"তসলিমা নাসরিনকে পূর্ণ সম্মানের সাথে, সুরক্ষার সাথে বাংলার মাটিতে ফেরৎ চায় আমরা।"
এখানে তোমরা দেখ, এই মানুষটার ওপর আক্রমন করছে কিছু অবুঝ মানুষ। এই মানুষটাকে ওরা খুন করতে চায়ছে। প্রতি পদে বিপদের আশঙ্কা থাকার সত্ত্বেও এই মানুষটা, তসলিমা নাসরিন তার লেখা থামিয়ে দেয়নি, প্রতিবাদ ছেড়ে দেননি। মানুষের স্বাধীনতার জন্য, নারীর স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন প্রতি মুহুর্ত। তোমরা কি এটা জান যে এই মানুষটা শান্তিতে ঘুমোতে পারেনা কখনো? ক্লান্ত হয়ে ঘুমান রাতে। একদিন এই মানুষটা আমাকে নিজে বলেছেন, দিনে ৬ ঘন্টা অন্তত ঘুমোতে। কিন্তু উনি নিজে ঘুমাননা শান্তিতে। এই মানুষটা ভাবে জীবন এত ছোট, ঘুমিয়ে সময় কেন অপচয় করবে সে? সারাদিন-রাত মানুষটার মাথাতে মুক্তচিন্তামূলক নানান ভাবনা ঘোরা ফেরা করে। উনিও একজন মানুষ, ওনার মধ্যেও আতঙ্ক, ভয় আছে। উনিও মৃত্যুকে ভয় পান, কিন্তু কখনো ভয় পেয়ে লড়াই ছাড়ার কথা ভাবেননা। উনি যাকিছু ভাবেন, বলেন, সবটা আদর্শের কথা ভেবে বলেন। উনি নিজে একজন নাস্তিক, কিন্তু উনি কখনো কাউকে বলেননি যে তুমি ধর্ম মেনোনা। উনি বরং বলেন, যেটা মন চায়, মানুষ সেটাই মানুক। অথচ তারা এই মানুষটাকে ধর্ম না মানার জন্য খুন করতে চায়। মাথার দাম ধার্য করে। তসলিমা নাসরিন সেই মানুষ যিনি, নিজে বিপদে থেকেও প্রায় পৌনে চারশ কোটি মেয়ের হয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। তোমরা আওয়াজ তোলো, জোটবদ্ধ হও, আর বল, এই মানুষটাকে কি বাংলা থেকে বঞ্চিত করে রাখার সিদ্ধান্ত ঠিক? এই মানুষটার কি বাংলার প্রতি কোনো অধিকার নেই? আমাদের দেশ স্বতন্ত্র গণতান্ত্রিক। প্রতিটা মানুষের নিজের চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরার অধিকার আছে, তবে কেন তসলিমা নাসরিন নির্বাসিত হয়ে থাকবে? আরও অন্যান্য লেখকরা আছেন, অনেকেই আছেন যারা মুক্তচিন্তক হওয়ার সত্ত্বেও ঘোরতর নারিবিদ্মেষী। তাদেরকে তো নির্বাসন দেওয়া হয়নি? অথচ তসলিমা নাসরিন কোন আইনে আজও নির্বাসিত? আমাদের পুরো অধিকার আছে এই প্রশ্নের উত্তর জানার। তসলিমা নাসরিনকে পূর্ণ সম্মানের সাথে, সুরক্ষার সাথে বাংলার মাটিতে ফেরৎ চায় আমরা।
এখানে তোমরা দেখ, এই মানুষটার ওপর আক্রমন করছে কিছু অবুঝ মানুষ। এই মানুষটাকে ওরা খুন করতে চায়ছে। প্রতি পদে বিপদের আশঙ্কা থাকার সত্ত্বেও এই মানুষটা, তসলিমা নাসরিন তার লেখা থামিয়ে দেয়নি, প্রতিবাদ ছেড়ে দেননি। মানুষের স্বাধীনতার জন্য, নারীর স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন প্রতি মুহুর্ত। তোমরা কি এটা জান যে এই মানুষটা শান্তিতে ঘুমোতে পারেনা কখনো? ক্লান্ত হয়ে ঘুমান রাতে। একদিন এই মানুষটা আমাকে নিজে বলেছেন, দিনে ৬ ঘন্টা অন্তত ঘুমোতে। কিন্তু উনি নিজে ঘুমাননা শান্তিতে। এই মানুষটা ভাবে জীবন এত ছোট, ঘুমিয়ে সময় কেন অপচয় করবে সে? সারাদিন-রাত মানুষটার মাথাতে মুক্তচিন্তামূলক নানান ভাবনা ঘোরা ফেরা করে। উনিও একজন মানুষ, ওনার মধ্যেও আতঙ্ক, ভয় আছে। উনিও মৃত্যুকে ভয় পান, কিন্তু কখনো ভয় পেয়ে লড়াই ছাড়ার কথা ভাবেননা। উনি যাকিছু ভাবেন, বলেন, সবটা আদর্শের কথা ভেবে বলেন। উনি নিজে একজন নাস্তিক, কিন্তু উনি কখনো কাউকে বলেননি যে তুমি ধর্ম মেনোনা। উনি বরং বলেন, যেটা মন চায়, মানুষ সেটাই মানুক। অথচ তারা এই মানুষটাকে ধর্ম না মানার জন্য খুন করতে চায়। মাথার দাম ধার্য করে। তসলিমা নাসরিন সেই মানুষ যিনি, নিজে বিপদে থেকেও প্রায় পৌনে চারশ কোটি মেয়ের হয়ে স্বাধীনতার জন্য লড়াই করে যাচ্ছেন। তোমরা আওয়াজ তোলো, জোটবদ্ধ হও, আর বল, এই মানুষটাকে কি বাংলা থেকে বঞ্চিত করে রাখার সিদ্ধান্ত ঠিক? এই মানুষটার কি বাংলার প্রতি কোনো অধিকার নেই? আমাদের দেশ স্বতন্ত্র গণতান্ত্রিক। প্রতিটা মানুষের নিজের চিন্তাভাবনাকে তুলে ধরার অধিকার আছে, তবে কেন তসলিমা নাসরিন নির্বাসিত হয়ে থাকবে? আরও অন্যান্য লেখকরা আছেন, অনেকেই আছেন যারা মুক্তচিন্তক হওয়ার সত্ত্বেও ঘোরতর নারিবিদ্মেষী। তাদেরকে তো নির্বাসন দেওয়া হয়নি? অথচ তসলিমা নাসরিন কোন আইনে আজও নির্বাসিত? আমাদের পুরো অধিকার আছে এই প্রশ্নের উত্তর জানার। তসলিমা নাসরিনকে পূর্ণ সম্মানের সাথে, সুরক্ষার সাথে বাংলার মাটিতে ফেরৎ চায় আমরা।
No comments:
Post a Comment