১) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, বাংলাদেশে বাংলা সাহিত্যের ইতিহাসে সর্বকনিষ্ঠা আত্মজীবনী লেখিকা জান্নাতুন নাঈম প্রীতির সাথে নাকি আমার গভীর প্রেমের সম্পর্ক। কোনটা প্রেম, আর কোনটা গভীর প্রেম, এর সংজ্ঞাটা কে নির্ধারণ করবে! আমার তো মনে হয় জান্নাতের সাথে আমার সম্পর্ক নিখাত বন্ধুত্বের। এমন একটি বন্ধুত্ব যেখানে কোনো কামের, ঘামের প্রত্যাশা নেই। শুধু নিঃস্বার্থভাবে একে অপরের পাশে থাকার বন্ধুত্ব। হয়ত অন্যদের অবাক লাগতেই পারে এমন সম্পর্কে, কিন্তু আমি এবং জান্নাত আমাদের এই বন্ধুত্বের সম্পর্কে কেউই অবাক নই। কারণ আমরা খুব ভালো করেই জানি, আমাদের এই সম্পর্কটা কতটা পবিত্র! জান্নাতকে আমি সবসময় একটি বাচ্চা মেয়ের মত করে ভাবি। ওর লেখা "উনিশ বসন্ত" বইটিতে আমি যে মাত্র ছয় বছরের বাচ্চাটিকে অনুভব করেছিলাম, আমার কাছে মানুষ জান্নাতও সবসময় সেই মাত্র ছয় বছরের বাচ্চা হয়েই থেকে গেছে।
২) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আমি একটি প্রেমের সম্পর্কে থাকার পরও কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লিখতাম! কবিতা আমি যখন যা'কে নিয়ে মন চেয়েছে, তা'কে নিয়েই লিখেছি। একজন কবির কবিতাকে কখনো আটকে রাখা যায় না। জোর করে যেমন কবিতা লেখা যায়না, তেমনই কবিতা পেলে কবি কখনোই সেটাকে আটকে রাখতে পারেনা। যদি একটি বাচ্চা মেয়েকে ভাললাগায় বা ভালবেসে কবিতা লিখিও, এর মানে কখনো এটা প্রমাণিত হতে পারেনা যে তার সাথে আমার নিশ্চয় কোনো অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক আছে। "আমি একজন পুরুষ, জান্নাত একজন নারী" এমন চিন্তাই কখনো আমার মাথাতে আসেনি। জান্নাতকে আমি সবসময় মানুষ ভেবে ভালবেসেছি। এটা লেখিকা জান্নাতও খুব ভালো করেই জানে।
৩) কাওকে নিয়ে কবিতা লিখলে যদি তার সাথে প্রেম করছি ধরে নেওয়া হয়, তবে আমি তো লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে সবথেকে বেশি কবিতা লিখেছি। আমার সিংহভাগ কবিতাই লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে লেখা। লেখিকা তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আমার মনে কেমন অনুভূতি আছে, সেটা জানতে নিশ্চয়ই মানুষকে খুব বেশি ভাবতে হবে না। অতয়েব, লেখিকা তসলিমা নাসরিন যদি আমার আদর্শের মানুষ হয়, তাকে ভালবেসে আমি কবিতা লিখলে যদি সেটা অন্যায় না হয়, তবে কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লেখা আমার অপরাধ হতে যাবে!
