বাংলা সেদিন লজ্জা নয়,
বাংলা হবে অহঙ্কার।
উৎসর্গ- বঙ্গকন্যা তসলিমা নাসরিনকে।
সৌম্যজিৎ।
সাদা পাতায় তোমাকে লিখে যেতে চাই,
সাদা পাতায় তোমাকে স্বাধীন করে যেতে চাই,
তোমাকে স্বাধীন দেখে আমি অমর হতে পারি,
সাদা পাতায় কোনো দাঙ্গা, বিবাদ নাই।
যতদিন, যতযুগ ওঠে তোমার নাম -
মানুষ হৃদয়ে হৃদয়ে,
যতবার তুমি গর্জে ওঠো মানুষ হৃদয়ে -
প্রতিবাদের সুর তুলে,
ততদিন, ততযুগ, ততবার যেন আমিও পাই স্থান
তোমার নামের পরে,
কোথাও একটু ভালোবাসা নিয়ে হৃদয় জুরে।
অমরত্বে বড় সাধ জাগে আজ -
খোলা আকাশ তলে।
প্রতিটা প্রকোষ্ঠে আজ শ্বাস নিই আমি তোমার নামের সাথে,
জেগে ওঠে চেতনা কাঠপুতুলের জীবন ছাপিয়ে,
প্রতিটা রোম, প্রতিটা স্নায়ু, হৃদয় পার হতে চাই
সাহসের শেষ সীমা।
এ জীবন ভাঙতে চায় গড়পড়তা হিসাব,
সাধারন হয়েও চিন্তাতে উপলব্ধি করি অসাধারনত্বের ছাপ,
দেখি বিজয়ের স্বপ্ন আজ তোমাকে ঘিরে।
বাংলা আমার অপূর্ণ লাগে তুমি ছাড়া,
বাংলা আমার নিষ্প্রাণ লাগে বঙ্গকন্যাকে ছাড়া।
তুমি ফিরবেই, এ দৃঢ় বিশ্বাস আমি ধারণ করি বুকে,
বাংলা কখনো পূর্ণ হবেই আমাদের চেতনা জুরে।
আমি স্বপ্নে দেখি আমার বঙ্গকন্যাকে -
মাথায় করে রাখছে মানুষ,
পিছনে দাঁড়িয়ে আমি আমার ভিতর ও বাহিরে জয়ের হাসি হাসছি,
আমি দেখি গোটা কলকাতা জুরে মাতোয়ারা মানুষের দল -
হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে জয়ের উল্লাসে -
গাইছে তসলিমা গান।
দিগ্বিদিক যায়না চেনা,
শ্যামবাজার - রবীন্দ্রসদন লাগছে এক,
ঘর ছেড়েছে ছেলে, বুড়ো,
ডাকাবুকো মেয়েদের দল।
স্বপ্নজুরে আমি দেখি আমার বঙ্গকন্যা -
ব্রিগেডের খোলা মাঠে, মাইক হাতে, -
ভাঙছে পুরুষতন্ত্র,
গোঁড়া পুরুষেরা লজ্জা পাচ্ছে তাদের কৃতকর্মে,
গ্রহন করছে মানবধর্ম।
আমি দেখি বুদ্ধ, বিমান, মমতা -
এক সারিতে বসে সেদিন
চেয়ে আছে তোমার দিকে,
প্রতিটা ভাষণে চেতনা জাগছে ওদের,
পড়ছে হাততালি।
কোথাও সেদিন মানুষের ভিড়ে আমি দাঁড়িয়ে -
মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছি, দেখছি তোমাকে,
বুকটা যেন গর্বে ভেসে যাচ্ছে
আমাদের জয়ের আনন্দে।
কোথাও আমি থাকতে চাই এই জয়ের পিছনে,
আমি দেখতে চাই আমাদের আদর্শ -
বইছে জনজোয়ারে।
সেদিন বাংলা লজ্জা নয়,
সেদিন বাংলা হবে অহঙ্কার,
সেদিন বাংলায় সেজে উঠবে ভালোবাসার মানুষেরা -
নিয়ে ভালোবাসার অধিকার।
সকল সমক্ষে রাস্তায় দাঁড়িয়ে,
লজ্জার বাধ পিছনে ফেলে চুমু খাবে পরস্পরে,
প্রেমকে তারা করবে জয়,
বুক ফুলিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করে।
সেদিন বাংলায় থাকবেনা হিন্দু, থাকবেনা মুসলমান,
সকল মানুষ এক হবে সেদিন বঙ্গবাসী হয়ে।
ছোট খোকারা শিখবে সেদিন মূল্যবোধের শিক্ষা,
তুমি ফিরলেই বাংলা হবে বাংলাতেই জগৎ সেরা।
সবাই সেদিন এক্সুরে বলে উঠবে -
"আমরা নই হিন্দু, আমরা নই মুসলমান,
জাতিভেদের কলঙ্ক চাইনা মাখতে আর, আমরা বাংলাবাসী।
আমরা উঠি সকালবেলাই এক সূর্য দেখে,
একই টাকা ছুঁই আমরা -
রুজি-রুটি-কারবারে।
আমরা চলি বাংলার পথে,
একই পথের পথিক,
শ্বাস নিই একই বাতাসে প্রাণ ভরে,
