Friday, 15 January 2016

ভালবাসা। 
সৌম্যজিত দত্ত। 


আজ তুমি এলে,
দূর থেকে, কানে ফোন নিয়ে অপেক্ষা করছিলে,
দূর থেকে তোমাকে  দেখলাম মুখে লজ্জা-হাসি মিশিয়ে দাড়িয়ে আছো। 
বড়ই সুন্দর তুমি!!

আজ দেখলাম তোমাকে, খুব সরল, সাদাসিদে একটা মেয়ে তুমি। 
কিন্তু তোমার চোখ দুটো ভীষণ দুষ্টু, টানাটানা চোখ, মুগ্ধ হয়ে গেলাম। 
তোমার কথাগুলও মন্ত্রমুগ্ধ হয়ে শুনছিলাম। 
খুব মিষ্টি তুমি!!

কোথাও তুমি গুটিয়ে ছিলে, ভয় পেয়েছিলে। 
বুঝি, একটা অজানা, অচেনা পরিবেশ, এত ভিড়। 
তোমার মনের কথাগুলো স্পষ্ট করে বলে দিচ্ছিল আমাই। 
তবু তুমি সাহসী।  সাহসী, কারণ বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিয়েছো। 
আর বাকি সবাই যা করতে পারেনি, তুমি সেটা করেছো। 
তোমার শরীর জুড়ে পারফিউম-এর গন্ধটা আমার শরীরে মেখে গেছে,
তোমার কাঁধে মাথা রেখে বসেছিলাম, গোটা দুপুরটা সেই গন্ধ আমাকে ছুঁয়ে ছিল। 
এখনো আমার নাকে ভাসছে ওই গন্ধটা। 

আমার হাতটা নেড়েচেড়ে দেখছিলে বারবার,
আমিও সেই ছোঁয়াটা বেশ উপভোগ করছিলাম,
উপভোগ করছিলাম তোমার উষ্ণতা। 
খুব আকর্ষণ করছিলো আমার সমস্ত সত্বাকে। 
খুব ছুঁয়ে দেখতে ইচ্ছা করছিল তোমার ঠোঁটটা, ইচ্ছা করছিল তোমাকে জড়িয়ে ধরি। 
তোমার একটুখানি গুটিয়ে থাকাটা আমাকে আটকে দিল। 
তৃষ্ণার্ত হয়ে আছি আমি। মিশে যেতে চাই তোমার শরীরে, মনে, রক্তের সাথে। 
ভয় পেওনা। পুরুষতন্ত্রের মধ্যে থাকা পুরুষ গুলোর মতো আমি তোমাকে অবহেলা করবোনা। 
একজন পুরুষ হওয়ার আগে, একজন মানুষ হয়ে ভালোবাসবো তোমাকে। 
পাশে থেকো শুধু ভরসা হয়ে, শক্তি হয়ে। 


অনেক প্রেমই তো আসলো, গেল।  ভালো তো সবাইকেই বাসতে চেয়েছিলাম,
পরিস্থিতি কখনো স্থির হতে দিলনা। 
এবার আমি ভালবাসা হারাবোনা। আঁকড়ে ধরে রাখবো তোমাকে। 
এবার আমি সমস্ত দুর্বলতার মধ্যেও, নিজের বিশ্বাসকে কখনো হারতে দেবোনা। 
জানি, অনেক ভরসা করেছো আমাকে।  কোনো পুরুষকে তুমি এতো ভরসা করোনি আগে এভাবে। 
এই ভরসাকে আমি তুলে ধরবো। 

গোটা পুরুষতন্ত্র দেখবে, সমাজে এমন পুরুষও আছে, যে পুরুষ হওয়ার আগে, মানুষ হয়ে ভালবাসতে জানে। 

No comments:

Post a Comment