কিছু কথা, কিছু স্বপ্ন
রং খেলাটা আমার খুব একটা পছন্দের নয়। প্রায় ২১ বছর আমি রং খেলিনি। সামনে বেশ কয়েকটা দায়িত্ব আছে, থেসিস জমা করা, নেট পরীক্ষার প্রস্তুতি নেওয়া, ভাইভা ও আই.এস.আই প্যানেল-এর জন্য প্রস্তুতি নেওয়া। সারাদিন বই পড়া, লেখালেখি করা, মেয়েমা'র পোস্টগুলো দেখা, দিন তিনটে করে ক্লাস নেওয়া, রিয়ার সাথে একটু গল্প করা, ববিতার সাথে একটু কথা বলা, আর মাঝে মাঝে কমেন্টের রিপ্লাই দেওয়া এই হল আমার বর্তমান রুটিন। কোথাও ঘুরতে যাওয়া হয়না, আত্মীয়রা নিমন্ত্রণ করে প্রতিদিনই, যাওয়া হয়না কোথাও, বা হয়ত গিয়ে উপভোগ করতে পারিনা ওসব কিছু। এড়িয়ে যাই। যেদিন ক্রিকেট ম্যাচ থাকে, বরং একটু ক্রিকেট ম্যাচ দেখি আর সময় পেলে ক্রিকেট খেলি বা ২ কিলোমিটার করে দৌড়ই।
ভালোলাগা বলতে, মেয়েমা'র কথা শুনতে খুব ভালো লাগে, তার লেখাগুলো পড়তে খুব ভালোলাগে। রিয়ার সাথে গল্প করতে ভীষণ ভালোলাগে। আবার কখনো ববিতাকে রাগ দেখাতে ভীষণ ভালোলাগে। তাছাড়া, আমার প্রতিদিনের রুটিনটা খুব ভালোলাগে। সবথেকে খারাপলাগা ব্যাপারটা হল, আমি একদম চিত্কার সহ্য করতে পারিনা। মাথা গরম হয়েযায় চিত্কার কানে আসলে। হবেই বা না কেন? একটা কান খারাপ, আরেক কানে যদি চিত্কার ঢোকে, মস্তিস্ক স্নায়ুগুলো উত্তেজিত হতে বাধ্য।
চলতে চাই, মেয়েমা'র রাস্তাতে। ওটাই আমার আদর্শ ও একমাত্র আদর্শ। কারণ, অনেকে সততা, জাতীয়তাবাদের রাস্তাকে আদর্শ মনে করে কিন্তু ওই সততা ও জাতীয়তাবাদের শিক্ষাই আমি ছোটথেকে অভ্যস্ত। সারাজীবন ওটা আমার সাথেই থেকে যাবে। আর মেয়েমা'র জীবন দর্শন হল একটা সম্পূর্ণ অভিধান যেখানে সমস্ত সমস্যার সমাধান খুঁজে পাওয়া যায়, তাই আমি ওই জীবনটাকেই আদর্শ মেনে চলতে চাই।
একজন মনোযোগী গবেষক ও অধ্যাপক হতে চাই। সংবিধানকে নিখুঁতভাবে জানতে চাই ও সংবিধানের ওপর ডিবেট করতে চাই। মানুষের জন্য সংবিধানকে আরও উপযোগী করে তুলতে চাই। অনেকরকম চিন্তাভাবনা মাথাতে চলে আসে, সমাজমূলক ছবি তৈরী করতে চাই। রাজনীতি'র প্রতি একটা টান আছে, রাজনীতিকে প্রজার জন্য রাজার নীতি হিসেবে পুনরায় রূপ দিতে চাই। ব্যাস এটুকু স্বপ্ন যেন সম্পূর্ণ করতে পারি।
সবাই হোলির শুভেচ্ছা জেন।
No comments:
Post a Comment