সবকটা আল্লাহ, ইশ্বর বলে চেঁচানো লোকেরা জড়ো হয়েছে। কে কিভাবে কাকে গালাগালি দেয়? আমি চুপ থাকি, দেখি, শুনি, আজ বলছি সবকটা নষ্ট, ভ্রষ্ট। ইসলাম বলছে ১৪০০ বছর পিছনের মানুসিক চিন্তাকে গ্রহণ করতে। পুরুষতান্ত্রিক সমাজ অক্ষুন্ন রাখতে। যারা ইসলাম মানবেনা, তাদের টুকরো টুকরো করে কাটতে। দেশ ছেড়ে বেরিয়ে যেতে।
স্বাধীন গণতান্ত্রিক যেকোনো দেশেই যেকোনো মানুষের নিজের যুক্তি ও মতবাদ তুলে ধরার অধিকার আছে। সংবিধানের কোন আইন মানুষ খুন করার অনুমতি দিয়েছে ইসলামকে?
গোড়া হিন্দুরা বলছে গরু খেলে খুন কর। মন্দিরের মধ্যে চলা রাজনীতিকে বাইরে ফাঁস করলে ও নোংরা বললে তাদের গলায় ফাঁস পরাও। অতিরিক্ত বুদ্ধিমান রাজনৈতিক হিন্দুরা রাজনীতির অরাজকতা দিয়ে মানুষকে ভয় দেখিয়ে দেশ ছাড়া করে দিচ্ছে। দেশের সংবিধানের কোন আইন রাজনীতিবিদদের অনুমতি দিয়েছে সাধারণ মানুষদের ভয় দেখিয়ে রাঝ্য ছাড়া করার?
নাস্তিক ব্লগাররা সেইদিক গুলো মানুষের সামনে তুলে ধরলেই ধর্মকে গালাগালি করা হয়?
চেতনা আসলেই বা প্রতিবাদী ব্লগার হলেই কি কেউ নাস্তিক হয়?
ধর্মের দোহাই দিয়ে খুন করলেই কি তারা আস্তিক হয়ে যায়?
সবকিছুর পিছনে নোংরা রাজনীতি জড়িয়ে আছে। যেখানে যেমন গরিষ্ঠতা, সেখানে তেমনই রাজনীতি। দেশ কখনো হিন্দুর বা মুসলিমের হয়না। স্বাধীন ও স্বতন্ত্র দেশ মানে সবার দেশ, সমান অধিকারের দেশ। আজ দেখি সংখ্যা গরিষ্ঠতার ভিত্তিতে এই দেশ হিন্দুর, ওই দেশ মুসলিমের বলে নির্দিষ্ট কোনো জাতির রাষ্ট্র করে ফেলেছে। ধর্ম নিরপেক্ষতা, জাত নিরপেক্ষতা না থাকলে মানুষ জাতিকে ধ্বংসের শেষ সীমা অতিক্রম করতে হবে।
ব্লগার ও লেখক: সৌম্যজিত দত্ত।
ব্লগার ও লেখক: সৌম্যজিত দত্ত।
No comments:
Post a Comment