আর এই যে আমার উনিশ বসন্তের জান্নাত। জান্নাত নামটা মনে হয় প্রথম আমিই ডেকেছি তোমাকে। আমার তো তাইই মনে হয়েছে। নাহলে প্রথমবার ওভাবে বাচ্চাদের মত জিজ্ঞাসা করতে না "তুমি আমাকে জান্নাত বলো কেন? আমি প্রীতি। আমাকে প্রীতি ডাকবা।" আমি বলেছিলাম ওটা হচ্ছেনা। আমি জান্নাতই ডাকবো। আমাকে "নারীর নাড়ি" বইটা পড়ালে। বইটার মধ্যে একটা নারীর অদম্য জেদ খুঁজে পেলাম। মুগ্ধ হয়ে গেলাম সেই নারীর প্রতি। আরে এমন নারী কি শুধুই আর বইয়ের পাতায় সাজিয়ে রাখার বিষয়! এই নারী তো সমাজের সামনে দৃস্টান্ত হওয়ার ক্ষমতা রাখে! আমাকে রিভিউ লিখতে বললে তড়িঘড়ি। সময়ও দিলেনা তেমন। কোনোরকমে একদিনেই বইটা পড়ে রিভিউ লিখে দিলাম। সেই রিভিউয়ের যে কি হাল হল, কিছুই বুঝলাম না। ভেবেছিলাম পরে জিজ্ঞাসা করবো তোমাকে, কিন্তু সঙ্কোচ হল। তোমার সাথে মাঝেমাঝেই মারামারি বেধে যায়, কথার মারামারি। ভীষণ বুদ্ধি তোমার মস্তিষ্কে, তেমনই একটা অসহ্য অহং বোধ কাজ করে তোমার মধ্যে। কমেন্ট ডিলিট করে দাও পছন্দ না হলেই। আর কমেন্টেটরকে নিজের স্বপক্ষে যুক্তিটুকুও তুলে ধরতে দিতে চাও না। এইজন্য আমি চরম বিরক্ত হয়ে গেছিলাম। বিরক্ত হলেও ভালোও তো বাসি। তাই ওই ভালবাসাটাই বেশি প্রাধান্য পেয়েছে। ভীষণ মিস্টি তুমি। চাপড় চোপড় করে বাচ্চাদের মত কথা বলতে পারো। ওই কথাতেই তো সব রাগ ভুল হয়ে যায়। আসন্ন প্রেমিকগুলোর কপালে অনেক কষ্ট আছে এমন প্রেমিকার সাথে প্রেম করার জন্য। সর্বোপরি পৃথিবী তোমার সাথে আমার সম্পর্ক নিয়ে হয়ত ভুল বুঝে আছে, কিন্তু আমি আর তুমি যে ভুল বুঝিনি এটাই অনেক। প্রেমের প্রেম আর বন্ধুত্বের প্রেমে পার্থক্য আছে এটুকুই মানুষ বুঝতে চায়না। সেদিনের কবিতাটা যখন লিখে আমাকে দেখালে, আমি বলেছিলাম "আন্তর্জাতিক মানের।" যতই উপন্যাস লেখো না কেন, কবিতাটা লিখবে। অন্তত ৫৫-৬০ খানা কবিতা লিখে আমাকে দেবে, ওগুলো নিয়ে আমার কাজ আছে। তোমাকে আরেকটা কথা বলে দিচ্ছি যেটা আমি আর কাওকে বলবো না, "আনন্দ পুরস্কারটা তোমার কাছে ঠিক পৌঁছবে।" আবারও কি বলতে হবে শুভ জন্মদিন! না বললেই কি নয়! অনেক লিখে ফেলেছি তো মনে হচ্ছে! আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা, কিছু অন্তত এখানে লিখি। অনেক আনন্দ করো সমস্ত দিনগুলোতে। মানুষের মনে জায়গা করে নিও। মানুষকে নিজের মত করে যেমন ইচ্ছা সেভাবে ভালবেসো। টাটা।
No comments:
Post a Comment