মানুষ ও জাতি।
সৌম্যজিত দত্ত।
মানুষের মধ্যে জাতিভেদ আজ আবশ্যক।
আজ্ঞাধীন। উচ্চ-নিম্ন বর্ণ আজ সর্বস্তরের খেলা।
সর্বস্তর, হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান-বৌদ্ধ প্রমুখ মহান দর্শন কথা,
যার নির্বাচন রাজনৈতিক দর্শনবিদদের চিন্তাতে।
জাতিভেদ সাধারণ মানুষের সৃষ্টি নয়,
সাধারণের এত বুদ্ধি থাকলে সম্মোহন শক্তির প্রয়োগ ব্যর্থ হয়েযায়।
জাতিভেদ সৃষ্ট - ঐ রাজনৈতিক দর্শনবিদদের দূরদৃষ্ট বুদ্ধিতে।
তারা প্রত্যেকে, বিভিন্ন সময় বিভিন্ন ভাবে ক্ষমতাকে হাতে নিতে এই জাতিভেদ গড়ে তোলে।
বিচক্ষনতার সাথে নিজ নিজ সৃষ্ট ধর্মের নিয়ম-আইন লিখে প্রযোজ্য ঘোষনা করে।
সম্মোহিত করে মানুষের মনন শক্তিকে। পুরুষতান্ত্রিক ভাবে ফলপ্রসু হয় এই সব জাতিভেদের বিধি।
কিছু জাতির ধর্ম প্রকৃত শান্তির জন্য হলেও,
ধর্ম-রাজনীতির জোটে মানুষের জীবন অশান্ত।
প্রতিটা ধর্মে, প্রতিটা জাতিতে ভেদাভেদ মানুষের মধ্যে ক্ষমতার লালসা পরিপূর্ণ করেছে,
আর সেই লালসার বাস্তবায়নে বলি হচ্ছে সাধারণ জীবন।
সাধারণ মানুষ এতটাই সম্মোহিত, যে তারা দেখেনা তাদের নিজ ধর্মেও,
নিজ জাতিতেও অসহিষ্ণুতার বীজ বংশবিস্তার করে চলেছে।
তারা শুধু দেখে, অন্যধর্মগুলো তাদের আক্রমন করছে।
নিজ-নিজ ধর্ম জাতিগুলোর মধ্যে এই বীজ শেষ না হলে,
দাঙ্গা-লড়াইয়ের মানুসিকতা মানবজাতিকে ধ্বংসের শেষ সীমায় পৌঁছে দেবে।
তখনও সাধারণ মানুষ বুঝবেনা জাতি-ধর্মের গড়ে ওঠা আচারে-বিধিতে তারা সম্মোহিত।
মানুষের মধ্যে জাতিভেদ কে লক্ষ্য না করে, মানুষ দেখুক
জাতির মধ্যে থাকা মানুষকে। সম্মোহন কেটে যাবে।
চাদরে আবৃত থেকে মহাপ্রকৃতি অনুভব করা যদি অসম্ভব,
চাদর থেকে বেরোলেই প্রকৃতি ইন্দ্রিয়স্থ হতে পারে।
No comments:
Post a Comment