কিছু চিন্তা, কিছু প্রশ্ন।
সৌম্যজিত দত্ত।
অন্ধকার এই জগৎ, বাড়ছে সংকীর্ণতা।
এই সংকীর্ণতার পরিধি কোনো বর্গক্ষেত্র বা ক্ষেত্রফল দিয়ে মাপা যায়না,
এই সংকীর্ণতা এককহীন। মনুষত্বকে আস্টে-পৃষ্টে গিলে খাচ্ছে।
সংকীর্ণতা সমাজতন্ত্রে, সংকীর্ণতা আজ শিক্ষার অশিক্ষাতেও।
আজ শিক্ষিতজনের শিক্ষা শুধু সুবিধাভোগের জন্য, যাতে প্রকৃত শিক্ষা নয়,
অশিক্ষার অন্ধকার বিস্তৃত। মনুষত্বের কোনো বালাই নেই।
একটু একটু করে ক্যান্সারের বিষ গোটা সমাজে পচন ধরিয়েছে।
এই পচন বিনাসে কোনো নির্লিপ্ত আলো নয়, চায় বারুদের আগুন।
পুড়ে ছারখার হয়ে যাক পচন, যেটুকু বাঁচবে, তার থেকে নতুন কোষ সৃষ্টি হবে।
আবার গড়ে উঠবে সুষ্ঠ সমাজ, যেখানে কোনো পচন নেই, সংকীর্ণতার পরিধি নেই।
থাকবে শুধু ভালবাসা, মনুষত্ব। থাকবে চিন্তার ও বাঁচার স্বাধীনতা।
সেটাই হবে আমার সমাজ।
আমার মাথার মধ্যে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন রকম চিন্তা ঘোরে, প্রশ্ন উঠে আসে। ওপরের লেখাটা লিখতে গিয়ে বারবার মনের মধ্যে চলে আসছিল, আমরা নিজেদের ধার্মিক বলি। কিন্তু আসলে এই ধর্ম কি?
ধর্ম সাধারণের নেশা, সাধারনকে মন্ত্রপুত করে রেখেছে,
ধর্ম আসলে রাজনীতির অস্ত্র।
অলৌকিক তো কোনো ব্যাপার হয়না, যা হয় শুধু বিশ্বাসে।
কাজতো মানুষই করে।
সেতো মানুষ নিজেকে বিশ্বাস করে, ভরসা করে কাজ করলে,
সেই কাজ ভালোই ভালোই সম্পূর্ণ হয়।
কাজ আমাদের, নাম ধর্মের?
ধর্ম মানুষের দুর্বলতা, ফায়দা লোটে রাজনীতিবিদ, ভন্ড সাধু, মৌলবী।
গোড়া ধার্মিকরা সেই রাজনীতিবিদ, ভন্ড সাধু, মৌলবী গনের প্রতিনিধি,
নিজ দায়িত্বে সমাজকে অন্ধকারে নিক্ষেপ করছে।
বলি সমাজ কি তাদের পিতার রাজত্ব?
মানুষ এই সমাজের চালক, মানুষ এই সমাজের বাহক,
যদি কোনো ধর্ম থাকে, তা শুধু মনুষত্ব। ধর্মের অর্থ মনুষত্ব ধারণ।
মনুষত্ব ধারণে কোনো ভেদাভেদ থাকেনা, থাকে ভালবাসা, সংকল্প।
থাকে এক জাতি।
থাকে এক জাতি।
মানুষ জাতি।
No comments:
Post a Comment