Wednesday, 23 December 2015

"বস্তু" নারীর আবার অধিকার কিসের?
সৌম্যজিৎ।

নারী যদি অবহেলিত, নারী কেন ঘুরে দাঁড়ায় না?
সব নারী যদি বিধ্বংসী হয় নিজেদের অধিকার বুঝে নিতে,
রাস্তায় নেমে লড়াই শুরু করে,
কট্টর পুরুষতন্ত্র হার মানতে বাধ্য।


এক তসলিমা নাসরিনে যদি লক্ষ মৌলবাদীর ঘুম হারাম হয়,
তবে ঘরে ঘরে তসলিমা নাসরিন চাই কট্টর পুরুষতন্ত্রের মুখে লজ্জা ফিরিয়ে দিতে।
কট্টর পুরুষতন্ত্রের কাছে নারী আজ শুধুই বস্তু খেলার ও মনোরঞ্জনের।
নারীকে আপাদ মস্তক ঢেকে রাখতে চায় তারা,
এটা ভাবেনা তারা যদি সমাজের অংশ হয়, তারা যদি আধিপত্য করতে চায়,
তবে নারীও সমান অংশীদার। নারীও পারে সমাজকে এগিয়ে নিয়ে যেতে।


নারীই চাইনা নিজের অধিকার পেতে,
নারী শুধু অবলম্বন খোঁজে আর প্রশ্রয় দেয় সেইসব পুরুষদের।
নারী দুঃখবাদী, নিজেদের না পাওয়া গুলো নিয়ে বিলাপ করতেই বেশি পছন্দ করে,
নিজেদের প্রতি অবহেলাগুলোকে অদৃষ্টের খেলা, কষ্ট বলে জীবন কাটিয়ে দিতে চায়। 
নারী শুধু আপস করে চলতেই পছন্দ করে।
সংসারের বিপরীতে গিয়ে লড়াই করে বদনাম হয়
সেই ভয়ে সবার সাথে আপস করে, সবার মনোরঞ্জন করে। 
নারী নিজেই নিজেদের বস্তুত্তের প্রমাণ পুরুষের হাতে তুলে দেয়। 
তবে কি করে নারী অধিকার পায়?
কোনকিছু এমনি এমনি পাওয়া যায়না,
অধিকার পেতে হলে জ্বলে উঠতে হয়। 

তসলিমা নাসরিনকে তোমরা আদর্শ করেছ,
সে তো শুধু মুখের কথাতে, কিছুটা মানসিকতাতে,
তার রাস্তায় কেউ চলতে চেয়েছ?
তুমি ভেবেছ, "আমি রাস্তায় নামলে লোকে কি বলবে? আমি কোথায় যাবো?
মাথার ওপরে ছাদ থাকবেনা, একাকিত্বের সুযোগে পুরুষ সমাজ আমাকে ছিঁড়ে খাবে।
আমার সন্তানের কি হবে?"
এতই যখন চিন্তা তবে আফশোস কেন? যেমন চুড়ি পড়ে খুন্তি চালাও,
ঘর সামলাও বঞ্চিত হয়ে,
সেটাই মন দিয়ে কর। 
অধিকার পেতে হলে লড়াই করেই পেতে হবে। 
তোমরা তসলিমা নাসরিনের লড়াই চোখে দেখতে, উপভোগ করতে পছন্দ কর,
সেই লড়াইতে কখনো বাঁচতে চাওনা।
তবে "নারীর অধিকার" বলে চেঁচিওনা। ওটা তোমরা পাবেনা।
তোমরা অধিকার পেতে জানই না।

No comments:

Post a Comment