফেলি, কিন্তু ও যদি ভাল না বাসে, কষ্টটা আমারি হবে।

তাহলে এক কাজ করা যাক, চুপি চুপি দেখবো শুধু, মনে মনে ভাললাগাটা থাক, প্রকাশ করবনা কখনোও।
সামনের দিন গুলোতে দেখি কি হয়?

Wednesday, 12 August 2015

it has been frustrating these days that i am not been able to protest for secularism. all the sight wherever i attended, i have seen increasing dramas of political leaders, religious and conchy persons are minimizing the confidence of common people and they are being used to satisfy the level expected by monitors (as stated before- political leaders, religious and conchy persons).
here, i can break their calculation, so that i am asking for your permission. i really would be beholden.

Monday, 10 August 2015

sorry, i strongly apologise that i expressed my sense about this malevolent society. is that what the legends wanted to see? this is the question, we should ask ourselves.

what is the proper education? what is the importance of education? are we actually educated persons? if we got proper education, then why do people think the men are only the driver in our society? men and women, we study together, we grow up together. women are becoming IAS, IPS, doctor, lawyer...but in spite of being respected in society, they are judged as the second priority by that society. this is our education.


since today, i am gonna stop writing, i am gonna stop asking questions for women. i am gonna stop writing for human right. but no-one can stop me to think.

Sunday, 9 August 2015





some lines about the fight of vidyasagar by taslima didi, it may motivate us----


" ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর ধর্মের ভালো দিকগুলো সামনে এনে ধর্মের মন্দ দিকগুলো হঠাতে চাইতেন। বিধবা বিবাহকে বৈধ করার জন্য, আর মেয়েদের শিক্ষা চালু করার জন্য মানুষের দ্বারে দ্বারে ঘুরেছেন। খুব সামান্যই সমর্থন পেয়েছেন। মানুষ তাঁকে কী অপমানই না করতো, তাঁর বিরুদ্ধে কী কুৎসিত কথাই না বলতো। এমনকী তাঁকে লক্ষ্য করে ঢিলও ছুঁড়তো। তারপরও দমে যাননি বিদ্যাসাগর। মেয়েদের প্রাপ্য অধিকার আদায়ের জন্য একটা প্রচণ্ড নারীবিরোধী সমাজে অনেকটা একাই লড়েছেন। কোনও নারীবাদীই কোনও অন্ধকার সমাজে সম্মান পায় না। সম্মান পায় আলোকিত সভ্য সমাজে। "

Saturday, 8 August 2015


                ধর্মের বিজনেস।

                       সৌম্যজিত দত্ত।

এইতো সব পরিস্কার, একদিকে রাজনীতিবিদ'গন একদিকে গোড়ামি ও মৌলবাদ। গেম টা বিশাল। আপনি গরিব, আমি মাফিয়া, আমাদের মাঝে আছে এক বেড়ে ওঠা বিজনেস ম্যান আর আছে সুবিধাভোগী বিশাল বড়লোক। দাড়ান, দলে একটা হিংস্র গুরু নিয়ে নিই , যে ঠান্ডা মাথায় আমাদের পথ প্রদর্শন করবেন। এবার মোটামুটি ঠিক ঠাক লাগছে। সুন্দর প্লট।

           আমার কাজ হলো মানুষ কে ভয় দ্যাখানো, আমি গুন্ডা এই গল্পে। তোলাবাজও বলতে পারেন। তা আমি ওই বেড়ে ওঠা বিজনেস ম্যান কে প্রথমে ভয় দ্যাখলাম, "খোকা" চাইলাম। ভদ্রলোক অতি ভদ্র। যথারীতি আমার হুমকি অগ্রাহ্য করে গেল। আমিও তেতে বেগুনপোরা হয়ে উঠলাম।  তাকে আপনাদের মত গরিব মানুষদের সামনে এনে কুপিয়ে মারলাম। তারপর আপনাদের শাসিয়ে গেলাম, কেউ যদি মুখ খুলিস , তাহলে তোরও এমন হাল করবো। আপনারা ভয়ে চুপ থাকলেন, এবার স্বমাজে আমি প্রতিষ্ঠা পেলাম। মাফিয়া, তোলাবাজ থেকে আমার প্রমোশন হলো, এখন আমি একজন কিল্লার। প্রফেশনাল কিল্লার।  সবাই ভয়ে সমীহ করে চলে।  আমার সাথে পাঙ্গা নিলে চাঙ্গা হয়ে যাবে ভয়ে সব আমার পায়ে এসে পরলো। 

