লেকচারার হিসেবে প্রথম দিন, প্রথম অভিজ্ঞতা।
সৌম্যজিৎ।
কিছুদিন আগেও আমি এই ক্লাসরুমটাতে বসে ক্লাস করতাম। আমাদের সামনে লেকচারার এসে আমাদের লেকচার দিতেন বিভিন্ন টপিকের ওপর, আমরা প্রত্যেকে মন দিয়ে শুনতাম, বুঝতাম। ক্লাসের সময় তিনজন লেকচারার থাকতেন, তিনজন বিশেসজ্ঞ লেকচারার। একজন সামনে দাঁড়িয়ে একটা টপিক বোঝাতেন, দুজন পিছনে দাঁড়াতেন, আবার তার বোঝানো হয়েগেলে আরেকজন এসে তার টপিকটা বোঝাতেন।
আজ একইভাবে এখন আমাকে ক্লাস নিতে হয়। প্রথম দিনের (২০/১১/২০১৫) কিছু কথা মনে চলে এল। আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। নিজের পরীক্ষার জন্য আমি আগের রাতে কিছু এলগরিদম পড়েছিলাম। ক্রুস্কাল এলগরিদম, প্রিমস এলগরিদম, ডি. এফ.এস এইসব কিছু। সেদিন আমাকে এলগরিদমের ক্লাস দেওয়া হয়। আমাকে একাই ক্লাস নিতে হবে, আর কোনো লেকচারার ছিলনা। আমি ক্লাস রুমে ঢুকতে গিয়ে একটু ভয়েই হোক বা নার্ভাসনেসের জন্য, দরজাতে দাঁড়িয়ে গেছিলাম। পাঁচ মিনিট দাড়িয়ে একটু ধাতস্থ হয়ে ভিতরে ঢুকলাম। ছাত্রছাত্রীরা খবর পেয়েছিল নতুন লেকচারার ওদের ক্লাস নেবে, তাও আই.এস.আই এরই ছাত্র, তবে নাম টা ওরা তখনও জানত না।
আমি ঢোকার পর, ওরা যথারীতি ভাবতে পারেনা যে ওরা কি করবে! যাকে ওরা এতদিন সিনিয়র দাদা বলে জানত, সেই দাদা ওদের ক্লাস নেবে লেকচারার হিসেবে! সবাই চুপ হয়েগেছিল। আমি একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, প্রফেসর শেষ কোনটা পড়িয়েছে? ওরা বলল প্রিমস কমপ্লিট হয়েছে, আজ ক্রুস্কাল হবে। সেই অনুযায়ী আমি মার্কার দিয়ে বোর্ডে শুরু করতে গিয়ে দেখি, যথারীতি সব গুলিয়ে খেয়ে ফেলেছি, কিছু মনে নেই। প্রথম ক্লাস, ইম্প্রেসন খারাপ হতেপারে, এই ভেবে ওদের বললাম, আজ বরং গল্প করি।
ক্লাসে মোট ২৮ জন ছাত্র ছাত্রী। কিছু ভারতীয়, কিছু জাপানী, কিছু ইংরেজ। ওদের জিজ্ঞাসা করলাম, ওদের পছন্দের টপিকগুলো। কেউ বলল বিজ্ঞান, কেউ রাজনীতি, কেউ প্রফেসর হতে চায়, কেউ রাইটার। আমি দেখলাম, আমি এই জিনিসগুলোর সাথে মোটামুটি ভালোই পরিচিত মেয়েমা'র (তসলিমা নাসরিন) সুবাদে। ব্যাস, ওই যে গল্প শুরু করলাম, কখন কিভাবে দেড় ঘন্টা কেটে গেল, বুঝতে পারিনি! এটা আমার অদ্ভুত অভিজ্ঞতা, কোনদিন ভুলতে পারবো না।
সৌম্যজিৎ।
কিছুদিন আগেও আমি এই ক্লাসরুমটাতে বসে ক্লাস করতাম। আমাদের সামনে লেকচারার এসে আমাদের লেকচার দিতেন বিভিন্ন টপিকের ওপর, আমরা প্রত্যেকে মন দিয়ে শুনতাম, বুঝতাম। ক্লাসের সময় তিনজন লেকচারার থাকতেন, তিনজন বিশেসজ্ঞ লেকচারার। একজন সামনে দাঁড়িয়ে একটা টপিক বোঝাতেন, দুজন পিছনে দাঁড়াতেন, আবার তার বোঝানো হয়েগেলে আরেকজন এসে তার টপিকটা বোঝাতেন।
আজ একইভাবে এখন আমাকে ক্লাস নিতে হয়। প্রথম দিনের (২০/১১/২০১৫) কিছু কথা মনে চলে এল। আমি একেবারেই প্রস্তুত ছিলাম না। নিজের পরীক্ষার জন্য আমি আগের রাতে কিছু এলগরিদম পড়েছিলাম। ক্রুস্কাল এলগরিদম, প্রিমস এলগরিদম, ডি. এফ.এস এইসব কিছু। সেদিন আমাকে এলগরিদমের ক্লাস দেওয়া হয়। আমাকে একাই ক্লাস নিতে হবে, আর কোনো লেকচারার ছিলনা। আমি ক্লাস রুমে ঢুকতে গিয়ে একটু ভয়েই হোক বা নার্ভাসনেসের জন্য, দরজাতে দাঁড়িয়ে গেছিলাম। পাঁচ মিনিট দাড়িয়ে একটু ধাতস্থ হয়ে ভিতরে ঢুকলাম। ছাত্রছাত্রীরা খবর পেয়েছিল নতুন লেকচারার ওদের ক্লাস নেবে, তাও আই.এস.আই এরই ছাত্র, তবে নাম টা ওরা তখনও জানত না।
আমি ঢোকার পর, ওরা যথারীতি ভাবতে পারেনা যে ওরা কি করবে! যাকে ওরা এতদিন সিনিয়র দাদা বলে জানত, সেই দাদা ওদের ক্লাস নেবে লেকচারার হিসেবে! সবাই চুপ হয়েগেছিল। আমি একজনকে জিজ্ঞাসা করলাম, প্রফেসর শেষ কোনটা পড়িয়েছে? ওরা বলল প্রিমস কমপ্লিট হয়েছে, আজ ক্রুস্কাল হবে। সেই অনুযায়ী আমি মার্কার দিয়ে বোর্ডে শুরু করতে গিয়ে দেখি, যথারীতি সব গুলিয়ে খেয়ে ফেলেছি, কিছু মনে নেই। প্রথম ক্লাস, ইম্প্রেসন খারাপ হতেপারে, এই ভেবে ওদের বললাম, আজ বরং গল্প করি।
ক্লাসে মোট ২৮ জন ছাত্র ছাত্রী। কিছু ভারতীয়, কিছু জাপানী, কিছু ইংরেজ। ওদের জিজ্ঞাসা করলাম, ওদের পছন্দের টপিকগুলো। কেউ বলল বিজ্ঞান, কেউ রাজনীতি, কেউ প্রফেসর হতে চায়, কেউ রাইটার। আমি দেখলাম, আমি এই জিনিসগুলোর সাথে মোটামুটি ভালোই পরিচিত মেয়েমা'র (তসলিমা নাসরিন) সুবাদে। ব্যাস, ওই যে গল্প শুরু করলাম, কখন কিভাবে দেড় ঘন্টা কেটে গেল, বুঝতে পারিনি! এটা আমার অদ্ভুত অভিজ্ঞতা, কোনদিন ভুলতে পারবো না।

No comments:
Post a Comment