এ প্রেম পূজার,
এ প্রেম শ্রদ্ধার, এ প্রেম তোমার পায়ে আমি অর্পণ করি,
এ প্রেম আমি আবেগ থেকে আনি,
এ প্রেমে আমি দুচোখ ভরে জীবন দেখি,
এ প্রেম শুধুই প্রেম নয়,
এ প্রেমে আমি অনেক মানুষের ভিড়েও তোমাকে খুঁজি,
এ প্রেমে আমি বড্ড একা হয়ে শুধু তোমাকেই খুঁজি।
অর্পণ করলাম তোমার পায়ে।
সৌম্যজিৎ।
উৎসর্গ- আমার লেখিকাকে।
এ বড় তাগিদ এখন মনে,
এ প্রেম শ্রদ্ধার, এ প্রেম তোমার পায়ে আমি অর্পণ করি,
এ প্রেম আমি আবেগ থেকে আনি,
এ প্রেমে আমি দুচোখ ভরে জীবন দেখি,
এ প্রেম শুধুই প্রেম নয়,
এ প্রেমে আমি অনেক মানুষের ভিড়েও তোমাকে খুঁজি,
এ প্রেমে আমি বড্ড একা হয়ে শুধু তোমাকেই খুঁজি।
অর্পণ করলাম তোমার পায়ে।
সৌম্যজিৎ।
উৎসর্গ- আমার লেখিকাকে।
এ বড় তাগিদ এখন মনে,
আমি ছুঁতে চাই আমার আদর্শ প্রাণ প্রতিমাটিকে,
কত কত আবেগ, ভালবাসা আর স্নেহ প্রাণকে মুহুর্তে শিহরিত করছে,
যাকে অনুভবের দৃষ্টিতে এত তীব্র স্পর্শে আঁকড়ে আছি,
একটাবার যেন, অন্তত একটাবারই সই, আমি ছুঁতে পারি।
বিশ্বজুড়ে একটাই নাম আমার হৃদ স্পন্দনকে কম্পিত করে তোলে,
আমি অনুভবে স্পষ্ট শুনি শুধু সেই ডাক,
তাকে আমি দেখেছি যে স্নেহময়ী রূপে,
সেই স্নেহে যেন বঞ্চিত না হই।
রাস্তার কালো এবড়ো খেবড়ো পাথরের দুর্গম পথে আমি চলতে পারি,
চলতে পারি সারাদিন রাত,
রোদ ফাটা কালো পিচের ওপর দিয়ে খালি পায়ে চলতে পারি,
চলতে পারি রাতের হিমেল বাতাসের থরথরে কাঁপানো ঠান্ডায় খালি গায়ে,
শুধু যেন অন্তত একটাবারই সই,
আমি ছুঁতে পারি তোমার হাত।
লড়াই পড়েছি তোমার জীবনে,
কল্পনাতে তোমাকে দেখেছি বিশ্বযুদ্ধে একাকী এক যোদ্ধা তুমি,
দাঁড়িয়ে আছ কুরুক্ষেত্র ন্যায় ফাঁকা মাঠে,
চারিদিকে পড়ে আছে তোমার অস্ত্রাঘাতে ছিন্নভিন্ন সব অমানবিক মানবযন্ত্র।
গান্ডীব ন্যায় বিশালাকার কলমাস্ত্র তোমার হাতে,
যেন অমানবিক মানবযন্ত্র বিনাশে তুমি বরপ্রাপ্ত,
রক্ষা করছ এই বিশ্বসংসারকে।
গান্ডীব ন্যায় বিশালাকার কলমাস্ত্র তোমার হাতে,
যেন অমানবিক মানবযন্ত্র বিনাশে তুমি বরপ্রাপ্ত,
রক্ষা করছ এই বিশ্বসংসারকে।
এমন শ্রেষ্টরূপি প্রাণজ প্রতিমাটিকে আমি
আমার সবটুকু অর্পণ করতে চাই,
ফিরিয়ে দিওনা,
শুধু দিও স্নেহাশিস হাত।
আমার সবটুকু অর্পণ করতে চাই,
ফিরিয়ে দিওনা,
শুধু দিও স্নেহাশিস হাত।
No comments:
Post a Comment