      এবার পালা ওই সুবিধাভোগী বড়লোক এর।  সে নিজের সুবিধার জন্য আমাকে দিয়ে নানা ব্যবসায়িক নীতিকাজ করাতে শুরু করলো, আমিও লাফাতে লাফাতে আরো বড় হতে শুরু করলাম। আমার হিংস্র গরু বন্ধুটাকে সরি গুরু বন্ধুটাকে সাথে নিলাম। কারণ ধর্ম মানুষ কে দুর্বল করতে পারে। তাতে ওই বিশাল বড়লোক মানুষ টা স্বমাজে কতৃত্ব করতে করতে পারবে সহজেই। গুরু বন্ধু সবার মধ্যে আমাদের সুবিধামত সাজিয়ে গুছিয়ে ধর্মের শিক্ষা দিতে শুরু করলেন।  মানুষও সেই ধর্মের মোহ'র জালে জড়িয়ে গেল। ফলে এখন আমাদের রমরমা বাজার। আমার গুরু বন্ধু এখন ধর্মগুরু, আমার পজিশান আমি এখন বিশাল বড়ো মন্ত্রী। গোটা দেশ আমার আন্ডারপ্যান্ট এখন। আর ওই বড়লোক মানুষ টা আমার গড-ফাদার। উনি আমাকে রিমোট করছেন, আমি দেশ চালাচ্ছি , ধর্মগুরু ধর্ম ছড়াচ্ছেন। 

            আমাদের বিজনেস এবার একটু সংকটে।  কিছু সাধারন মানুষ ধর্ম মানতে চাইছেনা।  আর তাদের নেতৃত্ব দিচ্ছেন "তসলিমা নাসরিন " নামক এক  সামান্য নারী।  আমাদের বিজনেস আরো সংকট এ আসতে শুরু করেছে। দিনে দিনে নাসরিন ভক্ত বাড়ছে, ধর্ম ভক্ত কমতে শুরু করেছে।  ওদের থামাতে হবে। আমার গড ফাদার, আমি আর আমার গুরু বন্ধু পরামর্শ করে ঠিক করলাম, কিছু অন্ধ ধর্ম ভক্তদের দিয়ে নাসরিন ভক্ত বজ্জাত ব্লগারদের  কুপিয়ে মারতে হবে, যাতে ক্ষমতা আমাদেরই দখলে থাকে চিরকাল।  যেমন কথা, তেমন কাজ।  শুরু হয়ে গেল গলা কাটা। এখন আবার সব আগের মত স্বাভাবিক হচ্ছে , আমাদের শক্তি বজায় থাকছে , সাধারন মানুষ ব্লগ লেখার উত্সাহ হারাচ্ছে , নাসরিন গলা ফাটাক বাইরে থেকে। ক্ষমতা আমাদেরই বজায় থাকছে, আর থাকবেও। 


                 (তসলিমা দিদি আমার এই লেখা আমি আপনাকে অসম্মান করে লিখিনি, কিছু ভুল হলে আমাকে ক্ষমা করবেন, আমি আপনাকে ভীষণ শ্রদ্ধা করি। )

Friday, 7 August 2015

বাংলাদেশ এ আরেক ব্লগার নিলয় নীল কে কুপিয়ে মারা হলো। যারা মারল, তারা মারার সময় নাকি বারবার আল্লাহ হকের নাম করেছেন। নিজেদের আল্লাহ এর নেক বান্দা বলে ওই হার্মাদ গুলো। আল্লাহ কাউকে মারতে শেখায় না , এই খুনী গুলো মারাত্মক ভীতু। শুধু ওরা কেন? আমাদের হিন্দু দের মধ্যেই বা কম কীসে? এরা ধর্মের গোড়ামি পছন্দ করে, কারন এরা ভয় পাই, যদি মানুষ বেশি স্বাধীনচেতা হয়ে ওঠে, তাহলে স্বমাজে ওদের আধিপত্য কমে যাবে, ওরা অচল হয়ে পরবে। ধর্ম মানুষের কল্যাণ করে, যেকোনো ধর্ম মানুষের জন্য মানবিকতার পাঠ পড়াতে চাই। মুশকিল হলো এই গোড়া ধার্মিক গুলো কে নিয়ে। এরা ধর্মের 'ধ' জানেনা, অথচ আল্লাহ, ঈশ্বর, ভগবান বলে চেঁচায়। এদেরকে শিক্ষা দিতে হলে সিস্টেম এ ঢুকে শিক্ষা দিতে হবে, কারন সংবিধানের ভিতরে কোরাপশন ঢুকে আছে, আর কে কি করবে আমি জানিনা, কিন্তু আমি ওদের ছেড়ে দেবনা। আমাকে এর জন্য সিস্টেম এর মাথায় উঠতে হবে। উঠব।

