নারীর সম্মান।
সৌম্যজিত দত্ত।
নারী তো মানুষ, নারী তুমি দেবী।
নারী আমি পূজারী।
সমাজ যখন তোমাকে অসম্মান করে,
সমাজ যখন তোমাকে ধর্ষণ করে,
সমাজ যখন তোমাকে ধিক্কার দেয়, লাঞ্চনা, অপমান সব
দেয়, তখনও আমি তোমাকে সম্মান করি।
সমাজ যখন তোমাকে দেবিতুল্যে সম্মান করে,
নারী, আমি তখনও তোমাকে সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি,
ভালবাসি। নারী, আমি কখনও তোমাকে কোনো কটুক্তি করিনা।
তবে কেন আমাকে তুমি অসম্মান করো?
কেন আমার দেওয়া সম্মানকে তুমি সন্দেহ করো?
আমি পুরুষ বলে? সেতো অনেকেই পুরুষ আছে সমাজে,
অনেকরকম পুরুষ আছে, ভালো খারাপ সবাই আছে,
অসম্মান করলে খারাপকে করো, দোষ বিচার করে করো।
শুধু শুধু যারা নিস্পাপ, তাদের কেন অসম্মান করো?
হয়ত তোমার বোঝার ক্ষমতা নেই,
হয়ত তোমার চোখ কালো কাপড়ে ঢাকা,
হয়ত কেন, তাইই হবে নিশ্চয়।
তোমার জ্ঞান চোখ বন্ধ, আমারতো নয়,
তাই, যত অসম্মানি কর না কেন,
আমি তোমাকে সম্মান ঠিকই করবো।
নইলে যে আমার আদর্শ হারিয়ে যাবে।
আজ আমারি লেখা একটা কবিতা খুব কানে ভাসছে।
নারী,
তোর শেকল বাঁধা পায়ের ধ্বনি কানে ভাসে,
নারী তোর বুকে ওরা লাঙ্গল দিয়ে বাচ্চা চষে।
নারী তোর গায়ে ওরা বোরখা চাপায়,
নারী তোর শরীর আছে তবু মন নাই।
চল নারী তোকে নিয়ে আমি লড়াই গড়ি,
আয়, তোর খাঁচা খুলে তোকে মুক্ত করি।
চল ভাঙি পুরুষ জাতের পুরুষ তন্ত্র,
আমারও তো মা আছে, তোদের মতোই মেয়ে যন্ত্র।
চল নারী তবে লড়াই করি তাদের সাথে,
ভালবাসার ছলে যারা শরীর মন ছিন্ন করে।
নারী তুই আসবি তো, থাকবি তো, এই লড়াইয়ে?
আমি তোদের সাহস দেবো, স্বপ্ন দেবো,
জীবন দিয়ে।
আজ আমারি লেখা একটা কবিতা খুব কানে ভাসছে।
নারী,
তোর শেকল বাঁধা পায়ের ধ্বনি কানে ভাসে,
নারী তোর বুকে ওরা লাঙ্গল দিয়ে বাচ্চা চষে।
নারী তোর গায়ে ওরা বোরখা চাপায়,
নারী তোর শরীর আছে তবু মন নাই।
চল নারী তোকে নিয়ে আমি লড়াই গড়ি,
আয়, তোর খাঁচা খুলে তোকে মুক্ত করি।
চল ভাঙি পুরুষ জাতের পুরুষ তন্ত্র,
আমারও তো মা আছে, তোদের মতোই মেয়ে যন্ত্র।
চল নারী তবে লড়াই করি তাদের সাথে,
ভালবাসার ছলে যারা শরীর মন ছিন্ন করে।
নারী তুই আসবি তো, থাকবি তো, এই লড়াইয়ে?
আমি তোদের সাহস দেবো, স্বপ্ন দেবো,
জীবন দিয়ে।
No comments:
Post a Comment