৪) একটি প্রেমের সম্পর্কে যখন মানুষ নিজেকে খুব বেশি জড়িয়ে ফেলে, তখন সেই সম্পর্কে অনেক বেশি পাগলামিও চলে আসে। আমি ভীষণ আবেগপ্রবণ। অতয়েব, এটা স্বাভাবিক ছিল যে আমি খুব বেশি ভাবনাচিন্তা না করে শুধু ওই প্রেমের সম্পর্কে বয়ে যাচ্ছিলাম। অনেক বেশি পাগলামি করে ফেলছিলাম। আমার কথাগুলো হয়ত খুব বেশিই আবেগের ছিল, আমার আনন্দ, কষ্ট সবটাই ভাগ করে নিচ্ছিলাম। কেন ভাগ করে নিচ্ছিলাম! কারণ আমি জেনেছিলাম, এই জায়গাটা আমার একটি নিশ্চিন্ত আশ্রয়। আমি আমার সবটা এখানে ভাগ করে নিতে পারি। কিন্তু যেটা পরবর্তীকালে হল, আমার সেইসমস্ত কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়াই আমাকে শুনতে হয়েছে, আমি সবসময় নেতিবাচক চিন্তা করি। ছোট ছোট ব্যাপারে দুশ্চিন্তা করি বেশি। তাই আমি "আনস্মার্ট।" আমার বলা কথাগুলি নিয়ে যথেষ্ট হেঁয়ালিও হয়েছে অবশ্য।
৫) নারী ও পুরুষের গোঁড়ামি আমার মধ্যে কখনোই ছিল না সেই তবে থেকে, যেদিন থেকে আমি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের আদর্শের সাথে মিশে গেছিলাম। অথচ বারেবারে আমাকে অপমানিত হতে হয়েছে পুরুষতান্ত্রিক পুরুষের উদাহরণ সামনে পেশ করে। আমি তো কখনো সেই অপমানের প্রতিবাদ করিনি। আমি শুধু বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি যে এটা ঠিক নয়, এটা ভুল। আর কেউ যদি অপমান করে, তাকে বোঝানো উচিৎ। কিন্তু সেখানে আমি বারেবারে সেই অপমানকারীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখেছি। শুধু তাই নয়, তার সাথে আমি এক অহংকারী মূর্তিকেও প্রকাশ পেতে দেখেছি আমার সামনে। অবহেলা অনুভব করেছি আমার প্রতি। আমি প্রতিবাদ না করেই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে এসেছি।
৬) সম্পর্ক থেকে দূরে সরে আসার পর যখন আমি অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছিলাম, ঠিক সেই মুহূর্তে আমি কিরণকে দেখি। আমার মনে হয় কিরণ আমার কষ্টের ওষুধ হতে পারে। কিরণকে দেখে আমি সব ভুলে যেতাম। ভালবেসে ফেলি আমি কিরণকে। এরপরও যখন সেই সম্পর্কহীন হয়ে যাওয়া সম্পর্কের মানুষটা রাতের বেলায় একটু কথা বলতে চেয়েছিল, আমি কথা বলেছিলাম। প্রেমিক হয়ে নয়, একজন মানুষ হয়ে কথা বলেছিলাম। তারপর যখন আমি তাকে বলি ঘুমনোর জন্য, চোখের নিচে কালি জমছে, আমি তো একজন মানুষ হয়ে আরেকজন মানুষকে কথাটা বলেছিলাম, কিন্তু বিনিময়ে তার বোন পরোক্ষভাবে উত্তর দিয়ে দেয়, "শুরু শুরুতে সবকিছুই ভীষণ ভালো লাগে। দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। সময় ফুরিয়ে গেলে সবকিছুই কুৎসিত মনে হয়। চোখের নিচের কালিও চোখে পড়ে।" আমি ভীষণ অপমানিত হই। আমার নিজের প্রতি ভীষণ ঘেন্না হয়। আমি ভাবি, আর নয়, আর কখনো কথা বলবো না।
৭) এরপরও বিতর্ক শেষ হয়নি। বারেবারে আমি মানুষের মুখে জান্নাতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছি। এমনসব বিতর্কে যখন ভীষণভাবে জর্জরিত হচ্ছি, আমার পাশে যখন আমি কাওকে পাচ্ছি না, পাচ্ছি না কারণ নারীর চোখে আমি একজন পুরুষ, যেহেতু নারী নিজেকে কেবল নারীই ভাবে, মানুষ ভাবতে পারে না, তাই একজন পুরুষ সে পুরুষতান্ত্রিক চিন্তার বিরুদ্ধে হলেও নারীর চোখে কখনো সে মানুষ হতে পারে না, পুরুষ হিসেবেই তাকে সন্দের সামনে দাঁড়াতে