Thursday, 6 August 2015







               গোটা মনের মধ্যে যেন একপ্রকার বিষক্রিয়া ঘটে যাচ্ছে।  ভালবাসার বিষ রন্ধ্রে রন্ধ্রে ছড়িয়ে পড়ছে।  বারবার করে ভেবেছি, ভালবাসবোনা কখনো, তবু টেষ্টস্টেরন হরমোন বাধ্য করেছে প্রেমে পড়তে, ভালবাসতে। বুকের মধ্যে যেন ডামাডোল বেজে চলেছে। হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে যেমন হয়, ঠিক তেমনটা।


                  ভাবতাম মনটা ভিষণ শক্ত।  যত যাই হোক না কেন , কষ্ট  কিছুতেই পাবোনা। কিন্তু না, মন যখন আছে, কষ্ট পেতেই হবে, নইলে চলবে কীভাবে? আজ আমার সামনে দুটো রাস্তা, ১. হয় নিজের সততা কে বলি দিয়ে, সেই ভালবাসা কে ছিনিয়ে নেওয়া, ২. ভালবাসা কে বলি দিয়ে নিজের সততা কে বাঁচিয়ে রাখা। আমি তো ভীষন অস্থির হয়ে পড়েছি। তবু একটা সিদ্ধান্তে আসতেই হবে। নিজের জীবন  নিয়ে খেলা করতেই পারি, কিন্তু তোমার জীবন নিয়ে খেলার কোনো অধিকার আমার নেই। তুমিই আমাকে কোনো উপায় বলে দাও ইন্দু। আজ আমি বড্ড ক্লান্ত।

Wednesday, 5 August 2015

                 

সততা, আদর্শবোধ ও জাতীয়তাবাদ আমাদের ধর্ম।

-------সৌম্যজিত দত্ত।




মা'এর আবদার রাখতে দক্ষিনেশ্বর মন্দিরে পূজো দিতে যাই। আবদার টা ছিল দুটো কারণে।  ১. বাইকে করে যাওয়া , ২. মা মানসা করে ছিল কোনো একটা কামনা পূর্ণ হলে, যা আমি জানিনা , তবে মা গঙ্গা তে একটা লাল পেরে শারী, আলতা ও সিন্দুর দান করবেন। এমনিতে বাড়িতে মা ধর্মে বিশ্বাস করে, আমি পুরোদস্তুর ধার্মিক। ঈশ্বরে বিশ্বাসী। কিন্তু আমার ধর্ম বাকি ধর্ম ভীরু মানুষ দের সাথে কখনো মেলেনি। যাইহোক, আসল ঘটনা হলো মা মানসা করেছে, তাই ওই জিনিস গুলো নদীতে দিতে হবে।  কিন্তু ওই জিনিস গুলো মা একজন সধবা মহিলা বলে দিতে পারবেনা। এমনটা পুরোহিত এর বিধান। এমনিতে পুরহিত দের সাথে আমার কোনদিন মত মেলেনি। তবু ঈশ্বর এর হয়তো এমন কোনো ইচ্ছা ছিল, কারণ আমার মনের মধ্যে একটা জিনিস বারবার চলে আসছিল, ওই প্রয়োজনীয় জিনিস গুলো শুধু শুধু জলে যাবে ? যদি কোনো মানুষ কে দান করা যেত, সে উপকৃত হতে পারত।

       অতয়েব মা দিতে পারবেনা বলে দায়ভার আমার উপর চলে আসে, আমাকে ওই জিনিস গুলো নদীতে দিতে হবে।  আমি প্রথমে গঙ্গা স্নান সেরে জিনিস গুলো নদীতে দিতেই,
স্রোতের টানে ভেসে ওগুলো এক গরীব সধবা মহিলার হাতে চলে গেল। আমি নিশ্চিন্ত হলাম সেখানে।

      তার পরই, ভেসে উঠল নিষ্ঠুর কিছু বিচার। সবাই মন্দির এর বারোটা শিব ঠাকুর এর মাথায় দুধ ঢালছে, সেই দুধ পাইপ দিয়ে গঙ্গা তে এসে মিশছে, অথচ মন্দির এর বাইরে এত ভিখারী, তাদের ভাগ্যে শিকে টুকু জুটছেনা। এখানেই শেষ না, পুজারী দের দক্ষিনা জুটছে ১১ টাকা, ৫১ টাকা , ১০১ টাকা ও ৫০১ টাকা করে, কিন্তু আবার তারাই মানুষ কে সামান্য ভুল এর জন্য বড় বড় অভিশাপ দিচ্ছে। বাইরের ভিখারি গুলো ১ টাকা পেলেও ভাল কিছু প্রার্থনা করে আমাদের জন্য।

