খোলা হাওয়ায় একলা বসে ভাবি, সীমাহীন পথে যখন আমি দিশাহীন, এক আদর্শের যোদ্ধা আমাকে পথ দেখায়। যুদ্ধ ঘটে প্রতিনিয়ত, জীবনের প্রতিক্ষেত্রে। ভাঙা গড়া দিয়ে মিলে মিশে ওঠে জীবন, আর ভেঙে পড়ার পর যখন উঠে দাঁড়ানোর শক্তি খুঁজি, দেখি সামনে এক আলোর জ্যোতি আমাকে স্মরণ করাচ্ছে জীবন বিভীশিখার পরও একাকী লড়ে গড়ে ওঠার বাস্তব রূপ। লড়াই সে লড়েছে সত্য প্রতিষ্ঠা করতে, সমাজবুকে আদর্শ নিয়ে কুসংস্কারের বিরুদ্ধে, লড়াই সে লড়েছে অধিকার ছিনিয়ে নিতে,
ছোট বড় বিভেদ সে মানেনি। সে লড়াই করেছে নির্ভীক খোলাখুলি, লড়াই করেছে বহুযুগের হয়ে আসা, ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা রাজনীতি, ধর্মনীতি ও বৃহৎ মস্তিষ্কের দার্শনিক চিন্তাতে গড়া একছত্র
আধিপত্য নিয়ে থাকা পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে। সুখের জীবন সে চাইনি, আদর্শের খাতিরে ডাক্তারির চাকরি ত্যাগ করেছে, সামাজিক মর্যাদা ত্যাগ করেছে, ত্যাগ করেছে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার সাধারন জীবন। মিথ্যে কলঙ্ককে মাথা পেতে নেয়নি, পাল্টা লড়াই করেছে গায়ে লাগা কলঙ্কের বিরুদ্ধে,
আদর্শের খাতিরে ভেঙে পড়েও মাথা নত করেনি ভণ্ড পুরুষতন্ত্রের সামনে। নিজেকে কখনো বিকিয়ে দেয়নি খোলা বাজারে। মৃত্যুর সামনে মাথা নত করেনি, মৃত্যু থেকে বাঁচতে কোনো ছদ্মবেশী রূপে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে লড়েছে মিথ্যে কলঙ্ককে নির্মূল করতে। দেশ ছাড়া হয়েছে, পররাষ্ট্রে এসে অপমানিত হয়েছে রাজনৈতিক শ্লীলতাহানির শিকার হয়ে, দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ভারত রাষ্ট্রের কাছে। তারপরেও সে নিজের গতিমুখ পাল্টায়নি। আজও সে লড়ছে সমাজে প্রতিটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আজও সে নির্ভীক। বিতর্ক পদে পদে তাকে অনুসরন করেছে, তার পরেও সে নিজের জায়গায় অটল। এমন মানসিক সাহস সে শুধু নিজেই ধরে রাখেনি, আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। জীবনময় যুদ্ধ করেও যদি সে এখনও লড়াই করে বাঁচতে ও এগোতে পারে, তবে আমরা কেন পারবো না? আমি কেন পারবো না? ধৈর্য, আদর্শ, সততা, আত্মবিশ্বাসকে শক্তি করে আমরাও যেকোনো লড়াই লড়তে পারি নির্ভীক। এই আদর্শ তসলিমা নাসরিনের। অন্যায়ের সামনে আমরা কখনো মাথা নত করব না। লড়াই আসবে পদে পদে, লড়াই থেকে পিঠ বাঁচিয়ে পালাবো না। জিতবো। জিতবোই।
ছোট বড় বিভেদ সে মানেনি। সে লড়াই করেছে নির্ভীক খোলাখুলি, লড়াই করেছে বহুযুগের হয়ে আসা, ধীরে ধীরে গড়ে ওঠা রাজনীতি, ধর্মনীতি ও বৃহৎ মস্তিষ্কের দার্শনিক চিন্তাতে গড়া একছত্র
আধিপত্য নিয়ে থাকা পুরুষতন্ত্রের বিরুদ্ধে। সুখের জীবন সে চাইনি, আদর্শের খাতিরে ডাক্তারির চাকরি ত্যাগ করেছে, সামাজিক মর্যাদা ত্যাগ করেছে, ত্যাগ করেছে খেয়ে পরে বেঁচে থাকার সাধারন জীবন। মিথ্যে কলঙ্ককে মাথা পেতে নেয়নি, পাল্টা লড়াই করেছে গায়ে লাগা কলঙ্কের বিরুদ্ধে,
আদর্শের খাতিরে ভেঙে পড়েও মাথা নত করেনি ভণ্ড পুরুষতন্ত্রের সামনে। নিজেকে কখনো বিকিয়ে দেয়নি খোলা বাজারে। মৃত্যুর সামনে মাথা নত করেনি, মৃত্যু থেকে বাঁচতে কোনো ছদ্মবেশী রূপে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যায়নি। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত সে লড়েছে মিথ্যে কলঙ্ককে নির্মূল করতে। দেশ ছাড়া হয়েছে, পররাষ্ট্রে এসে অপমানিত হয়েছে রাজনৈতিক শ্লীলতাহানির শিকার হয়ে, দৈহিক ও মানসিক নির্যাতনের শিকার হয়েছে ভারত রাষ্ট্রের কাছে। তারপরেও সে নিজের গতিমুখ পাল্টায়নি। আজও সে লড়ছে সমাজে প্রতিটা অন্যায়ের বিরুদ্ধে, আজও সে নির্ভীক। বিতর্ক পদে পদে তাকে অনুসরন করেছে, তার পরেও সে নিজের জায়গায় অটল। এমন মানসিক সাহস সে শুধু নিজেই ধরে রাখেনি, আমাদের সামনে দৃষ্টান্ত তুলে ধরেছে। জীবনময় যুদ্ধ করেও যদি সে এখনও লড়াই করে বাঁচতে ও এগোতে পারে, তবে আমরা কেন পারবো না? আমি কেন পারবো না? ধৈর্য, আদর্শ, সততা, আত্মবিশ্বাসকে শক্তি করে আমরাও যেকোনো লড়াই লড়তে পারি নির্ভীক। এই আদর্শ তসলিমা নাসরিনের। অন্যায়ের সামনে আমরা কখনো মাথা নত করব না। লড়াই আসবে পদে পদে, লড়াই থেকে পিঠ বাঁচিয়ে পালাবো না। জিতবো। জিতবোই।
No comments:
Post a Comment