সাহসী যোদ্ধা।
সৌম্যজিত দত্ত।
উত্সর্গ- আমার লেখিকা, তসলিমা নাসরিনকে।
উত্সর্গ- আমার লেখিকা, তসলিমা নাসরিনকে।
একই লেখায় ভালো, খারাপ সবই ফুটিয়ে তোলো।
অন্য লেখকরা লেখে শুধু সুন্দরকে সুন্দর করে,
তাদের লেখাই বিপ্লব কই যা,
তোমার লেখাই ভাসে?
তোমার লেখা আগুন ঝরায়,
কঠোর বাস্তব সে ভালো হোক বা খারাপ,
সবই উঠে আসে।
বিতর্ক তো কঠোর সত্যের সমালোচনায়,
আঁতে ঘা লাগলে বিতর্ক হবেই,
বিতর্কিত বলে তো তা মিথ্যে হতে পারেনা।
মানুষের মনস্তত্ব ভিন্ন ক্ষেত্রে ভিন্ন রকম।
একই মানুষের মধ্যে বিভিন্ন চরিত্র দেখা যায়।
তুমি বলেছো, বাবা তোমার আদর্শ,
আদর্শ কারণ মানুষের প্রতি তার বিচারে, ব্যবহারে, আলাপ পরিচয়তায়।
আদর্শ কারণ তত্কালীন সমাজেও সমাজের উল্টো দিকে গিয়ে-
মেয়েকে অল্প বয়সে বিয়ে দেননি, পড়াতে চেয়েছেন, স্বাবলম্বী করতে চেয়েছেন।
আবার বাবা- মা'এর সম্পর্কের জেরে তুমি আদর্শে থেমে যাওনি।
প্রতিবাদ করেছো মানুষ হিসেবে, প্রতিবাদ ফুটিয়েছো নিজের লেখাতে।
বোকা তারা যারা, এই সত্যিটাকে বোঝেনা।
বোকা তারা। সত্যিকে স্বীকার করতে ওদের কষ্ট হয়।
ভাষা বোঝার ক্ষমতা নেই ওদের, বাস্তব উপলব্ধি করার জ্ঞান নেই ওদের।
ওরা সমালোচনা করতে চায়, সমালোচনা করে বড় হতে চায়।
ওদের লড়াই দু-চারটে গালাগালিতে।
ওরা তোমাকে বেশ্যা বলে, নষ্ট বলে।
সত্যিতে যদি নষ্টামি থাকে, স্বাধীনতায় যদি বেশ্যামি থাকে,
তবে তা শিরোধার্য।
আমি গর্বিত আমার লেখকের জন্য।
নষ্ট তো আমরা সবাই। কার এতো বুকে জোর আছে নষ্টামি স্বীকার করতে পারে?
No comments:
Post a Comment