কোথাও নাই ভেদ।
আমরা বাংলাবাসী।"
বাংলা হবে অহঙ্কার।
উৎসর্গ- বঙ্গকন্যা তসলিমা নাসরিনকে।
সৌম্যজিৎ।
সাদা পাতায় তোমাকে লিখে যেতে চাই,
সাদা পাতায় তোমাকে স্বাধীন করে যেতে চাই,
তোমাকে স্বাধীন দেখে আমি অমর হতে পারি,
সাদা পাতায় কোনো দাঙ্গা, বিবাদ নাই।
যতদিন, যতযুগ ওঠে তোমার নাম -
মানুষ হৃদয়ে হৃদয়ে,
যতবার তুমি গর্জে ওঠো মানুষ হৃদয়ে -
প্রতিবাদের সুর তুলে,
ততদিন, ততযুগ, ততবার যেন আমিও পাই স্থান
তোমার নামের পরে,
কোথাও একটু ভালোবাসা নিয়ে হৃদয় জুরে।
অমরত্বে বড় সাধ জাগে আজ -
খোলা আকাশ তলে।
প্রতিটা প্রকোষ্ঠে আজ শ্বাস নিই আমি তোমার নামের সাথে,
জেগে ওঠে চেতনা কাঠপুতুলের জীবন ছাপিয়ে,
প্রতিটা রোম, প্রতিটা স্নায়ু, হৃদয় পার হতে চাই
সাহসের শেষ সীমা।
এ জীবন ভাঙতে চায় গড়পড়তা হিসাব,
সাধারন হয়েও চিন্তাতে উপলব্ধি করি অসাধারনত্বের ছাপ,
দেখি বিজয়ের স্বপ্ন আজ তোমাকে ঘিরে।
বাংলা আমার অপূর্ণ লাগে তুমি ছাড়া,
বাংলা আমার নিষ্প্রাণ লাগে বঙ্গকন্যাকে ছাড়া।
তুমি ফিরবেই, এ দৃঢ় বিশ্বাস আমি ধারণ করি বুকে,
বাংলা কখনো পূর্ণ হবেই আমাদের চেতনা জুরে।
আমি স্বপ্নে দেখি আমার বঙ্গকন্যাকে -
মাথায় করে রাখছে মানুষ,
পিছনে দাঁড়িয়ে আমি আমার ভিতর ও বাহিরে জয়ের হাসি হাসছি,
আমি দেখি গোটা কলকাতা জুরে মাতোয়ারা মানুষের দল -
হাতে প্ল্যাকার্ড নিয়ে জয়ের উল্লাসে -
গাইছে তসলিমা গান।
দিগ্বিদিক যায়না চেনা,
শ্যামবাজার - রবীন্দ্রসদন লাগছে এক,
ঘর ছেড়েছে ছেলে, বুড়ো,
ডাকাবুকো মেয়েদের দল।
স্বপ্নজুরে আমি দেখি আমার বঙ্গকন্যা -
ব্রিগেডের খোলা মাঠে, মাইক হাতে, -
ভাঙছে পুরুষতন্ত্র,
গোঁড়া পুরুষেরা লজ্জা পাচ্ছে তাদের কৃতকর্মে,
গ্রহন করছে মানবধর্ম।
আমি দেখি বুদ্ধ, বিমান, মমতা -
এক সারিতে বসে সেদিন
চেয়ে আছে তোমার দিকে,
প্রতিটা ভাষণে চেতনা জাগছে ওদের,
পড়ছে হাততালি।
কোথাও সেদিন মানুষের ভিড়ে আমি দাঁড়িয়ে -
মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনছি, দেখছি তোমাকে,
বুকটা যেন গর্বে ভেসে যাচ্ছে
আমাদের জয়ের আনন্দে।
কোথাও আমি থাকতে চাই এই জয়ের পিছনে,
আমি দেখতে চাই আমাদের আদর্শ -
বইছে জনজোয়ারে।
সেদিন বাংলা লজ্জা নয়,
সেদিন বাংলা হবে অহঙ্কার,
সেদিন বাংলায় সেজে উঠবে ভালোবাসার মানুষেরা -
নিয়ে ভালোবাসার অধিকার।
সকল সমক্ষে রাস্তায় দাঁড়িয়ে,
লজ্জার বাধ পিছনে ফেলে চুমু খাবে পরস্পরে,
প্রেমকে তারা করবে জয়,
বুক ফুলিয়ে ভালোবাসা প্রকাশ করে।
সেদিন বাংলায় থাকবেনা হিন্দু, থাকবেনা মুসলমান,
সকল মানুষ এক হবে সেদিন বঙ্গবাসী হয়ে।
ছোট খোকারা শিখবে সেদিন মূল্যবোধের শিক্ষা,
তুমি ফিরলেই বাংলা হবে বাংলাতেই জগৎ সেরা।
সবাই সেদিন এক্সুরে বলে উঠবে -
"আমরা নই হিন্দু, আমরা নই মুসলমান,
জাতিভেদের কলঙ্ক চাইনা মাখতে আর, আমরা বাংলাবাসী।
আমরা উঠি সকালবেলাই এক সূর্য দেখে,
একই টাকা ছুঁই আমরা -
রুজি-রুটি-কারবারে।
আমরা চলি বাংলার পথে,
একই পথের পথিক,
শ্বাস নিই একই বাতাসে প্রাণ ভরে,
কোথাও নাই ভেদ।
আমরা বাংলাবাসী।"
No comments:
Post a Comment