Friday, 24 June 2016

তৃতীয় পত্র।


পড়তে পড়তে বা কিছু লিখতে লিখতে,
অঙ্ক কষতে কষতে, মন আমার সবসময় অন্যকিছু একটা ভেবে চলে।
অঙ্ক, স্ট্যাটিস্টিক্সের বাইরে গিয়ে মনে অন্যরকম একটা ছক ঘোরে।
সেই ছকে শুধুই তুমি থাকো। সেই ছক শুধুই তোমায় ঘিরে।
কিভাবে আর কতরকম ভাবে কত বুদ্ধি করলে তুমি বাংলায় ফিরতে পারো,
নৈতিক ভাবে ফেরা। এসব ঘুরতে থাকে।


পড়তে পড়তে আমার চোখ বারবার
ফেসবুকের নাসরিন ডট তসলিমা লিঙ্কটার দিকে চলে যায়।
আটকাতে পারিনা।
শত কাজ থাকলেও, সব ফেলে আগে ঐ লিঙ্কের নতুন লেখাটা পড়া চায়।
যতটা সম্ভব অনুভূতি দিয়ে, আবেগ দিয়ে, কিছুটা বুদ্ধি দিয়ে বা কিছুটা নির্বোধের মতো
একটা কমেন্ট করা চায়।
পরে যা বড় অপূর্ণ ও অপরিণত লেখার মতো মনেহয়।
নিজেকে বড্ড পাগল পাগল লাগে তখন।
তবু তো তোমার নজরটুকু পাই, হোইনা একটু পাগল, তাতে ক্ষতি কি?
হয়ত তুমি হাসো, তবু হাসো তো।
ওটা ভেবেই আমার বড্ড তৃপ্তি।


জানো মাঝে মাঝে আমি খুব অনিশ্চয়তাতে ভুগি।
চারিদিক খুব অন্ধকার লাগে,
মনের মধ্যে ছটপট করে, কেমন পাগল পাগল লাগে নিজেকে।
পাগলের মতো তোমাকে এটা ওটা লিখে যাই, ভাবি লিখবো না,
অনেক অভিমান হয় যখন দেখি তুমি খেয়াল করছো না।
খেয়াল করো না এমনটা খুব কম সময়েই হয়েছে, তুমি খেয়াল করো,
অনেক সময় এড়িয়ে যাও আবার অনেক সময় হয়ত বিরক্তও হও খানিকটা।
মুখে বলতে পারো না।
তখন আমি যেন সবকিছু থেকে অনেক দূরে, কোথাও হারিয়ে যাই।
হারিয়ে যেতে বড্ড ভয় আমার।
সহ্য করতে পারিনা।
একের পর এক তোমার দরজাতে কড়া নাড়ি, নাড়তেই থাকি।
মনেহয় তোমার প্রতি আমার ভীষণ অধিকার!
তুমি আমার কথা শুনবে না কেন?
আমার লেখা তুমি পড়বে না কেন?
তোমাকে শুনতেই হবে আমার কথা,
তোমাকে পড়তেই হবে আমার লেখা,
তোমাকে কথা বলতেই হবে আমার সাথে।
তোমার প্রতি সব অধিকারটা যেন শুধু আমারই, আর কারোর অধিকার থাকতে পারেনা।
কখনো থাকতে নেই।

                                                           ......সৌম্যজিৎ......
                                             


No comments:

Post a Comment