প্রকৃতিবিজ্ঞান ও মস্তিস্ক।
সৌম্যজিত দত্ত।
মস্তিস্কের জটর , কত কত সেল,
তার ভিতরে গ্রন্থিবদ্ধ থাকে স্নায়ু।
আমাদের মনের ভিতরেও হাজার রকম দরজা,
দরজার ভিতরে নানান ছক স্তরীভূত।
চেতন ও অবচেতনে সবই একপ্রকার খেলা।
তবে বুদ্ধির বাস কি সেই সেলে? নাকি মনের দরজার ভিতরে?
সামনে যখন কোনো ছবি দেখি,
সেটা ক্যাপচার করে ব্রেন, আবদ্ধ হয় মস্তিস্কের সেলে।
আবার যখন অনেক সময় পর সেই একই ছবি দেখি,
তখন কোথাও যেন মনের দরজায় ধাক্কা খায়,
তারপর নিমেষে মস্তিস্ক সেল থেকে বেরিয়ে আসে তারই প্রতিচ্ছবি।
মস্তিস্ক চর্চা ও মনের চর্চা তো আন্তসম্পর্কযুক্ত।
একটা ছাড়া আরেকটার অস্তিত্ব প্রকৃতিগত ভাবে মেলেনা।
মন যখন কোনকিছুতে মনোনিবেশ করে,
সেটাতে চিন্তাভাবনার গভিরতা খোঁজে ব্রেন,
একের পর এক খোঁজাখুঁজি তোলপার করে,
সেটাকে জায়গা দেয় মস্তিস্কের সেল।
আবার সেখান থেকে প্রপোজাল আসে মনের দরজায়।
মন সেটাকে পারমিট করলে, তবেই তার বাস্তব রূপ প্রকাশ পায়।
প্রকৃতি বিজ্ঞানের এ হেন সৃষ্টি অতুলনীয়।
আমাদের কল্পনা বিজ্ঞানে যদি এমন কোনো সৃষ্টির খোঁজ মেলে,
তবেই সেদিন মানবজাতি প্রকৃতি তুল্য হতে পারে।
প্রকৃতির খেলা রাসায়নিক, আমরা খেলি প্রোগ্রামিং এ।
সৌম্যজিত দত্ত।
মস্তিস্কের জটর , কত কত সেল,
তার ভিতরে গ্রন্থিবদ্ধ থাকে স্নায়ু।
আমাদের মনের ভিতরেও হাজার রকম দরজা,
দরজার ভিতরে নানান ছক স্তরীভূত।
চেতন ও অবচেতনে সবই একপ্রকার খেলা।
তবে বুদ্ধির বাস কি সেই সেলে? নাকি মনের দরজার ভিতরে?
সামনে যখন কোনো ছবি দেখি,
সেটা ক্যাপচার করে ব্রেন, আবদ্ধ হয় মস্তিস্কের সেলে।
আবার যখন অনেক সময় পর সেই একই ছবি দেখি,
তখন কোথাও যেন মনের দরজায় ধাক্কা খায়,
তারপর নিমেষে মস্তিস্ক সেল থেকে বেরিয়ে আসে তারই প্রতিচ্ছবি।
মস্তিস্ক চর্চা ও মনের চর্চা তো আন্তসম্পর্কযুক্ত।
একটা ছাড়া আরেকটার অস্তিত্ব প্রকৃতিগত ভাবে মেলেনা।
মন যখন কোনকিছুতে মনোনিবেশ করে,
সেটাতে চিন্তাভাবনার গভিরতা খোঁজে ব্রেন,
একের পর এক খোঁজাখুঁজি তোলপার করে,
সেটাকে জায়গা দেয় মস্তিস্কের সেল।
আবার সেখান থেকে প্রপোজাল আসে মনের দরজায়।
মন সেটাকে পারমিট করলে, তবেই তার বাস্তব রূপ প্রকাশ পায়।
প্রকৃতি বিজ্ঞানের এ হেন সৃষ্টি অতুলনীয়।
আমাদের কল্পনা বিজ্ঞানে যদি এমন কোনো সৃষ্টির খোঁজ মেলে,
তবেই সেদিন মানবজাতি প্রকৃতি তুল্য হতে পারে।
প্রকৃতির খেলা রাসায়নিক, আমরা খেলি প্রোগ্রামিং এ।
No comments:
Post a Comment