সংবাদ মাধ্যমগুলো ভোটের মুখে আজ বড্ড দেমাগী। গত ৬ই এপ্রিল, ২০১৬ তে মেয়েমা তসলিমা নাসরিন- এর ওপর থেকে নির্বাসন দন্ড প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যে চিঠিটা পাঠিয়েছিলাম, সেই চিঠিটার তিনটে কপির একটা নবান্নতে মুখ্যমন্ত্রীর নামে রেজিস্ট্রি করেছিলাম, একটা কপি আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকের কাছে ও একটা কপি সংবাদ প্রতিদিনের সম্পাদকের কাছে পাঠিয়েছিলাম। পদ্ধতিগত ব্যাপারে সুনিশ্চিত হতে আজ আনন্দবাজার পত্রিকাতে ফোন করি ও সম্পাদকমন্ডলীর সাথে কথা বলতে ইচ্ছা প্রকাশ করি। প্রথম যে ব্যক্তি ফোন রিসিভ করলেন, উনি যথারীতি কল ট্রান্সফার করেন।
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "হ্যা বলুন কি সহায়তা করতে পারি?"
আমি, "নমস্কার। আমি সৌম্যজিত দত্ত বলছি।"
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "হ্যা, বলুন।"
আমি, "আমি আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতাতে আমার একটা লেখা ছাপানোর জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। চিঠিটা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তসলিমা নাসরিনের ওপর থেকে নির্বাসন দন্ড প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে লেখা। আমি পদ্ধতিগত ব্যাপারে সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু তথ্য জানতে চাই।"
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "আমি এই ব্যাপারে আপনাকে কিছুই বলতে পারবোনা। আপনার চিঠি পৌঁছলে লেখা ছাপানো হবে।"
এই বলে ফোনটা রেখে দিলেন।
সংবাদ মাধ্যম হওয়া উচিত পাঠক ও লেখকের প্রতি বিনয়ি। ফোনের ওপারে দ্বিতীয় ব্যক্তির ব্যবহারে আমি বেশ অসন্তুষ্ট হলাম।
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "হ্যা বলুন কি সহায়তা করতে পারি?"
আমি, "নমস্কার। আমি সৌম্যজিত দত্ত বলছি।"
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "হ্যা, বলুন।"
আমি, "আমি আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদকীয় পাতাতে আমার একটা লেখা ছাপানোর জন্য চিঠি পাঠিয়েছি। চিঠিটা মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে তসলিমা নাসরিনের ওপর থেকে নির্বাসন দন্ড প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে লেখা। আমি পদ্ধতিগত ব্যাপারে সুনিশ্চিত হওয়ার জন্য কিছু তথ্য জানতে চাই।"
দ্বিতীয় ব্যক্তি, "আমি এই ব্যাপারে আপনাকে কিছুই বলতে পারবোনা। আপনার চিঠি পৌঁছলে লেখা ছাপানো হবে।"
এই বলে ফোনটা রেখে দিলেন।
সংবাদ মাধ্যম হওয়া উচিত পাঠক ও লেখকের প্রতি বিনয়ি। ফোনের ওপারে দ্বিতীয় ব্যক্তির ব্যবহারে আমি বেশ অসন্তুষ্ট হলাম।
No comments:
Post a Comment