Thursday, 24 December 2015

স্নায়ু।
সৌম্যজিত দত্ত।


হিজিবিজি সব আঁকিবুকির মতো স্নায়ুগুলো,
সুক্ষাতিসুক্ষ স্নায়ুগুলো কতরকম ভাবে ছড়িয়ে আছে মস্তিষ্কে।
আজ যদি কোনো স্ক্যান মেশিন না থাকত, তবে কি আমরা বুঝতে পারতাম?


এইসব সুক্ষাতিসুক্ষ স্নায়ুগুলো ঠিক সার্কিটবোর্ডের মতন,,
একটা মেমরি চিপ, সেখানে হাজারটা সুক্ষ সুক্ষ তার একেঅপরের সাথে আন্তর্সম্পর্ক যুক্ত।
একটা দুটো তার ছিঁড়ে গেলেও বর্তনী সচল থাকে ঠিকই, কিন্তু কিছু অংশের কাজ বন্ধ হয়ে যায়। 
এ তো গেল হার্ডওয়্যার পাথ। মস্তিষ্কের ভিতরেও যদি স্নায়ু ছিন্ন হয়, তবে শরীর হয়ত সচল থাকে, 
কিন্তু ওই বিশেষ স্নায়ু সম্বন্ধ অংশ অসাড় হয়ে পড়ে। রিকভারির রাস্তা থাকে ক্ষীন,
যদি স্নায়ুগুলোকে জোড়া লাগানো যায়। স্নায়ু ছিঁড়ে যাওয়ার কারণ হতে পারে বড় কোনো আঘাত।


কম্পিউটার সফটওয়্যার তৈরী হয় কোড, ডেটাবেস দিয়ে,
সেখানকার তৈরী ফাইলগুলোর মধ্যে যদি কিছু কোড মিসপ্লেসড হয়েযায়,
বা রিমুভ হয়েযায়, সেটাকে কোরাপ্টেড বলা হয়। 
এমন জায়গায়, অত লক্ষ লক্ষ কোডের মধ্যে রিকভারি প্রায় অসম্ভব।
মস্তিষ্কেও অত লক্ষ লক্ষ সুক্ষাতিসুক্ষ স্নায়ুর মধ্যে যদি কোনো একটা বা দুটো স্নায়ু 
লজিক্যালি এমনভাবে কোরাপ্টেড হয়, যা ভাইরাস ঘটিত, এবং তার কার্য শুধু ই.এন.টি তে প্রযোজ্য হয়,
তবে তা রিকভারি এখনো অসম্ভব। কোনো প্রকার স্ক্যান'এ এই অসম্ভব সুক্ষ কোরাপশান চিণ্হিত করাও 
অসম্ভব। এটা শুধু বাহ্যিক ইন্দ্রীয়কার্য ব্যাহত হলেই স্পষ্ট হয়। 

কার্যবাহী স্নায়ুর এমন সুক্ষ কোরাপশান মৃত্যু ঘটায়না ঠিকই,
কিন্তু ভারসাম্যহীন করে দিতে পারে।








No comments:

Post a Comment