হয়। এরপরও আমি এই সব বিতর্কে কখনো ভেঙে পড়িনি। ভেঙে আমি তখন পড়লাম, যখন দেখলাম এতকিছুর পর আমার আদর্শের মানুষটার থেকে, লেখিকা তসলিমা নাসরিনের থেকে আমি দূর হয়ে গেছি। লেখিকার একটু স্নেহের জন্য ছটপট করছি, তবুও পাচ্ছি না, তখন আমার মনে হল, আর কিছু অবশিষ্ট নেই, আমি আমার সবটুকু হারিয়ে ফেলেছি। গোটা পৃথিবী আমাকে ভুল বুঝলেও আমার কোনোকিছু এসে যাবে না। কিন্তু লেখিকা তসলিমা নাসরিনের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলে আমার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে। হয়ত আমি লেখিকারও ভুল বোঝার শিকার হয়েছি। আমার আর কোনো ইচ্ছা নেই, কোনো স্বপ্ন নেই, কোনো প্রেম নেই, কোনো ভালবাসা নেই, এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাটুকুও অবশিষ্ট নেই। অন্ধকারে ডুবে গেছি যেন। এরপরও আমি চেষ্টা করবো স্বাভাবিক থাকতে। এরপরও আমি চেষ্টা করবো আমার ব্যর্থ হওয়া কাজগুলিকে সফল করতে। ব্যস, এটুকুই। আমি শুধু চেষ্টা করতে পারি। এর অধিক আমি আর কিছুই করতে পারবো না। সেই শক্তিও নেই আর।
২) আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ আছে, আমি একটি প্রেমের সম্পর্কে থাকার পরও কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লিখতাম! কবিতা আমি যখন যা'কে নিয়ে মন চেয়েছে, তা'কে নিয়েই লিখেছি। একজন কবির কবিতাকে কখনো আটকে রাখা যায় না। জোর করে যেমন কবিতা লেখা যায়না, তেমনই কবিতা পেলে কবি কখনোই সেটাকে আটকে রাখতে পারেনা। যদি একটি বাচ্চা মেয়েকে ভাললাগায় বা ভালবেসে কবিতা লিখিও, এর মানে কখনো এটা প্রমাণিত হতে পারেনা যে তার সাথে আমার নিশ্চয় কোনো অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক আছে। "আমি একজন পুরুষ, জান্নাত একজন নারী" এমন চিন্তাই কখনো আমার মাথাতে আসেনি। জান্নাতকে আমি সবসময় মানুষ ভেবে ভালবেসেছি। এটা লেখিকা জান্নাতও খুব ভালো করেই জানে।
৩) কাওকে নিয়ে কবিতা লিখলে যদি তার সাথে প্রেম করছি ধরে নেওয়া হয়, তবে আমি তো লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে সবথেকে বেশি কবিতা লিখেছি। আমার সিংহভাগ কবিতাই লেখিকা তসলিমা নাসরিনকে নিয়ে লেখা। লেখিকা তসলিমা নাসরিন সম্পর্কে আমার মনে কেমন অনুভূতি আছে, সেটা জানতে নিশ্চয়ই মানুষকে খুব বেশি ভাবতে হবে না। অতয়েব, লেখিকা তসলিমা নাসরিন যদি আমার আদর্শের মানুষ হয়, তাকে ভালবেসে আমি কবিতা লিখলে যদি সেটা অন্যায় না হয়, তবে কেন জান্নাতকে নিয়ে কবিতা লেখা আমার অপরাধ হতে যাবে!
৪) একটি প্রেমের সম্পর্কে যখন মানুষ নিজেকে খুব বেশি জড়িয়ে ফেলে, তখন সেই সম্পর্কে অনেক বেশি পাগলামিও চলে আসে। আমি ভীষণ আবেগপ্রবণ। অতয়েব, এটা স্বাভাবিক ছিল যে আমি খুব বেশি ভাবনাচিন্তা না করে শুধু ওই প্রেমের সম্পর্কে বয়ে যাচ্ছিলাম। অনেক বেশি পাগলামি করে ফেলছিলাম। আমার কথাগুলো হয়ত খুব বেশিই আবেগের ছিল, আমার আনন্দ, কষ্ট সবটাই ভাগ করে নিচ্ছিলাম। কেন ভাগ করে নিচ্ছিলাম! কারণ আমি জেনেছিলাম, এই জায়গাটা আমার একটি নিশ্চিন্ত আশ্রয়। আমি আমার সবটা এখানে ভাগ করে নিতে পারি। কিন্তু যেটা পরবর্তীকালে হল, আমার সেইসমস্ত কষ্টগুলো ভাগ করে নেওয়াই আমাকে শুনতে হয়েছে, আমি সবসময় নেতিবাচক চিন্তা করি। ছোট ছোট ব্যাপারে দুশ্চিন্তা করি বেশি। তাই আমি "আনস্মার্ট।" আমার বলা কথাগুলি নিয়ে যথেষ্ট হেঁয়ালিও হয়েছে অবশ্য।
