চল ওদের প্রশ্ন করি, ছিনিয়ে আনি স্বাধীনতা।
সৌম্যজিৎ।
স্বাধীনতা যোদ্ধারা দেশ স্বাধীন করতে চেয়েছিল
পররাষ্ট্রের শোষণক্রিয়া থেকে বাঁচতে ও বাঁচাতে,
ধর্ম গড়েছিল একতা, হিন্দু-মুসলিম রক্তে পিছলে পড়েছিল ইংরেজ শাসন।
গড়ে উঠেছিল স্বতন্ত্র ভারতীয় রাজনীতি,
যদিও নেতা নির্বাচনের লড়াইতে যে দুর্নীতি যুক্ত হয়েছিল,
আজও দেশ ধুঁকছে তাতে।
আজ আবারও স্বাধীনতা চায়,
স্বাধীনতা চায় রাজনীতির দুর্নীতি মুক্ত হতে।
রাজনীতি ও ধর্ম আজ ক্ষমতার লালসায় দোসর,
যে লালসার লালা কলুসিত করছে সাধারণ জীবন,
আজ আবার ঘুরে দাঁড়ানোর দিন,
আমরা স্বতন্ত্র সমাজ চায়,
চায় স্বাধীন জীবন।
চল সবাই প্রশ্ন করি আঙুল তুলে,
লড়াই করি,
ছিনিয়ে আনি স্বাধীনতা।
চল, রাস্তায় নেমে ওদের বলি,
"তোমরা খেলা করেছ সমাজ নিয়ে,
দাঙ্গা বাঁধিয়েছ , মারামারি করিয়েছ,
জাতির নামে উস্কানি দিয়ে
হিন্দু - মুসলিম ভাইয়ের ঐক্য নষ্ট করেছ।
ভোগবিলাসী হতে চেয়েছ নিজ নিজ সংরক্ষনে
গড়া জাতির ওপর।
কর্তৃত্ব করেছ, রাজত্ব করেছ।
কখনও কি জাতির নামে দেশ কে সংগঠিত করতে পেরেছ?
তোমাদের গড়া এই ভাঙা, ভন্ড সমাজতন্ত্রে -
তোমাদের অভিশাপ বহাল রেখেছে তোমাদের পরবর্তী রাজনৈতিক প্রজন্মও।
জাতির নামে যে মিথ্যে কলঙ্কের সৃষ্টি তোমরা করেছিলে,
আজ যখন অন্য কেউ সেই কলঙ্ককে বীর দর্পে বজায় রাখতে চায়,
তখন তুমি প্রতিবাদ কর বিরোধী হয়ে।
আসলে কেউ তোমরা দেশ চাওনা,
তোমরা শুধু ক্ষমতা চাও নিজের জায়গা ধরে রাখতে।
তোমরা রাজনৈতিক অঙ্কটা ভালই জান।
বাকি রইল সমাজ, সাধারন মানুষ,
ওরা তোমাদের অঙ্ক বোঝেনা,
তোমরা যা দেখাও, ওরা খালি চোখে দেখে, বিশ্বাস করে।
প্রতিবাদ আজ খুব সীমিত,
সাধারনের প্রতিবাদ আজ আমাদের কলমে মাত্র,
বাকিরা ভাবে নতুন দল এসে তাদের সমস্যা মেটাবে,
মেটালে ভালো, না মেটালে থাক পাঁচ বছর,
সময় ফুরোবে, আবার নাহয় অন্য কোনো রাজনৈতিক দল আসবে
হাজারটা প্রতিশ্রুতি নিয়ে, আবার খেলবে পরম্পরা বজায় রাখতে,
তোমরা শুধু প্রতিবাদ কর নিজেদের জায়গা ফিরে পেতে।
প্রগতি যাক পাঁচটা বছর পিছিয়ে।
সজাগ হও মানুষ, এই দেশ আমাদের, সমাজ আমাদের,
আমরা মন্ত্রী কল্যানে সমাজ কেন গড়ব?
সমাজ তো মানব কল্যানের ধারক।
সজাগ হও ভাই বোনেরা,
নিজেদের অধিকার বুঝতে, রাজনৈতিক দালাল নয়,
নিজেদের শিক্ষাকে হাতিয়ার কর,
বুদ্ধি ও আত্মবিশ্বাস কে তুলে ধর। "
No comments:
Post a Comment