নষ্টা শুধু নারীই।
সৌম্যজিৎ।
বীর্যের কলঙ্ক ঢোকে তারই শরীরে,
সমাজ তাকে হেয় করে,
নারী অনিচ্ছাতেও কালি মাখে।
ধর্ষণে পুরুষ বুক ফুলিয়ে পাশ কাটিয়ে যায়,
বীর্যপাতে তো আর কলঙ্ক নাই,
বীর্য ধারণ করে নারী শরীর তাই
সমাজ নারীকেই দোষ দেয়,
নারীই নষ্টা হয়।
নষ্টা যদি নারীই তবে কেন
রাতের অন্ধকারে বা দিনের ফাঁকা গলিতে সেই নারীকেই
পুরুষ একলা পেতে চায়?
একলা পেলে কেন সেই নষ্টা নারীকেই হায়না নেকড়ের জাপটে ধরে?
নষ্টা মেয়ের ছোঁয়াই কি পুরুষ নষ্ট হয়ে যায়না?
নাকি পুরুষকে নষ্ট আখ্যান দেওয়াই যায়না?
আজব এই সমাজ আমার তোমরা
তাকে নষ্ট বল যে ভ্রষ্টামীর শিকার হয়,
তোমরা তাকে কিছু বলনা যে পুরুষ ভ্রষ্ট হয়।
তোমরা মজা লুটে নাও, রঙ্গ তামাশা কর অত্যাচারিত নারীর প্রতি,
তোমরা ভয় পাও সেই হায়না নেকড়ের মত জাপটে ধরা পুরুষগুলোকে।
তোমরা সুবিধাভোগী। প্রয়োজনে পাড়ার বোনকেও সওদার দ্রব্য বানাও,
প্রয়োজনে তোমরা নিজের স্ত্রীকেও অন্যের বিছানায় তুলে দালালি খাও,
প্রয়োজন ফুরোলেই সেই বোন বা স্ত্রীকে তোমরা আস্তাকুড়ে ছুঁড়ে ফেলে দাও।
তাতে তোমাদের লজ্জা করেনা,
তোমাদের নিস্কস হলুদ চোখ তখন স্বার্থ দিয়ে ঢাকা থাকে,
তাতে তোমরা নষ্ট হওনা, নষ্ট হয়না সেই শরীরভোগী মানুষগুলও,
নষ্ট আখ্যান শুধু নারীর জন্য, নারীই হয় নষ্টা, নারীই ভ্রষ্টা।
No comments:
Post a Comment