যেখানে যত ঢাকা সেখানে কৌতুহল তত বেশি। ধর্ষকের মস্তিস্ক বিকৃত। সাইকোলজিক্যাল প্রবলেম এটা একটা। ধর্ষণ যতটা শারীরিক চাহিদা এদের কাছে, তার থেকে অনেক বেশি মানুসিক চাহিদা। এমনকি এই বিকৃত মস্তিস্কগুলো এমনও হয়, দিনে এরা একই মেয়েকে ৭-৮ বার বা তার বেশিবার অথবা একাধিক মেয়েকে ওই একই সংখ্যাই ধর্ষণ করতে পিছপা হয়না। মনের ভিতরে ধর্ষণের চিন্তা তীব্র থেকে তীব্রতর হয় যখন কৌতুহল বাড়তে থাকে। এটা ধর্ষণ বলেই না, আরো অনেকক্ষেত্রে দেখা যায়, আমাদের মনে যেটার অভাব বেশি সেটার চাহিদাও বেশি। হিজাবি মেয়ে দেখলে ওদের কৌতুহল আরও বাড়বে। হিজাব ছাড়াও আবার ধর্ষণ হয়। ধর্ষক যেই হোক, পুরুষ বা নারী, সাইকোলজিক্যাল প্রবলেমটাই সবথেকে বড় সমস্যা তাদের। প্রত্যকে জনকে রিমান্ডে নিয়ে চিকিত্সা ও শাস্তি দুটোই দেওয়া উচিত। দৃষ্টান্ত তুলে ধরা উচিত সমাজের সামনে। তত্পর কে বা কারা হবে? আমরা তো বলেই খালাস।
No comments:
Post a Comment