Sunday, 1 May 2016

ভালবাসার হাসি।
সৌম্যজিৎ।

হাওয়া থেকে শুষেছি সুর, কথাগুলো মনে ভাসে,
জীবন তোমার আমি দিই ভাষা,
কবিতা নয় তবু সৃষ্টি হয় রূপলেখা।
সৃষ্টি করি কলমের কালিতে,
মনের ছোঁয়াই সাজিয়ে তুলি আমার মনের প্রতিমাটিকে।
কখনো তোমাকে দেখি যোদ্ধারূপে,
কখনো দেখি তুমি স্নেহময়ী,
কখনো তোমার কাছে আমি নিতান্তই এক শিশু
আবদার করি ভালবাসা দিয়ে ভালোবেসে।
তোমার প্রাণখোলা সেই হাসির ছবিটা আমার মস্তিষ্কে
আমি গেঁথে নিয়েছি,
মুহুর্তে তোমাকে মা থেকে মেয়ের রূপ দিয়েছি,
তুমি লেখিকা সে সবার চোখে,
আমার চোখে তখন তুমি শুধুই এক বালিকা,
আমার স্নেহের বালিকা।


ভালবাসা যখন আমি বুঝিনি তখন
ভালবাসা ছিল আমার কাছে শুধুই প্রেম,
নারী পুরুষের প্রেম,
ভালবাসতে শিখে আমি দেখেছি ভালবাসার অনেক আকার।
কখনো তোমাকে ভালবাসতে চেয়েছি বন্ধু ভেবে,
কখনো ভালোবেসেছি তোমাকে আদর্শ ভেবে,
কখনো ভালোবেসেছি সেই স্নেহময়ী রূপকে যে
ব্রহ্মপুত্রকে ভালোবেসেছে,
কখনো আমি নিজেই শিশু হয়ে তোমাকে
ভালোবেসেছি মায়ের রূপে,
আবার কখনো ওই একই তুমিকে আমি ভালোবেসেছি
আমার স্নেহের সন্তান ভেবে।
অভিমানেও তোমাকে আমি ভালোবেসেছি,
ব্রাত্য থেকেও আমি তোমাকেই ভালোবেসেছি,
ভালোবেসেছি সেই মেয়েটাকে যে আবেগে ভেসে বেড়ায়,
ভালোবেসেছি আমি তাকে যে ভীষণ উত্তেজনাতেও, হাজার বিপদেও
স্থির ও শান্ত থেকেছে।
ভয় পেয়েছে, আচমকা বিপদে হতবাকও হয়ে পড়েছে কখনো,
বিপদের মুখে কিছু ঠিক না পেয়ে সময়ের হাতে নিজেকে ভাসিয়েও দিয়েছে,
আবার কখনো ঘোরতর যুক্তি সংগঠিত করেছে লড়াই ফিরিয়ে দিতে,
আদর্শকে শক্তি করেছে বেঁচে থাকার প্রেরণা হিসেবে,
বিপদের অন্তিম লগ্নেও থেকেছে সৎ, আপোষহীন।
আমি ভালোবেসেছি এই মানুষটাকে।


ধন্য হবো সেদিন যখন তোমাকে ছুঁয়ে দেখবো আমি,
ধন্য হবো সেদিন, যেদিন তোমার ললাটে স্নেহের চুম্বনটুকু আমি দিতে পারবো।
সার্থক হবো যদি তোমাকে আবার বাংলার মাটি ছোঁয়াতে পারি,
শুধু দুটো লাইন কোথাও লিখে দিও সেদিন আমার জন্য,
সেদিন আমি মুক্ত হবো।

(মেয়েমা আমি কিন্তু হিসেব কষিনি কতটা ভালোবেসেছি সেটার। শুধু অনুভূতিটা বলেছি।)

No comments:

Post a Comment