হুঙ্কার দাও। গর্জে ওঠো।
(মেয়েমাকে।)
সময় দিয়েছে পথে পথে বাধা, দুঃসহ যন্ত্রণা,
কান্না বুক ফেটে বেরোতে চেয়েছে, আগুনের কান্না,
মৃত্যুও হাতছানি দিয়েছে ঘরের দরজায় তবু,
তুমি তসলিমা নাসরিন।
ভাংতে ভাংতে অলস হয়ে পড়া শরীর মনকেও তুমি টেনে নিয়ে গেছ,
তুলে ধরেছ অদম্য সাহস, এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই।
ভাংতে ভাংতেও তুমি গড়ে উঠেছ শুধু মনের জোরে, মনের তেজে,
মনের মধ্যে আগুনে হুঙ্কার নিয়ে।
বাস্তব তোমাকে অগ্নিপথে শিখিয়ে কঠোর করেছে,
কষ্ট দিয়ে কষ্টকে হারানোর অভ্যাস শিখিয়েছে,
অগ্নি দহনে দগ্ধ হয়ে আজ তুমি সেই তসলিমা নাসরিন,
ঠিক যেভাবে লোহাকে পুড়িয়ে দৃঢ় করা হয়,
ইস্পাত ধাতুর মত দৃঢ়চেতা চরিত্র।
কোনোকিছুই আর তোমাকে টলাতে পারবে না।
ঠেলে ফেলে দাও সব কষ্ট, ঠেলে ফেলে দাও দাদার শোক,
ভুলে যাও তুমি এক সাধারন নারী।
তুমি আজ সমস্ত নারীর শক্তি,
সেই শক্তি যাকে সামনে দেখে হাজারও নারী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে,
তুমি আজ সেই শক্তি যাকে দেখে গোঁড়া ধার্মিক, মৌলবাদরাও সতর্ক হয়ে ওঠে,
তুমি আজ সেই শক্তি যে নিজে সূর্য দহনে দগ্ধ হয়ে সমাজকে আলোকিত করে।
তুমি কোনো সাধারন নারী নও, তুমি এক নারীবীর, মানুষ শ্রেষ্ট যোদ্ধা।
জেগে ওঠো তসলিমা নাসরিন, কষ্টে গুটিয়ে যাওয়া তোমাকে মানায় না।
কাছের মানুষ, প্রাণের মানুষ হারাতে অনেক দেখেছ,
দেখেছ তিল তিল করে তাদের জীবনকে মৃত্যু পথে এগিয়ে যেতে,
সবাইকে ধরে রাখা যায়না।
জীবনের সময়টা অনেক দামি, যতক্ষণ প্রাণ আছে, প্রাণে তেজ আছে,
সেটা তোমার সময়।
তুলে ধরো সেই সময়কে।
গর্জে ওঠো,
জীবন ও বাঁচার আদর্শকে তুলে ধরো,
শিখিয়ে দাও সবাইকে মানবজাতির মূল মন্ত্র।
জীবন যেন বৃথা না হয়।
........................................................................... সৌম্যজিৎ।
(মেয়েমাকে।)
সময় দিয়েছে পথে পথে বাধা, দুঃসহ যন্ত্রণা,
কান্না বুক ফেটে বেরোতে চেয়েছে, আগুনের কান্না,
মৃত্যুও হাতছানি দিয়েছে ঘরের দরজায় তবু,
তুমি তসলিমা নাসরিন।
ভাংতে ভাংতে অলস হয়ে পড়া শরীর মনকেও তুমি টেনে নিয়ে গেছ,
তুলে ধরেছ অদম্য সাহস, এক রুদ্ধশ্বাস লড়াই।
ভাংতে ভাংতেও তুমি গড়ে উঠেছ শুধু মনের জোরে, মনের তেজে,
মনের মধ্যে আগুনে হুঙ্কার নিয়ে।
বাস্তব তোমাকে অগ্নিপথে শিখিয়ে কঠোর করেছে,
কষ্ট দিয়ে কষ্টকে হারানোর অভ্যাস শিখিয়েছে,
অগ্নি দহনে দগ্ধ হয়ে আজ তুমি সেই তসলিমা নাসরিন,
ঠিক যেভাবে লোহাকে পুড়িয়ে দৃঢ় করা হয়,
ইস্পাত ধাতুর মত দৃঢ়চেতা চরিত্র।
কোনোকিছুই আর তোমাকে টলাতে পারবে না।
ঠেলে ফেলে দাও সব কষ্ট, ঠেলে ফেলে দাও দাদার শোক,
ভুলে যাও তুমি এক সাধারন নারী।
তুমি আজ সমস্ত নারীর শক্তি,
সেই শক্তি যাকে সামনে দেখে হাজারও নারী প্রতিবাদে ফেটে পড়ে,
তুমি আজ সেই শক্তি যাকে দেখে গোঁড়া ধার্মিক, মৌলবাদরাও সতর্ক হয়ে ওঠে,
তুমি আজ সেই শক্তি যে নিজে সূর্য দহনে দগ্ধ হয়ে সমাজকে আলোকিত করে।
তুমি কোনো সাধারন নারী নও, তুমি এক নারীবীর, মানুষ শ্রেষ্ট যোদ্ধা।
জেগে ওঠো তসলিমা নাসরিন, কষ্টে গুটিয়ে যাওয়া তোমাকে মানায় না।
কাছের মানুষ, প্রাণের মানুষ হারাতে অনেক দেখেছ,
দেখেছ তিল তিল করে তাদের জীবনকে মৃত্যু পথে এগিয়ে যেতে,
সবাইকে ধরে রাখা যায়না।
জীবনের সময়টা অনেক দামি, যতক্ষণ প্রাণ আছে, প্রাণে তেজ আছে,
সেটা তোমার সময়।
তুলে ধরো সেই সময়কে।
গর্জে ওঠো,
জীবন ও বাঁচার আদর্শকে তুলে ধরো,
শিখিয়ে দাও সবাইকে মানবজাতির মূল মন্ত্র।
জীবন যেন বৃথা না হয়।
........................................................................... সৌম্যজিৎ।
No comments:
Post a Comment