পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। তাই বেশি কিছু লিখছিনা। মোদী বিরোধী পোস্টে লাইক করার জন্য মধ্যপ্রদেশের এক আই এ এস অফিসার অজয় সিংহ গাঙ্গোয়ারকে শোকজ নোটিশ পাঠানো হয়েছে, জানতে চাওয়া হয়েছে তিনি মোদী বিরোধী গণআন্দোলনের দাবি তোলা পোস্টে কেন লাইক করেছিলেন। প্রসঙ্গে বলে রাখি, এই অফিসার জওহরলাল নেহরুর প্রশংসা করেও বেশ কিছু দিন আগে একটি পোস্ট করেছিলেন, যার জেরে এর আগেও সরকারের সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন। কোনো ব্যক্তি কাকে সমর্থন করবেন, কার সমালোচনা করবেন, এটা সম্পূর্ণ তার ব্যক্তিস্বাধীনতার মধ্যে পড়ে। সেখানে তর্ক বা সমালোচনা করা যায় তার মতের বিরুদ্ধে গিয়ে। কিন্তু এভাবে শোকজ করা, ব্যক্তির ব্যক্তিগত স্বাধীনতাতে হস্তক্ষেপ করার সমান। আমি মোদী বিরোধী নই, আমি জওহরলাল নেহেরুরও সমর্থক নই, কিন্তু আমি আমার চিন্তা থেকে একটা কথা বলতেই পারি, আমার দেশের সংবিধান আমাদের সেই অনুমতি দেয়। তবে কেন একজন অফিসারকে এভাবে শোকজ করা হবে? শুধুতো তাই নয়, তাকে কালেক্টর পদ থেকেও সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটা বাকস্বাধীনতা বিরুদ্ধ। সরকারপক্ষ দেশের সংবিধানকে লজ্জার মুখে ফেলেছে ওই অফিসারকে এভাবে শোকজ ও তার পদ থেকে সরিয়ে, শুধুমাত্র নিজস্ব মত প্রকাশ করার শাস্তি হিসেবে। আমাদের ইন্সটিটিউট এর এক সায়েন্স কনফারেন্সে আমার নাম তোলা হয়েছিল। গত ২২ শে মে, আমার লেখা "তসলিমা নাসরিনের জীবন থেকে: চেতনার পথে" পড়ার পর কিছু বিতর্ক হয় ইন্সটিটিউটে। পরে আমাকে পরীক্ষার বাহানা দেখিয়ে ওই কনফারেন্স থেকে নাম বাদ দেওয়া হয়।
সরাসরি কেন বাদ দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে কেউ কিছু জানায়নি, তবে ভাবমূর্তিতে পরিষ্কার যে ওই বিতর্কের জেরেই আমার নাম বাদ পড়েছে। আমি এই নিয়ে কিছু ভাবছিনা, কারণ এমন কনফারেন্সের সুযোগ বহু আসবে, কিন্তু এভাবে আমাদের বাকস্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করছে ওরা ক্ষমতার জোরে। নিচে লিঙ্কে ওই অফিসারের খবর দেওয়া আছে।
সরাসরি কেন বাদ দেওয়া হয়েছে সেই বিষয়ে কেউ কিছু জানায়নি, তবে ভাবমূর্তিতে পরিষ্কার যে ওই বিতর্কের জেরেই আমার নাম বাদ পড়েছে। আমি এই নিয়ে কিছু ভাবছিনা, কারণ এমন কনফারেন্সের সুযোগ বহু আসবে, কিন্তু এভাবে আমাদের বাকস্বাধীনতাকে লঙ্ঘন করছে ওরা ক্ষমতার জোরে। নিচে লিঙ্কে ওই অফিসারের খবর দেওয়া আছে।
No comments:
Post a Comment