কতগুলো জিনিস তুলে ধরি।
১. বাবার জমিজমা টাকা পয়সা একা আত্মসাৎ না করলে, তিনজনের মধ্যে সবকিছু ভাগ করলে, তোমার ‘তোর পয়সায় বা তোদের পয়সায় মদ খাই না’ এ কথাটা বলা সাজতো।
২. এটা তোমার একার বাড়ি নয়। আমি আর বুবুও এই বাড়ির ভাগ পাই। কিন্তু যেহেতু তুমি একাই গায়ের জোরে বলছো এই বাড়ি তোমার, এই বাড়ি তোমাকে লিখে দিয়ে গেছে বাবা, যেহেতু তুমি আমাদের ভাগ আমাদের দেবে না, অগত্যা কিনেছি।
৩. যমুনা না জানালে হয়তো কেউ জানতোই না খুনের ঘটনাটি।
৪. যেও না ওর একটা মেয়ে আছে। যা পাবে ওর মেয়ে পাবে। আর বুবু যদি উইল করে গিয়ে থাকে তাহলে আর কথাই নেই। এ দেশে উইল না চললেও ভারতে তো উইল চলে। বাবার সবকিছু নিয়েছো। বুবুর টাকা পয়সায় দয়া করে লোভ করো না। ওর মেয়েকে কিছু পেতে দাও। তোমার লোভের কারণে নিজের বাপের সম্পত্তি আমরা দুবোন পেলাম না। এখন তপুকেও বঞ্চিত করোনা। তোমরা পুরুষেরা অনেক কায়দা কানুন জানো, বুবুর যদি কিছু থাকে, জানি না আদৌ কিছু ছিল কি না, নাকি ধার করে চলতো, তুমি সব আত্মসাৎ করতে পারবে, তোমার সেই ক্ষমতা আছে। কিন্তু দয়া করে এবার নিস্তার দাও। লেট হার রেস্ট ইন পিস।
৫. নূপুরের পাসপোর্ট আমেরিকার। ভারতের ভিসা পেতে খুব দেরি হয়নি, ভিসার লম্বা লাইনে অবশ্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে অনেকক্ষণ। একা একাই করেছে সব। কারও সাহায্য সে চায়নি। বেশ কয়েক বছর হল নূপুর কোনও কিছুতেই কারও সাহায্য আর চায় না।
এই লেখা গুলো তুলে ধরলাম। নিঃসন্দেহে যমুনা তো স্বাবলম্বী, সাহসী, প্রতিবাদী ছিলই, তার বোন নুপুরও প্রতিবাদী ছিল। লেখক কষ্ট, বিচক্ষণতা, আধুনিক চিন্তাভাবনা ও সমাজে নারীর অধিকার এই ব্যাপারগুলো নিপুণ ভাবে তুলে ধরেছে। গল্পটা অনেকটাই পরিচিত মনেহল, তবে পুরোটা মেলাতে পারিনি। তোমার লেখা, বিচক্ষনতা থাকবেই।
১. বাবার জমিজমা টাকা পয়সা একা আত্মসাৎ না করলে, তিনজনের মধ্যে সবকিছু ভাগ করলে, তোমার ‘তোর পয়সায় বা তোদের পয়সায় মদ খাই না’ এ কথাটা বলা সাজতো।
২. এটা তোমার একার বাড়ি নয়। আমি আর বুবুও এই বাড়ির ভাগ পাই। কিন্তু যেহেতু তুমি একাই গায়ের জোরে বলছো এই বাড়ি তোমার, এই বাড়ি তোমাকে লিখে দিয়ে গেছে বাবা, যেহেতু তুমি আমাদের ভাগ আমাদের দেবে না, অগত্যা কিনেছি।
৩. যমুনা না জানালে হয়তো কেউ জানতোই না খুনের ঘটনাটি।
৪. যেও না ওর একটা মেয়ে আছে। যা পাবে ওর মেয়ে পাবে। আর বুবু যদি উইল করে গিয়ে থাকে তাহলে আর কথাই নেই। এ দেশে উইল না চললেও ভারতে তো উইল চলে। বাবার সবকিছু নিয়েছো। বুবুর টাকা পয়সায় দয়া করে লোভ করো না। ওর মেয়েকে কিছু পেতে দাও। তোমার লোভের কারণে নিজের বাপের সম্পত্তি আমরা দুবোন পেলাম না। এখন তপুকেও বঞ্চিত করোনা। তোমরা পুরুষেরা অনেক কায়দা কানুন জানো, বুবুর যদি কিছু থাকে, জানি না আদৌ কিছু ছিল কি না, নাকি ধার করে চলতো, তুমি সব আত্মসাৎ করতে পারবে, তোমার সেই ক্ষমতা আছে। কিন্তু দয়া করে এবার নিস্তার দাও। লেট হার রেস্ট ইন পিস।
৫. নূপুরের পাসপোর্ট আমেরিকার। ভারতের ভিসা পেতে খুব দেরি হয়নি, ভিসার লম্বা লাইনে অবশ্য দাঁড়িয়ে থাকতে হয়েছে অনেকক্ষণ। একা একাই করেছে সব। কারও সাহায্য সে চায়নি। বেশ কয়েক বছর হল নূপুর কোনও কিছুতেই কারও সাহায্য আর চায় না।
এই লেখা গুলো তুলে ধরলাম। নিঃসন্দেহে যমুনা তো স্বাবলম্বী, সাহসী, প্রতিবাদী ছিলই, তার বোন নুপুরও প্রতিবাদী ছিল। লেখক কষ্ট, বিচক্ষণতা, আধুনিক চিন্তাভাবনা ও সমাজে নারীর অধিকার এই ব্যাপারগুলো নিপুণ ভাবে তুলে ধরেছে। গল্পটা অনেকটাই পরিচিত মনেহল, তবে পুরোটা মেলাতে পারিনি। তোমার লেখা, বিচক্ষনতা থাকবেই।
No comments:
Post a Comment