       আসলে আমাদের দেশে পুরোহিত ও পুজারী গুলো একচেটিয়া রাজত্ব করছে। তারা মানুষ এর কাছথেকে এক হাতে দক্ষিনা নিচ্ছে, আবার সরকার তাদের নানা ভর্তুকি দিচ্ছে। অথচ তাদের কাছ থেকে কোনো ট্যাক্স নেওয়া হয়না। তারা যা বিধান দেন, তা যত কঠিন ই হোক না কেন? মানুষ তা মাথা পেতে নেবে।

    আমি স্বীকার করি আমি ধার্মিক। কিন্তু আমার কাছে মানুষ ধর্ম সবথেকে বড় ধর্ম। ধর্ম মানুষের মধ্যে চেতনা আনে, কিন্তু যারা ধর্ম কে নিজেদের স্বার্থে ব্যবহার করে মানুষের ওপর নানা বিধান দেন, তারা কখনো প্রকৃত ধার্মিক হতে পারেনা, তারা ধর্মের নামে অধর্ম করে।  সব থেকে বড় অধার্মিক তারা, ভন্ড তারা। কোনো ধর্ম মানুষের অকল্যাণ করতে পারেনা, কিন্তু ধর্ম কে ব্যবহার করে ধর্মের নামে মানুষের ক্ষতি করছে এই অধার্মিক গুলো, আর নিজেদের ফায়দা লুটতে এদের প্রতক্ষ ও পরোক্ষ  ভাবে প্রশ্রয় ও সাহায্য করে যাচ্ছে দেশের বড় বড় রাজনীতিবিদ'রা।  এসবের মধ্যে ধুঁকছে আমার দেশ, সাধারন মানুষ।


                                                             

 
eije somaaj, koto rokomer khheyal, danga, maramaree, pokshopatitwo..
eta sudhhu samajik obokshoy..
somaaj chetonay amon osuvo-sokti sudhhu bikolangota upohhar dite pare.
ei somaaj, ei desh sudhhu amar. amar somaaj-e amon sob ghhotona jodi amake bythhito korte pare, tobe ghhure daranor jonyo ami sei sokti ke aahhwan janate pari, je sokti nimeshe sei somosto ondhhokar'ke puriye debe. gyan chokhh amader mostisker bikash ghhotai, amon onek ghhotona achhe je jaiga gulote amader sei gyan chokhh'ke obilombe jagiye tulte hobe. onek dristanto achhe amon jekhhane ami somaajer purushtontro ke beshi kore aaskara pete dekhhchhi.

rasta'te narijatike osleel vasay sombodhhon kora hochchhe, bivinno jaygai- bivinno kshetre tatder nanan vabe opomaan kora hochchhe, slilota hanir chesta, dhharshan. abar kichhu kshetre meyeder ghhor bondi korar chesta cholchhe. tader sadhhinotate hostokshep kora hochchhe, tader kajer jayga gulo bondhho korar chesta cholchhe. amar ak vison priyo didi, uni akjon assistant professor, onake nijer kajer jaygai nana rokom osubidhhar sommukhhin hote hochchhe, gramtontrer voye take gutiye thhakte hochchhe onekta, abar biyer jonyo chesta kora hole, patro poksho chesta korchhe tar kajer jayga take chhete felte. patri je jaygai kaaj kore, amon jaygai kaaj korle keu patrosthho korte chaichhena. eta asole purushtontrer akta borbor o nitanto osamajik arajokota. ami sudhhu amon byabosthhar teebro ninda korbona, ninda tara kore, jara durbol. dorkare ami rastay amon purushtontrer birudhdhhe lorayte nambo. nari sokti ami chhotokal thheke peye esechhi, je karonei hok, meyera amar sathhe suru thheke achhe. tader vai, dada hoye ami sobsomoy tader pase thhakbo.
sudhhu ekhhanei sob sesh noy, akta meye jokhhon ghhorer bou hoy, tokhhon take swosur barir nana abdar metate, swosur barir somman korte, swamir chahhida metate nijeke boli dite hoy sobsomoy, nijer chaoa-paoa sobtuku take vule jete hoy. abar jokhhon se maa hoy, tokhhon nijer sontaner jonyo take somosto otyachar mukhh bondhho kore sohhyo korte hoy. etai amader somaaj-e aaj obodhhi hoye aschhe. kothhay amar somaajer seisomosto purushera, jara prokrito orthhe purush, meyeder nijer byabohhar'er jinish vabena, tara amar sathhe eso. amra sei kapurush guloke siksha diye purustontro'ke nischinhho kore dei. venge dei somosto prothha'ke. amader maa, bon, bou der bojhhay, je tara sudhhu ghhor gochhanor machine na, tarao ei somaaj'er proti soman vabe daibodhdhho, tadero somosto kichhur opor somaan odhhikar achhe.