সেক্স।
সৌম্যজিত দত্ত।
"সেক্স শিল্প জীবন দেয়, সেক্স শরীরের প্রয়োজনীয়তা,
নারী-পুরুষের শরীরের মাখামাখি, সেক্স শরীরের চাহিদা।
বিকৃত আজ সেক্স চিন্তা, সেক্স আজ পুরুষ চালিত,
নারী শুধু ভোগ্য বস্তু, সেক্স-এ নারী ধর্ষিতা।
সেক্স আজ কোনো শারীরিক শিল্প নয়,
সেক্স-এর সংজ্ঞা ধর্ষণ।"
সেক্স শরীরের চাহিদা বা শিল্প। যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই অধিকার সমান ভাবে থাকে। প্রাচীনকাল থেকে এমনটাই হয়ে আসত। বহু ছবি, বহু লেখা এর অকাট্য প্রমাণ দেয়। সমাজের অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষের সেক্স চিন্তা বিকৃত হয়েছে। এখন সেক্স একটা গোপন বিষয়। সর্বক্ষেত্রে এর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। বিজ্ঞাপন গুলোর সতর্কিকরনেও সেক্স-এর গোপনীয়তা লক্ষ্য করা যায়।
সৌম্যজিত দত্ত।
"সেক্স শিল্প জীবন দেয়, সেক্স শরীরের প্রয়োজনীয়তা,
নারী-পুরুষের শরীরের মাখামাখি, সেক্স শরীরের চাহিদা।
বিকৃত আজ সেক্স চিন্তা, সেক্স আজ পুরুষ চালিত,
নারী শুধু ভোগ্য বস্তু, সেক্স-এ নারী ধর্ষিতা।
সেক্স আজ কোনো শারীরিক শিল্প নয়,
সেক্স-এর সংজ্ঞা ধর্ষণ।"
সেক্স শরীরের চাহিদা বা শিল্প। যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়েরই অধিকার সমান ভাবে থাকে। প্রাচীনকাল থেকে এমনটাই হয়ে আসত। বহু ছবি, বহু লেখা এর অকাট্য প্রমাণ দেয়। সমাজের অগ্রগতির সাথে সাথে মানুষের সেক্স চিন্তা বিকৃত হয়েছে। এখন সেক্স একটা গোপন বিষয়। সর্বক্ষেত্রে এর গোপনীয়তা রক্ষা করা হয়। বিজ্ঞাপন গুলোর সতর্কিকরনেও সেক্স-এর গোপনীয়তা লক্ষ্য করা যায়।
বর্তমান সমাজে "সেক্স" কী?
এখন সেক্স মানে পুরুষের নারীর প্রতি কর্তৃত্ব ফলানো। নারী ও পুরুষ উভয়েই যুক্ত থাকে। কিন্তু পুরুষের প্রাধান্যকেই জোর দেওয়া হয়। নারীকে ভোগের বস্তুর মতো ব্যবহার না করলে পুরুষের "যৌন তৃপ্তি" অসম্পূর্ণ।
নারীকে নিজতলে পিষ্ট না করতে পারলে পুরুষের পুরুষালি ক্ষুন্ন হয়। যেন নারী একটা যৌন খাবার, যেটাকে পুরুষ নিজের মতো করে নানান পদ দিয়ে আহার করে তৃপ্ত হয়। সমাজের কিছু স্তরে সেক্স শুধু বাচ্চা উত্পাদনের যজ্ঞ।
বাচ্চা উত্পাদন হয়েগেলে সেক্স-এর কোনো গুরুত্ব থাকেনা। আজ সর্বস্তরেই সেক্স ড্রাইভার বলতে শুধু পুরুষ। নারী প্যাসিভ।
"সেক্স" আগে কি ছিল?
সেক্স ভয়াবহতার পূর্বে , সেক্স-এর সংজ্ঞা সম্পূর্ণ ভিন্ন ছিল। সেক্স নারী ও পুরুষের সমান অধিকার ও শিল্প বলে মানা হতো। যেখানে নারী ও পুরুষ উভয়েই তাদের সেক্সক্রিয়াতে সমানভাবে সামিল হতো। তারা বিভিন্ন কৌশলে শরীরকে উন্মুক্ত করে একে অপরের সাথে যৌন মিলনে, সমান আসক্তিতে সামিল হতো। যেখানে কেউ কারোর ওপর শারীরিক ক্ষমতা দিয়ে কর্তৃত্ব করতনা। এটাই তাদের সেক্স শিল্প ছিল।
সেক্স বিকৃতির প্রভাব :
আজ সমাজে সেক্স বিকৃতির প্রভাব ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছে। একমাত্র সেক্স বিকৃতির প্রভাবেই সমাজ আজ নারীকে পায়ের নিচে পদদলিত করছে, পুরুষের প্রাধান্য আধিক্য পাচ্ছে। শারীরিক ক্ষমতার জোরে সেক্স আজ রেপ-এর পর্যায়ে এসেছে। আজ সেক্স কোনো শিল্প নয়, সেক্স-এর প্রকৃত অর্থ রেপ। মানুসিক বিকৃতি ঘটছে পুরুষের, যার ফল ভোগ করছে নারী। প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৯০ জন নারী পুরুষের সেক্স বিকৃতির শিকার হচ্ছে।
সমাধান :
সেক্স বিকৃতির সমাধান হিসেবে অনেক গুলো ব্যাপার বাঞ্চনীয় করা প্রয়োজন।
১) সেক্স সচেতনতা বাড়ানো।
২) বিদ্যালয় পর্যায়ে সেক্স আলোচনা বাঞ্চনীয়।
৩) কৈশোর থেকে যৌবনে প্রবেশ করার আগে প্রতিটা মানুষের মধ্যে সেক্স-এর সঠিক অর্থ বোঝানো বাঞ্চনীয়।
৪) নারী-পুরুষ উভয়কেই বন্ধুর মতো একে অপরের সাথে কৈশোর থেকে মিশতে দেওয়া।
৫) সন্তানদের মধ্যে সেক্স চিন্তা যে কোনো পাপ নয়, সেটা অভিভাবকদের বুঝতে পারাটা আবশ্যক।
৬) সেক্স আলোচনা থেকে সন্তানদের বিরত না রাখা।
৭) সর্বপরি সেক্স-এর ব্যাপারে গোপনীয়তা না রেখে, সেক্স চিন্তাকে উন্মুক্ত করা।

No comments:
Post a Comment