জীবন বড্ড দোটানায়, তিনটানায় বা তারও বেশি টানায় চলছে। মানুসিক শান্তি আসছেনা কোনকিছুতেই। ছটপট করছি। কাজগুলোতেও একটুও মন বসছেনা। স্নেহ পেতে চায়ছে মন আদর্শের মানুষটার কাছথেকে, ভালবাসা পেতে চায়ছে মন মনের মানুষটার থেকে। এইদুটো মানুষ ছাড়া মাথাতে তো আর কিছুই ঢুকছেনা। এখন দায়িত্ব অনেক বেড়েছে কাজের। প্রকাশকের কাছে লেখা পৌঁছে দিতে হবে। আমি লেখালেখি আমার ব্লগে রাখি, কিন্তু প্রকাশকের কাছে লেখা দিতে হলে A4 কাগজে লিখে দিতে হয়। রিসার্চের ভাইবা ও প্যানেল দু'মাস পরেই, তার প্রস্তুতি নিতে হচ্ছে। ক্লাসে পড়া বোঝাতে গেলে সেগুলো নিয়ম করে অনুশীলন করতে হয়। আবার নতুন করে একটা রিসার্চ ইউনিট তৈরী করেছে ইন্সটিটিউশান, সেখানে ২২ জন সদস্যের একটা ইউনিট তৈরী করা হয়েছে, সেই দায়িত্ব আমার ওপর, আমি সিনিওর হওয়ার জন্য ওদের ডিরেকশন দেওয়ার দায়িত্ব। জুলাই'তে সি.বি.এস.ই নেটের এক্সাম, তার প্রস্তুতির চাপ। ২৩ বছরের পড়াশোনার জীবনে চাপ নিতে আমি শিখেছি। এতটা পথ আসা, আমার কাছে খুব সহজ ছিলনা কখনই। ছোটথেকে ছাত্র হিসেবে মাঝারি মানের ছিলাম, প্রচুর ব্যর্থতা এসেছে আমার পড়াশোনার জীবনে, ফাইনাল প্রজেক্টে তিনবার ব্যর্থ হয়েছিলাম। ভেঙে পড়িনি কখনো। যতবার ব্যর্থ হয়েছি, ভুলগুলো ধরার চেষ্টা করেছি মাথা ঠান্ডা রেখে। বারবার নিজেকে নির্ভুল করার চেষ্টা করতে করতে নির্ভুল হওয়ার একটা প্যাশন জন্মেগেছে মাথাতে। অনবরত পড়াশোনার প্রতিটা অংশ, চিন্তাভাবনা, লেখালেখিগুলো বিশ্লেষণ করি, বারবার ভুল খুঁজে পাই, আবার সেগুলো ঠিক করি। ধৈর্যে অবিচল থেকেছি। কিন্তু এখন এমন একটা মানুসিক অতৃপ্তি মনের মধ্যে এসেগেছে, শুধু মনেহচ্ছে আমাকে ঠিক থাকতে হলে, এই দুটো মানুষের সাহায্য খুব প্রয়োজন। চারিদিকে এমনকিছু ব্যাপার ঘটে যাচ্ছে, উড়ালপুর কান্ড, ভোটের রাজনীতি, ফারজানার মত মেয়েদের অসহায়তা এই ব্যাপার গুলো আমাকে আরও বিক্ষিপ্ত করে তুলছে। চোখের সামনে এগুলো দেখে স্থির থাকতে পারছিনা, মন চায়ছে অনেককিছু করতে, আবার দায়িত্বের পিছুটান পিছন থেকে টেনে আটকে দিচ্ছে আমাকে। অতৃপ্তি গুলো প্রতিমুহুর্তে গ্রাস করছে আমাকে। ছন্দপতন হচ্ছে আমার স্বাভাবিকত্বের।
No comments:
Post a Comment