৫) নারী ও পুরুষের গোঁড়ামি আমার মধ্যে কখনোই ছিল না সেই তবে থেকে, যেদিন থেকে আমি লেখিকা তসলিমা নাসরিনের আদর্শের সাথে মিশে গেছিলাম। অথচ বারেবারে আমাকে অপমানিত হতে হয়েছে পুরুষতান্ত্রিক পুরুষের উদাহরণ সামনে পেশ করে। আমি তো কখনো সেই অপমানের প্রতিবাদ করিনি। আমি শুধু বুঝিয়ে বলার চেষ্টা করেছি যে এটা ঠিক নয়, এটা ভুল। আর কেউ যদি অপমান করে, তাকে বোঝানো উচিৎ। কিন্তু সেখানে আমি বারেবারে সেই অপমানকারীর প্রতি পক্ষপাতিত্ব দেখেছি। শুধু তাই নয়, তার সাথে আমি এক অহংকারী মূর্তিকেও প্রকাশ পেতে দেখেছি আমার সামনে। অবহেলা অনুভব করেছি আমার প্রতি। আমি প্রতিবাদ না করেই সম্পর্ক থেকে দূরে সরে এসেছি।
৬) সম্পর্ক থেকে দূরে সরে আসার পর যখন আমি অনেক বেশি দুর্বল হয়ে পড়ছিলাম, ঠিক সেই মুহূর্তে আমি কিরণকে দেখি। আমার মনে হয় কিরণ আমার কষ্টের ওষুধ হতে পারে। কিরণকে দেখে আমি সব ভুলে যেতাম। ভালবেসে ফেলি আমি কিরণকে। এরপরও যখন সেই সম্পর্কহীন হয়ে যাওয়া সম্পর্কের মানুষটা রাতের বেলায় একটু কথা বলতে চেয়েছিল, আমি কথা বলেছিলাম। প্রেমিক হয়ে নয়, একজন মানুষ হয়ে কথা বলেছিলাম। তারপর যখন আমি তাকে বলি ঘুমনোর জন্য, চোখের নিচে কালি জমছে, আমি তো একজন মানুষ হয়ে আরেকজন মানুষকে কথাটা বলেছিলাম, কিন্তু বিনিময়ে তার বোন পরোক্ষভাবে উত্তর দিয়ে দেয়, "শুরু শুরুতে সবকিছুই ভীষণ ভালো লাগে। দেখতে ভীষণ সুন্দর লাগে। সময় ফুরিয়ে গেলে সবকিছুই কুৎসিত মনে হয়। চোখের নিচের কালিও চোখে পড়ে।" আমি ভীষণ অপমানিত হই। আমার নিজের প্রতি ভীষণ ঘেন্না হয়। আমি ভাবি, আর নয়, আর কখনো কথা বলবো না।
৭) এরপরও বিতর্ক শেষ হয়নি। বারেবারে আমি মানুষের মুখে জান্নাতের সাথে সম্পর্ক নিয়ে বিতর্কের মুখোমুখি হয়েছি। এমনসব বিতর্কে যখন ভীষণভাবে জর্জরিত হচ্ছি, আমার পাশে যখন আমি কাওকে পাচ্ছি না, পাচ্ছি না কারণ নারীর চোখে আমি একজন পুরুষ, যেহেতু নারী নিজেকে কেবল নারীই ভাবে, মানুষ ভাবতে পারে না, তাই একজন পুরুষ সে পুরুষতান্ত্রিক চিন্তার বিরুদ্ধে হলেও নারীর চোখে কখনো সে মানুষ হতে পারে না, পুরুষ হিসেবেই তাকে সন্দের সামনে দাঁড়াতে হয়। এরপরও আমি এই সব বিতর্কে কখনো ভেঙে পড়িনি। ভেঙে আমি তখন পড়লাম, যখন দেখলাম এতকিছুর পর আমার আদর্শের মানুষটার থেকে, লেখিকা তসলিমা নাসরিনের থেকে আমি দূর হয়ে গেছি। লেখিকার একটু স্নেহের জন্য ছটপট করছি, তবুও পাচ্ছি না, তখন আমার মনে হল, আর কিছু অবশিষ্ট নেই, আমি আমার সবটুকু হারিয়ে ফেলেছি। গোটা পৃথিবী আমাকে ভুল বুঝলেও আমার কোনোকিছু এসে যাবে না। কিন্তু লেখিকা তসলিমা নাসরিনের স্নেহ থেকে বঞ্চিত হলে আমার অস্তিত্ব শেষ হয়ে যাবে। হয়ত আমি লেখিকারও ভুল বোঝার শিকার হয়েছি। আমার আর কোনো ইচ্ছা নেই, কোনো স্বপ্ন নেই, কোনো প্রেম নেই, কোনো ভালবাসা নেই, এগিয়ে যাওয়ার ইচ্ছাটুকুও অবশিষ্ট নেই। অন্ধকারে ডুবে গেছি যেন। এরপরও আমি চেষ্টা করবো স্বাভাবিক থাকতে। এরপরও আমি চেষ্টা করবো আমার ব্যর্থ হওয়া কাজগুলিকে সফল করতে। ব্যস, এটুকুই। আমি শুধু চেষ্টা করতে পারি। এর অধিক আমি আর কিছুই করতে পারবো না। সেই শক্তিও নেই আর।
No comments:
Post a Comment